আমার ৭ টা বই ই ইংরেজি ভার্সন এর। 

তাঁর মধ্যে প্রায় সব বিষয় গুলা ই মুখস্থ 

করতে হবে। কোন পদ্ধতি তে পড়লে 

পড়া মনে থাকবে বেশি এবং পরীক্ষাতে 

সুন্দর ভাবে লিখতে পারি। 


উচ্চস্বরে পড়লে ভালো হবে...!??

না নিম্নস্তরের পড়লে ভালো হবে.....!????





বিঃদ্রঃ আমি ইন্সিটিটিউট হোস্টেল এ থাকি। সেখানে এক রুমে ৮ জন কে থাকতে হয়।      

2989 views

3 Answers

সেটা আপনার উপর নির্ভর করে.যদি জোরে পড়লে আপনার সহজে মুখস্ত হয় তবেই জোরে পড়ুন!অন্যথায় আস্তে পড়াই ভালো।এতে দীর্ঘক্ষণ পড়তে পারবেন।এবং মাথাও ঠান্ডা থাকবে,যার ফলে বেশী পড়া মুখস্ত করতে পারবেন।

2989 views

আপনি যাই পড়ুন (সাইন্স/আর্টস/কমার্স রিলেটেড বিষয়) পড়ছেন আপনার প্রধান লক্ষ্য বুঝে পড়া। যা পরবেন তা বুঝে-শুনে প্রাক্টিকালভাবে পড়ুন। বুঝে পড়লে আপনি মৃত্যুর আদ অব্দি তা ভুলবেন না। 


আপনার পড়ার জন্য বেস্ট উপায় হচ্ছেঃ

  1. আগে সেই ইংরেজির বঙ্গানুবাদ করুন। প্রত্যেকটি লাইন, একটি শব্দও বাদ দেবেন না। 
  2. কোনো টপিকের বাংলা জানার পর তার পেছেনর লজিকটা বুঝবার চেষ্টা করুন। 
  3. নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন। কোনো কিছুর উত্তর না জানলে জানবার উপায় খুজুন। 


যেমনঃ Mitchondria is the power house of cell=মাইটোকন্ড্রিয়া হচ্ছে কোষের শক্তিঘর। 

প্রঃ কিন্তু কেন? কোষের কেন শক্তি প্রয়োজন হবে ? 

উঃ কোষের শক্তি প্রয়োজন হয় জীবের দৈহিক এবং অভ্যন্তরীণ কার্য সম্পাদনের জন্য।

 

প্রঃ কিন্তু শক্তি যোগানর জন্য তো অনেক কিছুই আছে একটি কোষদেহে। যেমনঃ সাইটোপ্লাজম,গলজি বডি,রাইবোজোম ইত্যাদি থাকতে মাইটোকন্ড্রিয়াতেই কেন শক্তি উৎপাদিত হবে ?


উঃ  এর কারন হচ্ছেঃ  

i.মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের সমস্ত কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে।

ii.মাইটোকন্ড্রিয়া শ্বসনের জন্যে প্রয়োজনীয় এনজাইম,

কো-এনজাইম প্রভৃতি ধারন করে।

iii. মাইটোকন্ড্রিয়া শ্বসনের বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট,

অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন সম্পন্ন করে।

iv.নিজস্ব DNA ও RNA তৈরী করে।

v.স্নেহ বিপাকে সাহায্য করে। 

vi. কোষদেহে সকল উপাদানের নিজস্ব কাজ রয়েছে। কেউ নিজ কার্য ছাড়া অন্য অংশের কাজ করতে পারেনা। কোষদেহে অন্যান্য অংশে শ্বসনকার্যে  শক্তি উদপাদিত হলেও সবথেকে বেশি শক্তি উদপাদিত হয় মাইটোকন্ড্রিয়াতে।   


এভাবে প্রত্যেকটি সমস্যা আপনি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে পড়লে আপনি প্রত্যেকটি জিনিস অন্তর থেকে বুঝবেন ফলে ভবিষ্যতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না। 


আর কণ্ঠের ব্যপারটা ঃ আপনি কারো সাথে কথা বলেন যেই কণ্ঠে সেই কণ্ঠে সেইভাবে পড়ুন। কল্পনা করুন আপনি আপনার সামনে থাকা কাউকে আপনার পড়ার টপিকটি রিডিং করে শুনাচ্ছেন এবং বোঝাচ্ছেন। এভাবে পড়লে আপনার মাথার মধ্যে কাজ করবে যে আমি অন্যকে একটা বিষয় বুঝাতে পারবো তখনি যখন আমি নিজে বুঝবো। তখন আপনার ব্রেইন আরো ফাস্ট ফাস্ট বিষয়টি ক্যাচ করবে/বুঝতে শুরু করবে।   

2989 views

উচ্চ স্বরে না পড়ে, নিম্ন স্বরে পড়বেন, যেহেতু একই রুমে একসাথে কয়েকজন থাকেন। যদি নিম্নস্বরে পড়ার অভ‍্যাস না থাকে, তাহলে অভ‍্যাস তৈরি করে নিবেন। প্রথমে একটু সমস‍্যা হবে, পড়ে ঠিক হয়ে যাবে। পাঠ‍্যপুস্তকের কোনো পড়া হুবুহু মুখস্ত করে পড়বেন না। মুখস্ত বিদ‍্যা দীর্ঘস্থায়ী নয়। কোনো একটি লাইন বা অনুচ্ছেদ পড়ে, তা নিজের ভাষায় লেখা বা বলার চেষ্টা করবেন। বাংলা ইংরেজি ডিকশনারী পড়বেন। শব্দ বা বাক‍্য অংশ অংশ করে পড়বেন, যাতে সহজে উচ্চারণ করতে পারেন। হাতের লেখা প্র‍্যাকটিস করে লেখা সুন্দর রাখবেন। শব্দের সঠিক বানান খেয়াল রাখবেন। যেহেতু আপনার সবগুলো বিষয়ই ইংরেজিতে, সেহেতু নিয়মিত ইংরেজি শব্দভান্ডার (Vocabulary) মুখস্ত করবেন। ইংরেজিতে কথা বলা প্র‍্যাকটিস করবেন। যেসব ইংরেজি শব্দের অর্থ জানেন না, সেগুলো বাংলা ইংরেজি ডিকশনারীতে সার্চ দিয়ে অর্থ বুঝে নিবেন। পড়া ও পরীক্ষার সময় আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়বেন ও লিখবেন, কখনোই সাহস হারাবেন না। যেহেতু, নার্সিং একটি মানবধর্মী বিষয়, সেহেতু মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করে সমাজের মুখ উজ্জ্বল করতে হবে এবং মানব ও দেশ সেবায় ব্রতী হতে হবে। ধন‍্যবাদ।

2989 views

Related Questions