3 Answers
জ্বী না । নাগ-নাগিন বলে ইসলামে কিছু নেই । কাজেই এইসব বিশ্বাস করার কোন প্রশ্নই আসে না । অন্যান্য ধর্মে থাকতে পারে । যেমনঃ সনাতনী ধর্মে । তবে ইসলাম ধর্মে নেই ।
নাগ নাগিনী সম্পর্কে যা জানা যায় তা হলোঃ বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন এমন একটি ছেলে মেয়ে যে কারো উপর ক্ষুব্ধ হলে, বা তাদের আপন জনেরা কোনও কারণে আক্রান্ত হলেই বিষময়ী নাগিনীর রূপ ধারণ করে। আবার সে কিনা নিজের ইচ্ছেই নাগ নাগিনী থেকে মানুষ, আবার মানুষ থেকে নাগ নাগিনী হতে পারে। এগুলি আদিম যুগের রোমাঞ্চকর রুপকথার গল্প মাত্র। যা ইসলাম সমর্থন করে না।
ইসলামে বলা হচ্ছে আঠারো হাজার মাখলুকাত, এর মধ্যে মানুষই সর্বশ্রেষ্ঠ। এখন নাগ নাগিনী বলতে পুরুষ ও স্ত্রী সাপকে বোঝায় যা ধীর গতিসম্পর্ন একটি প্রানী। কোষীয় দিক দিয়া এটি উন্নত প্রানী হলেও প্রানী হিসেবে ততটা উন্নত ও বুদ্ধিমান প্রাণি নয়। এখন কেউ যদি নাগ নাগিন বলতে এমন বোঝায় যা ইচ্ছা করে মানুষের রুপ নিতে পারে, অথবা মানুষ, কিন্তু ইচ্ছা করে সর্পরুপ নিতে পারে। তাহলেতো মানুষের চেয়ে বুদ্ধিমান ও উন্নত হবে। কাজেই আশরাফুল মাখলুকাত যেহেতু মানুষ তাই এমন কোন প্রাণি নাই। সাপ একটি ভিতিকর এবং কামড়ে মৃত্যু হয় তাই আদিকাল থেকে সনাতনীরা দেবতা হিসাবে মানেন, হতে পারে সত্যই তাদের দেবতা, তাই ভক্তি শ্রদ্ধা করে মানুষের বিশেষ রুপে কল্পনা করে দেখানো হয়, আর বহু কাল থেকে বংশ পরম্পরায় এটা চলে আসায় এখন শুনলে মনে হয় যেন সত্যি।