হিন্দু মেয়েটি ধর্ম পরিবর্তন না করেই বিয়ে করতে চাই একজন মুসলিম ছেলেকে?
5 Answers
ইসলামে এটাকে নিষেধ করা হয়েছে, আবশ্যয় হিন্দু মেয়ে টাকে পরিপূর্ণ ভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে, প্রয়জনে আপনি তাকে ইসলামে আকৃষ্ট করুন।
ভালবাসার বন্ধন কখনও ছাড়া সম্ভব হয় না। তবে হিন্দু ধর্ম পরিবর্তন না করেই বিয়ে দেশ, সমাজ, পরিবার তথা ইসলাম এটা সমর্থন করে না। যেহেতু ছেলেটি মুসলিম তাই এটা কখনও সম্ভব না। বিয়ে করতে হলে যে কোন একজন কে ধর্ম পরিত্যাগ করতে হবে। তাছাড়া কোন ধর্মে অন্য ধর্মে স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়ার নিয়ম নেই, অসম্ভব। এখন সিদ্ধান্ত তাদের উপর। তবে আমি আমার দিক থেকে সাজেসটেড করব মেয়েটি কষ্ট করে ইসলাম গ্রহন করুক। ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। সে অনেক ভাল থাকতে পারবে এবং তার প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে। ধর্ম পরিবর্তন না করে হিন্দু -মুসলিম বিয়ে করা কখনও উচিৎ না। যদি কেও ধর্ম পরিত্যাগ না করতে পারে তবে সম্পর্ক এখানেই ইতি টানতে হচ্ছে তাছাড়া উপায় নেই। সমাজ কখনও মেনে নিবে না। আশাকরি বোঝাতে পেরেছি।
ইসলামে কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমকে বিয়ে করতে পারবে না। এটা হারাম। যদি কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমকে বিয়ে করতে চায়, সেক্ষেত্রে অমুসলিমটিকে নও মুসলিম বানিয়ে নিতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে বিবাহ করা যাবে না, সে যতই ভালোবাসা বা ভালো লাগার মানুষ হোক না কেনো। তাই আপনার উচিত হবে, মেয়েটিকে আপনার ধর্মের আইন মোতাবেক বুঝিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে সাহায্য করা। যদি সে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম না হয়, তাহলে তাকে ভুলে যাবেন। ইসলামের ক্ষেত্রে, মুসলিম+মুসলিম=বিবাহ✔ মুসলিম+নও মুসলিম=বিবাহ✔ মুসলিম+অমুসলিম=বিবাহ✖ । তাই ✔ কে মেনে ✖ থেকে দূরে থাকুন। ধন্যবাদ।
প্রথম কথা হলো কোন মুসলিম পুরুষের জন্য কোন অমুসলিম নারীকে বিবাহ করা বৈধ না। তবে হাঁ, মেয়েটি ইসলামের সকল রীতি নীতি মেনে নিয়ে ইসলাম কবূল করলে সে ক্ষেত্রে বিবাহের সুযোগ থাকবে। তাই মুসলিম ছেলেটির জন্য অপরিহার্য্য হলো মেয়েটাকে প্রথমে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া; সে যদি গ্রহণ করে তাহলে বিবাহ সম্ভব। আর যদি গ্রহণ না করে তাহলে কোনভাবেই বিবাহ সম্পদিত হওয়ার সম্ভবনা (মেয়েটি অমুসলিম থাকাবস্থায়) নেই। মহাগ্রন্থ আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে-
وَلاَ تَنكِحُواْ الْمُشْرِكَاتِ حَتَّى يُؤْمِنَّ وَلأَمَةٌ مُّؤْمِنَةٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكَةٍ وَلَوْ أَعْجَبَتْكُمْ وَلاَ تُنكِحُواْ الْمُشِرِكِينَ حَتَّى يُؤْمِنُواْ وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ وَلَوْ أَعْجَبَكُمْ أُوْلَـئِكَ يَدْعُونَ إِلَى النَّارِ وَاللّهُ يَدْعُوَ إِلَى الْجَنَّةِ وَالْمَغْفِرَةِ بِإِذْنِهِ وَيُبَيِّنُ آيَاتِهِ لِلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ
আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। -সূরা বাকার; আয়াত ২২১