অনেক ভাবে অনেক রকম ভাবে চেষ্টা করেছি নিজেকে পড়াতে মনোযোগী করতে পারি নাই। আমি নিজেই জানি না আমার সমস্যা টা কী। এই দিকে পরীক্ষার সময় এগিয়ে আসছে। ;কিন্ত আমি পড়ছি না। কিছু পরামর্শ প্রয়োজন যা প্রয়োগ করলেঃ আগামী ২০ দিলে ভালো প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষাতে ভালো করতে পারবো।
2796 views

4 Answers

ভাবুন যে সামনে আপনার পরীক্ষা। নিজের মধ্যে ভালো রেজাল্ট করার প্রবণতা জাগিয়ে তুলুন। বিশ্বাস করুন যে আপনি পারবেন। তাহলেই আপনি পারবেন। সবসময় পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন না। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুণ। নিজেকে বিশ্বাস করুণ। পড়ার প্রতি মনোযোগী হন। পড়া ভালবেসে পড়ুন।  নিজের প্রতিটি কাজের প্রতি গুরুত্ব দেন। ভাল রেজাল্ট করার পূর্বশর্ত হচ্ছে নিজের প্রতি আস্থা এবং ভাল করে পড়া  

2796 views

বিকালে খেলাধুলা করে তারপর পড়তে বসুন।দেখবেন পড়তে অনেক ভালো লাগবে।মন থেকে সকল চিন্তা ভাবনা বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন।পড়তে বসলে যে কাজটা বেশি করে করতে ইচ্ছা করে (যেমন ফোন টেপা) সেটা থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন।

2796 views

০১. মনস্থিরঃ- অমনোযোগীতা আনতে পারে এমন সব বিষয় মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। আপনার পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু হাতের কাছেই রাখুন যাতে বারবার উঠতে না হয়। অনেকের বারবার ফোন আসে পড়ার সময়।খুব বেশি দরকার না হলে ফোন বন্ধ করে রাখতে পারেন। পড়তে বসার অন্তত ৫ মিনিট আগ থেকে মনস্থির করুন। ০২. শিক্ষকতাঃ- আপনি যে বিষয় পড়বেন সেটা অন্য কাউকে শিক্ষা দিন।এমন কাউকে যে সে বিষয়টা সম্পর্কে জানেনা। শিক্ষকতা নিজের জ্ঞান আহরণের জন্য সবচেয়ে উত্তম উপায়। যেমন- আপনি যদি গণিত কম বোঝেন বা গণিত নিয়ে পড়তে চান ভবিষ্যতে আপনার উচিত এখন থেকেই গনিতের উপর শিক্ষা দান করা অন্যদের। এতে আপনার নিজেরও চর্চা থাকবে বিষয়টির উপর। ০৩. ইন্দ্রিয় সক্রিয়ঃ- আপনার সব ইন্দ্রিয় সক্রিয় করুন। আপনি একটি বিষয় যতই পড়ুন না কেন সারাদিন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি তা মনে রাখতে পারবেন না অথবা বুঝবেন না যতক্ষণ না আপনি বিষয়টি আপনার চারপাশের কিছুর সাথে সম্পৃক্ত করতে পারছেন। চারপাশের জিনিসের সাথে আপনি আহরণ করা জ্ঞান মিলিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন। ০৪. সংযোগঃ- প্রত্যেকটি বিষয়, ধারণার মাঝে সংযোগ স্থাপন করতে শিখুন। একটি আরেকটির সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আপনার নিজের জ্ঞানের পরিধিও অনেক বাড়বে। ০৫. নতুন ধারণা ও পরিচিত ধারণার মাঝে সংযোগঃ- আপনি যখন নতুন কোন বিষয় বা তথ্য সম্পর্কে জানবেন তখন তা আপনার বর্তমানের পরিচিত কোন জানা তথ্য বা ধারণার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করুন। এতে পরীক্ষার সময় আপনার সে নতুন তথ্য ভুলে যাবার আশঙ্কা কম থাকে। ০৬. মস্তিষ্কের উপর চাপ না দেয়াঃ- পরীক্ষার আগে কিছুদিন পড়লে আপনার মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়তে পারে। তাই সবসময় অল্প অল্প পড়ার মাঝে থাকবেন। এতে করে আপনার উপর কোন মানসিক চাপও থাকবেনা আর আপনি পরীক্ষার আগে একটু রিভিশন দিলেই আপনার হয়ে যাবে। ০৭. তথ্যের ধরনঃ- পড়ার সময় প্রত্যেকটি তথ্যের ধরন বোঝার চেষ্টা করুন। যেমন- যে তথ্য দেয়া আছে সেটা কি গাণিতিক তথ্য, নাকি ঐতিহাসিক কোন তথ্য, নাকি কোন ব্যক্তি বা দেশ সম্পর্কে তথ্য এসব বিষয়ে ভালো করে বুঝে তারপর মুখস্ত করতে হবে। না বুঝে মুখস্ত করলে তা কোনদিন মনে থাকবেনা। ০৮. সুদৃঢ় জ্ঞানের ভিতঃ- সব সময় পুস্তকি বিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত করলে হবেনা। অন্যান্য বিভিন্ন বই থেকে আহরিত জ্ঞানের সাথেও সম্পৃক্ত করতে হবে। সেজন্য দেশ ও দেশের বাইরের অনেক লেখকের বই পড়ার অভ্যাস সব সময় রাখতে হবে। এটা শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং অনেক কিছু সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা যায় আর নিজের জ্ঞানের ভিত্তিটা অনেক মজবুত ও শক্ত করে গড়ে তোলা যায় যাকে ভিত হিসেবে ধরে আপনি আপনার জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে নিতে পারেন। ০৯. নিজস্ব রীতিঃ- যখন কোন বিষয় পড়বেন তখন নিজের একটা আলাদা রীতি অনুসরণ করার চেষ্টা করুন আর বিষয়টির একটি ছবি আপনার মনের মধ্যে এঁকে নিন। এতে বিষয়টি আপনার খুব সহজেই মনে থাকবে। ১০. নোটঃ- আপনার পড়ার মূল লক্ষ্য কিন্তু সেটাকে বুঝে জ্ঞান আহরণ করা আর পরীক্ষায় ভালো করা। কিন্তু আপনি যদি নাই বোঝেন তাহলে ভালো করার প্রশ্নই আসেনা। তাই যে বিষয়টি বুঝবেন না তার পেছনে একটু বেশি মনোযোগী হন। প্রয়োজনে খাতায় লিখে, করে বোঝেন। কারণ না বুঝে মুখস্ত করে সেটা বেশিক্ষণ মনে রাখা কোন ছাত্রের পক্ষেই সম্ভব নয়।

2796 views

পড়ার টেবিলে সবসময় বসে থাকার প্রয়োজন নেই।১ ঘন্টা পড়ার পর ১০ মিনিট করে বিশ্রাম নিন।পড়াশোনায় মনোযোগ সাথে সাথে আসে না।একটি গাড়ি প্রথমেই ৮০ কি.মি চলে না।আস্তে  আস্তে এর গতি বৃদ্ধি পায়।তাই,আপনি আগে পড়াটা শুরু করুন।আপনার মনোযোগ বাড়তে থাকবে।আর যা পড়বেন তা বেশি করে লিখুন।এতে আপনার কোন জায়গায় সমস্যা,তা ধরা পড়বে।

2796 views

Related Questions