4 Answers

প্রতিদিন নিয়ম করে শুধুমাত্র ১ ঘন্টা ফেসবুক চালানোর অভ‍্যাস গড়ে তুলুন। তাহলে ফেসবুকের প্রতি আসক্তি কমে যাবে। ধন‍্যবাদ।

2937 views

আসলে ফেসবুক এমন একটা জিনিস যা আমাদের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন-খাওয়ার সময় ফেসবুক, বসার সময় ফেসবুক, পড়ার সময় ফেসবুক এটা থেকে যে ভাবে রক্ষা পাবেন  ফেসবুক আসক্তির ক্ষত্রে নোটিফিকেশন সাউন্ড,রিংটোন, চোখের সামনে মোবাইল পরা এসব উদ্দীপনা হিসেবে কাজ করে। তাই সাউন্ড বন্ধ করে রাখতে পারেন বা নেট বন্ধ করে রাখলে ভালো হয়। ৩ ঘন্টা আমাদের ব্রেনের ইচ্ছাশক্তি,কর্মক্ষমতা এবং দেহের শক্তি সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে।এসময়টাকেই সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে।আর এজন্য আপনি এসময়টাকে আপনার মোবাইলকে টা টা বলতে হবে।সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ৩ ঘন্টা আর দুপুরে স্কুল কলেজ থেকে আসার পরে হালকা রেস্ট বা ঘুমের পরে ৩ ঘন্টা,মোট ৬ ঘন্টা আমাদের দৈনন্দিন সবচেয়ে দরকারী কাজগুলো করতে হবে। স্কুল থেকে এসে ফেসবুকে প্রবেশ করবেন না। মোবাইল বাড়িতে রাখবেন।  যে যতো লক্ষ্যহীন সে ততো বেশি আসক্ত।অামাদের যখন কিছু করার থাকে না তখনই আমরা টাইম পাসের জন্য মোবাইল নেই।এর থেকে বাচঁতে আপনাকে আপনার পছন্দের কাজ খুজেঁ বের করতে হবে।যখন আপনি আপনার ভালোলাগার কাজ করবেন,তখন মোবাইল সামনে থাকলেও অভ্যাস চক্রে উদ্দীপক হবে না।কারন,তখন আপনার ধ্যান জ্ঞান সবকিছুই ঐ কাজটাতে মগ্ন থাকবে।ফলে মোবাইল আসক্তির জন্য কোনো জায়গা থাকবে না।

2937 views

যদি আমার কথা মানেন তাহলে বলব আনইনস্টল করে দিন।যখন দরকার হবে তখন ইনস্টল করে কাজ শেষ করে আবার হাইড করে দিবেন।  এক সময় নিজেকে ফেসবুক থেকে সরিয়ে আনতে পারবেন এবং বুঝবেন ফেসবুক ছাড়া আপনি অনেক ভাল আছেন। ঠিক আমার মত। Alhamdulillah For Everything 

2937 views

অলস মস্তিষ্ক শয়তানের আধার। আপনি নিজেকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন তাহলেই দেখবেন ফেসবুক ব্যবহারের এত প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে যাবে। আর পরিশ্রম বেশি করুন তাতে অন্য কিছু করার মন মানসিকতা বা ধৈয্য কোনটাই থাকবে না।

2937 views

Related Questions