খাওযার পর পেটে জ্বালা পূরা করে,প্রচুর পরিমাণে বায়ু দূষণ হয়,পেটে গ্যাস হয় প্রচুর।এখন আমি কি করতে পারি? 
3165 views

4 Answers

আপনার গ্যাসট্রিক সমস্যা এর থেকে বাচার উপায় নিচে দেয়া হলো: গুড়:- আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে রেহাই দিতে পারে গুড়। বুক জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে সঙ্গে এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন। যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায় ততক্ষণ মুখে রেখে দিন। তবে এ সমাধান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয়। লবঙ্গ:- গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দুটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চুষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি। আদা:- বুক জ্বালাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। পুদিনা পাতা:- গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন। তুলসী পাতা:- ঔষধি গুণে ভরা তুলসী পাতার কথা কে না জানে। অ্যাসিডিটি দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হলে ৫/৬টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে দেখুন, ভালো ফল পাবেন। এছাড়া প্রতিদিন তুলসী পাতা পানির সঙ্গে ব্লেন্ড করে খেলে একেবারে দূর হবে গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা। বোরহানি বদহজম থেকে রক্ষা করে বোরহানি। এ পানীয়টি টক দই, বিট লবণ ইত্যাদি অ্যাসিডিটি বিরোধী উপাদান দিয়ে তৈরি। প্রতিদিন খাবারের পর এক গ্লাস বোরহানি পানের অভ্যাস করতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে।

3165 views

প্রচুর পরিমান পানি পান করুন অন্তত দিনে 7-10 কে জি। তেলে ভাজা খাবার পরিহার করুন। মাঝে মাঝে সেকলো খেতে পারেন। ইনো-ও খেতে পারেন তবে সেটা ব্যয়বহুল।

3165 views
প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন । ৩ বেলা খাবার সময় নির্দিষ্ট পরিমান সময়ের পার্থক্য নিয়ে খাবার গ্রহণ করুন । প্রতিদিন একই নিয়মে খাবার খাবেন । ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত তেল জাতীয় খাবার পরিহার করুন , ভাজাপড়া খাবার খেলে পরিমান মত আহার করবেন ।
তেলচর্বি জাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকুন। সকালে উঠে মেথি ভেজানো জল পান করুন।
3165 views

আপনি প্রতিদিন খালি পেটে কাঁচা পেপে খাওয়ার অভ্যাস করেন তাহলে আশাকরি আপনার উক্ত সমস্যা থাকবে না। আর খাবারের ক্ষেত্রে অতি তৈলাক্ত খাবার পরিহার করুন। এবং পরিমিত পরিমান পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন। আপনার প্রতি শুভ কামনা রইল।

3165 views

Related Questions