user-avatar

Waruf

◯ waruf

এক চক্ষু/এক চোখা। ব্যাখ্যা করে বলতে গেলে যে ব্যক্তি দোষ গুন বিচারের সময় কোন একজনের  সর্বদাই পক্ষ নেন, তার দোষগুলো না দেখে বরং সামর্থন দিয়া দোষকে ভালতে রুপান্তর করেন। একে পক্ষপাতিত্ব বা পক্ষপাতদৃষ্ট বলে। 

কিছু কিছু মাদারবোর্ড এ প্রসেসর পাল্টে অন্য প্রসেসর লাগানো যায়,  এখানে জেনারেশনের শর্ত থাকে।

যেমন ১১০ মডেলের মাদার বোর্ডে সম্ভবত ৫ম জেন এর i3,i5 চলে। কিন্তু ৮১ বোর্ডে আবার এটি চলেনা। কাজেই আপনার মাদার বোর্ডের মডেল ও প্রসেসর জেন উল্লেখ করুন তাহলে নির্দিষ্ট করে বলা যাবে।

20 টা ওয়াটার ড্রপে এক গ্রাম।  একে স্টান্ডার্ড তুলনা করে পরিমাপ করতে পারেন। তবে বৈজ্ঞানিক ভাবে সঠিক পরিমাপ পাবেন না। কারন অনেক শর্ত থাকে যেগুলো পূরন করতে পারবেন না।

ব্রাউজারের সেটিং এ যেয়ে সাইট সেটিং অপশন থেকে মাইক্রোফোন, ক্যামেরা পার্মিশন দিয়া দিন।

Life মানে কি?

waruf
Oct 15, 01:42 PM

লাইফ এর নির্ধারিত কোন সঙ্গা নাই। সাধারন অর্থে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত জীবের কর্মকাণ্ড কে লাইফ বলে।

বিজ্ঞানে, এমন জীবিত কোষ কোষ সমষ্টি বা জীব যা বংশ বৃদ্ধিতে সাক্ষম এবং জৈবিক কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারে তাকে জীবন বলা হয়।

আবার সাইকোলজি বা দর্শন শাস্ত্রে লাইফ হচ্ছে জীবের পরিকল্পিত সুশৃঙ্খল দৈনন্দিন কর্মকান্ডের সমষ্টি যা ঐ জীব বা মানুষকে অর্থবহ করে তোলে। এখানে পাগলকে লাইফ বলা হয়না কারন পাগলের পরিকল্পিত অর্থবহ কর্মকান্ড নাই।


সাইটটি ঘুরে আসতে পারেন।

হুম ডাইজেস্ট বই কিনুন। তবে ডাইজেস্ট বেশ কয়েকটা কোম্পানির রয়েছে। দেখে কিনুন। আপনাকে শুধু অবশ্যই ডাইজেস্ট কথাটি বলতে হবে। এসুরেন্স ডাইজেস্ট বইটি ভালই।

হ্যা এমন এপস আছে। এপসটির নাম third eye. 

এখানে দেখুন

দুঃখিত লিংক যদি কাজ না করে তাহলে প্লে স্টোরে উপরের নাম লিখে সার্চ দিন, পেয়ে যাবেন।

এর কোন বাধা ধরা সঠিক উত্তর নেই। আপনি যদি জ্যামিতির উপপাদ্য, সম্পাদ্যগুলো ভাল বোঝেন তাহলে অর্থনীতি সহজেই বুঝতে পারবেন। অংকগুলোও সহজ লাগবে।

কিন্তু তার মানে এটা নয় যে এটি সহজ, যে কেউ পারবে। আসলে এক এক মানুষের ব্রেন এক এক বিষয়ে সহজে বুঝতে পারে, সেটাই তার ভাবাদর্শ। 

তবে শুধু পাঠ্য বিষয়ের দিক দিয়া অর্থনীতি সহজ।

অন্যদিকে রসায়ন বা পদার্থ নিলে আপনাকে গণিতের কোন একটি সাইট বুঝলেই সহজ হবেনা। এখানে ক্ষেত্রটা বিশাল এবং অংকগুলোও ভিন্ন ভিন্ন টাইপের। সাধারন গণিতের ফর্মুলা নাই।

