1 Answers

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ এক মুসলিম আরেক মুসলমানের ভাই। সে তার ওপরে জুলুম করে না, তাকে সহযোগিতা করা পরিত্যাগ করে না এবং তাকে লাঞ্ছিত ও হেয় করে না। কোন ব্যক্তির জন্য তার কোন মুসলিম ভাইকে হেয় ও ক্ষুদ্র জ্ঞান করার মত অপকৰ্ম আর নাই। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই, কাজেই তোমাদের ভাইদের মধ্যে শান্তি-সমঝোতা স্থাপন কর, আর আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা দয়া প্রাপ্ত হও। (সূরা হুজরাতঃ ১০) মুমিনরা পরস্পর দীনি ভাই। এ সম্পর্ক রক্তের সম্পর্কের চেয়েও সুদৃঢ়। একজন মুমিন সর্বদা অন্য মুমিনের কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করবে, ভুল-ত্রুটি সমূহ মার্জিত ভাষায় সংশোধন করে দেবে, অন্যায় হলে ক্ষমা করে দেবে। অন্যায় ও অবিচার করবে না, বিপদে পড়লে সহযোগিতা করবে। তাইতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এক মুসলিম অন্য মুসলিমের ভাই। তার প্রতি জুলুম করবে না, অপমান করবে না, তুচ্ছ মনে করবে না। একজন ব্যক্তির অন্যায়ে লিপ্ত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, একজন মুসলিম অন্য মুসলিমকে তুচ্ছ মনে করবে। একজন মুসলিমের রক্ত, সম্পদ ও সম্মান হরণ করা হারাম। (সহীহ মুসলিমঃ ৬৭০৬) অপর বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ব্যক্তির দুনিয়ার কোন কষ্ট দূর করে দেবে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার কষ্ট দূর করে দেবেন এবং দোষ গোপন করলে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন। (সহীহ বুখারীঃ ২৪৪২) তাই সমাজে বা দেশে বসবাসকালে একজন বা একদল মুমিন অন্য একজন বা একদল মুমিনের সাথে অনাকাক্সিক্ষতভাবে বিবাদে লিপ্ত হলে উচিত হলো মীমাংসা করে দেয়া। অবশ্যই যেন এ মীমাংসা ন্যায়পরায়ণতার সাথে হয়। এর ফলে সমাজে ও দেশে শান্তি নেমে আসবে।

2907 views Answered

Related Questions

Next steps