আল্লাহর কসম করে মিথ্যা বলছে কে..?
4 Answers
বিয়ের পর ফুলশয্যার রাতে যৌন মিলনের সময় যদি আপনার স্ত্রীর সতিচ্ছেদ হয় তথা যৌনাঙ্গ থেকে রক্ত বের হয়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার স্ত্রী বিয়ের আগে কারো সাথে যৌনমিলন করেনি। আর যদি না হয়, তাহলে বুঝতে হবে করেছে। আপনি আপনার হবু বউয়ের কথাটি বিশ্বাস করতে পারেন। কেননা, যেহেতু সে আল্লাহর কসম করে বলেছে কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে নাই এবং যেহেতু সে কুরআন ছুঁয়ে বলতেও রাজি আছে। গ্রামের বখাটে ছেলেরা মেয়েটির বিয়ে ভাঙার জন্য এমনটা বলে থাকতে পারে। স্বচক্ষে না দেখে বা উপযুক্ত প্রমাণ ব্যতীত শোনা কথায় কান দিবেন না, এতে মেয়েটির ক্ষতি হতে পারে তথা বিয়ে ভেঙ্গে যেতে পারে। ধন্যবাদ।
আপনার সমস্যাটির জন্য আপনি পবিত্র কুরআনের সূরা আন- নূরের বাংলা অনুবাদ এবং ব্যাখ্যা পড়ুন। আশা করি আপনার সমস্যাটির সঠিক সমাধান পেয়ে যাবেন।
এক্ষেত্রে আপনি মেয়েটির কথা বিশ্বাস করবেন৷ কারণ ইসলামী শরীয়তে ব্যাভিচার প্রমাণ হওয়ার জন্য নির্ভরযোগ্য চারজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য জরুরী৷ আর তাদেরকে ব্যাভিচার করা অবস্থায় দেখাও জরুরী৷ আর প্রশ্নের বর্ণনানুযায়ী এ ধরনের কোন সাক্ষী পাওয়া যায়নি৷ অতএব মেয়েটি এক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত হবে না৷
আর যারা মেয়েটির নামে উক্ত কথা ছড়াচ্ছে তারা যদি নির্ভরযোগ্য চারজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য উপস্থিত করতে না পারে তাহলে তারা মিথ্যা অপবাদের অভিযোগে অভিযুক্ত হবে৷ আর এটা মারাত্মক কবীরা গুনাহ৷ ইসলামে অপবাদের শাস্তি হলো, ৮০ বেত্রাঘাত৷
বি.দ্র. শাস্তি দেয়ার কাজটা করবে সরকার৷ আইন নিজে প্রয়োগ করার বিধান শরীয়তে নেই৷
যদি স্বতিচ্ছেদ না হয়ে থাকে পূর্বে ,তাহলে আপনার বউয়ের কথাটি সঠিক।আর এমন ও হতে পারে যে আপনার বউ যদি বলে যে আমি অন্যের সাথে পূর্বে শারিরিক সম্পর্ক করেছি,তখন হয়ত বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যেতে পারে সেজন্য আপনার স্ত্রী মিথ্যা বলছে।আর আপনাকে যারা বলছে যে আপনার স্ত্রী শারিরিক সম্পর্ক করেছে,তাদের আপনার বউয়ের সাথে মূখামুখি মোকাবেলা করতে বলেন।কিংবা এও হতে পারে যে ঐ ছেলেরা সবাই বন্ধু যারা আপনাকে বলেছে।তাদের মধ্যে কেউ একজন আপনার স্ত্রী কে ভালোবাসত।কিন্তু আপনার স্ত্রী রাজি হয়নাই।সে কারণে তারা আপনার স্ত্রীর সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।আর আপনার বউ যদি ভালো পরহেযগার হয়,তাহলে আপনার বউয়ের কথাটাই ঠিক ভেবে নিবেন।