3 Answers
আপনাকে অবশ্যই নিয়ম মেনে খাবার খেতে হবে, যেসকল খাবার খেলে বেশি সমস্যা হয় তা বর্জন করতে হবে। বাহিরের খাবার, অতিরিক্ত ঝাল, মসলা যুক্ত, বাসি পচা খাবার খাবেন না। ফুটানো পানি খেতে হবে। আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং মল পরিক্ষা করে প্রকৃত কারন খুজে সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
2982 views
Answered
- কচি বেল কুচি কুচি করে শুকিয়ে সংরক্ষণ করুন। এর মিহি চূর্ণ ১চা-চামচ পরিমান সকালে ও সন্ধ্যায় খালিপেটে ১মাস সেবন করুন।
- ইছবগুল দানা- ৬ গ্রাম, দধি ১কাপ একত্রে মিশ্রিত করে সকাল-সন্ধ্যায় ১০দিন সেবন করলে উপকার দর্শে।
- ডালিম পাতা ১০টি একত্রে পাটায় পিশে পানিটুকু সকালে ও সন্ধ্যায় ৭-১০দিন সেবন করুন।
- ধাইফুল চূর্ণ ১চা-চামচ আধা কাপ টক দধিতে মিশিয়ে সকালে এবং সন্ধ্যায় ২-৩ দিন সেবন করলে আমাশয় সেরে যায়।
- লাল চন্দন ৫ গ্রাম পরিমান আধা গ্লাস পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে সকালে জ্বাল দিয়ে ক্বাথ করে তাতে সামান্য মিসরি মিশিয়ে দিনে ২/৩ বার খালিপেটে ৩-৫ দিন সেবন করলে উপকার হয়।
- তজ চূর্ণ ৩ থেকে ৫ গ্রাম পরিমান ঢেকি ছাটা চালে মিশিয়ে ভাত রান্না করে ঐ ভাত দিনে ২বার খেতে হবে। এভাবে ৫-৭ দিন সেবন করলে পুরাতন আমাশয় রোগে উপকার পাওয়া যায়।
- বহেড়া চূর্ণ ৩ গ্রাম পরিমান সকালে ও সন্ধ্যায় ৭-১০ দিন খালিপেটে সেবন করলে উপকার দর্শে।
- বিহিদানা ৫ গ্রাম ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে জ্বাল দিয়ে ক্বাথ করে ঐ ক্বাথ দিনে ২ বার খালিপেটে সেবন করলে উপকার দর্শে।
- কালকেশী/ভৃঙ্গরাজ পাতার রস ১ চা-চামচ সকালে ও সন্ধ্যায় আধা কাপ ছাগলের দুধে মিশিয়ে ৭-১০ দিনসেবন করলে পুরাতন আমাশয়ে উপকার দর্শে।
- সাদা ধূপ মিহি চূর্ণ করে ২৫০ মিলিগ্রাম পরিমান দিনে ২-৩ বার খালিপেটে ২-৩ দিন সেবন করলে রক্ত আমাশয়ে উপকার হয়।
- থানকুনি পাতার রস ২চা-চামচ সকাল-সন্ধ্যায় খালিপেটে সেবন করলে উপকার দর্শে।
- মোটা বিচিকলা ২টি পাকা অবস্থায় বিচিসহ দিনে দুইবার চিবিয়ে খেতে হবে ৩-৫ দিন। এতে তরুণ আমাশয়ের উপকার হয়।
- সুত্র: ডাঃশান্তনু পাল,ইউনাইটেড হাসপাতাল
2982 views
Answered
পুরাতন আমাশয় দূর করার কিছু প্রাকৃতিক উপায় নিচে দেওয়া হলো -
1. লাউয়ের টুকরো কেটে তা ব্লেন্ড করে রস পান করুন। প্রতিদিন সকাল ও রাত্রিবেলা ঘুমানোর পূর্বে খেতে পারেন।
2. কয়েট টুকরো থানকুনি পাতা পানিতে রাত্রে ভিজিয়ে তারপর সকালে উঠে পানি পান করুন। নিয়মিত ব্যবহারে আমাশয় দূর হয়ে যাবে।
3. মেথি জলে ভিজিয়ে সকালে পান করুন। আশা করি উপকার পাবেন।
অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার পরিহার করুন। বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রচুর বিশ্রাম নিতে হবে৷ প্রচুর পরিমাণে তরল ও পুষ্টিকর খাবার খান। বাসি পঁচা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
2982 views
Answered