বিয়ে হওয়া নিয়ে একটি মাসয়ালা, যত তাড়াতাড়ি পারেন উত্তর আশা করছি। আমার এক আপু বিপদে আছেন?
3 Answers
উল্লিখিত কথোপকথনে তাদের বিবাহ সংঘটিত হয়নি৷ আল্লাহ, রাসূল, আকাশ, বাতাস, জগত ইত্যাদিকে সাক্ষী রেখে বিবাহ করলে তা সংঘটিত হয় না৷ তথপি এখানে আরো একটা বিষয় প্রয়োজন, তাহলো অভিভাবকের অনুমতি৷ তাও এ বিবাহে নেই৷ সুতরাং কোনভাবেই এ বিবাহ সংঘটিত হয়নি৷
রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে নারী তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই নিজে নিজে বিবাহ করে, তার বিবাহ বাতিল, বাতিল, বাতিল। (আহমাদ, আবূ দাঊদ, তিরমিযীঃ ১১০, ইবনে মাজাহ, দারেমী, মিশকাত ৩১৩১) এমন ছেলে-মেয়েদের দাম্পত্য, চির ব্যভিচার হয়। যেহেতু তাদের বিবাহ শুদ্ধ নয়। ইসলামে বিয়ের রুকন বা খুঁটি তিনটি: এক: বিয়ে সংঘটিত হওয়ার ক্ষেত্রে সমূহ প্রতিবন্ধকতা হতে বর-কনে উভয়ে মুক্ত হওয়া। দুই: ইজাব বা প্রস্তাবনা। তিন: কবুল বা গ্রহণ। এটি বর বা বরের প্রতিনিধির পক্ষ থেকে সম্মতিসূচক বাক্য। যেমন- বর বলতে পারেন আমি গ্রহণ করলাম অথবা এ ধরনের অন্য কোন কথা। বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার উল্লেখযোগ্য শর্ত হলো সাক্ষীঃ বিয়ের আকদের সময় সাক্ষী রাখতেই হবে। দলীল হচ্ছে- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, অভিভাবক ও দুইজন সাক্ষী ছাড়া কোন বিবাহ নেই। (তাবারানী, সহীহ জামে ৭৫৫৮) নিজেরাই নিজে কবুল বললে এক্ষেত্রে বিয়েটা হয়ে যাবেনা।
প্রশ্নোল্লিখিত বিবরণ সঠিক হয়ে থাকলে ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয় নি৷ কেননা বিয়ের জন্য দুজন পুরুষ/ একজন পুরুষ দুজন মহিলার সাক্ষী হিসেবে থাকা আবশ্যক৷ আর প্রশ্নের বর্ণনায় আল্লাহ/রাসুল সাঃ ও রাতকে সাক্ষী করেছে যা শরিয়তে ধর্তব্য নয়৷ তাই তাদের বিয়ে হয় নি৷ এছাড়াও মোবাইলে/ফোনে বর-কনের ইজাব-কবুল শরিয়তে গ্রহণীয় নয়৷