রসায়নে সংকেত, বিক্রিয়া সাম্যবস্থা হিসাব, তড়িত হিসাব, তাপের হিসাব, পলিমার হিসাব, উতপাদ হিসাব, ইত্যাদি, পদার্থে, বল, তড়িত, ইলেক্ট্রনিক্স,  গতি, অর্ধায়ু, আপেক্ষিকতা, ক্যালকুলাস ইত্যাদি বিষয় থাকবে যা জটিল আর জটিল। কাজেই চাপ নেওয়ার ক্ষমতা, বোঝার মত ব্রেন, লজিক জ্ঞান থাকলে এগুলো সহজে হ্যান্ডেল করতে পারবেন। আশা করি বুঝতে পারছেন। আর বুঝতে না পারলে এই সাবজেক্ট এর কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত নয়।

A+(A+B) = কত হবে?

waruf
Oct 12, 03:50 PM

বীজগাণিতিক রাশি অনুযায়ী 2A+B এবং

বুলিয়ান লজিক এ A+B হবে কারন A+A=A 

লজিক গেট, বুলিয়ান এলজেবরা, বাইনারী যোগ, 1 or 2 complementary ইত্যাদি আইসিটি প্রশ্নের জন্য এই সাইট ভিজিট করতে পারেন

হৃদপিণ্ড কে ঘিরে একটি দ্বিস্তরী পর্দা থাকে। একে পেরিকার্ডিয়াম বলা হয়।

বিজ্ঞানে এর কোন ভিক্তি নাই। এটি কুসংস্কার।  

ধর্মীয় দিক থেকে শুনেছি যে, সহবাসের সময় বিভিন্ন দোয়া পাঠ করতে হয়, তা না হলে শয়তানও সেখানে প্রবেশ করার সুযোগ পায়। 

কিন্তু আমার মতে, এটি ঠিক নয়।

আল্লাহুতায়ালা মানুষকে সৃষ্টির শ্রেষ্ট করে সৃষ্টি করেছেন। অর্থাৎ অন্য সকল সৃষ্টির চেয়ে মানুষ উত্তম, তাহলে উত্তম মানুষের মধ্যে অপেক্ষাকৃত নিচু জিন কিভাবে আসার ক্ষমতা পেতে পারে? এছাড়া জিন আগুনের তৈরি আর মানুষ মাটির তৈরি,  কাজেই জিনের সিমেন্স মানব দেহে কোন ভ্রুন তৈরি করতে পারেইনা। আবার জিনরা কোন আকৃতির তাও মানুষ জানেনা। কাজেই কল্পনা থেকে কেউ জিনদের মানুষের মত ভাবলে তা ভুল। কাজেই এটি সম্ভব নয়।

আবার যে শয়তানের কথা বলা হয়েছে যার মানুষের ক্ষতি করার ক্ষমতা রয়েছে। সেখানেও আমার অভিমত যে এটি সম্ভব নয়। 

মুসলিমদের ভেতর অনেক অমান্যকারী আছেন। তবে ধরে নিলাম সমস্ত মুসলিম আল্লাহুর হেফাজতে থাকায় জিন এর প্রভাব মুক্ত, তাহলে আজকের ৭৫% অমুসলিমরা তাহলে কি জিনের বির্য বহন করছে? কারন সেখানে জিন প্রবেশ করা সহজ, তারা আল্লাহুর বিধান মানেনা। আর এটি হলে পৃথিবী জিনে পূর্ণ, বাস্তবে তা মোটেও নয়। আল্লাহ যদি চান তাহলে হয়ত সম্ভব। কিন্তু আল্লাহু হলেন মহান। যা খুশি করেননা। এটা বুঝতে হবে। 

পরিশেষে বলতে চাই যে, আল্লাহ মানুষকে পরিক্ষা নেওয়ার জন্য অনেক কিছু করতে পারেন কিন্তু এমন কিছু করেননা যাতে তাহার সৃষ্টির উদ্দেশ্য, সৃষ্টির অধিকার বঞ্চিত হয়। তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন তাহার ইবাদাতের জন্য, জিনের সহবাসের জন্য নয়। কাজেই জিনের দ্বারা মানব গর্ভধারন করতে পারেনা। এসব কুসংস্কার ও কুরুচিপুর্ণ মুভি দেখে মাথায় তার প্রতিক্রিয়া ঘোরার ফল হিসাবে চিন্তার উদয় হয়।

আপনাকে দুটো জিনিস করতে হবে, প্রথমে তাতালের মাথা(বিট যেটা রাং গলায়) ওটা পাল্টান। দোকান থেকে আলাদা তামার বিট কিনে নিন। সেটা লাগান। চায়না তাতালে একটা রুপালি  মত লোহার বিট থাকে ওটায় কাজ হয়না ভাল। আর পেস্টেও হবেনা। এর বদলে রেজিন কিনুন। তাহলে ভাল কাজ করতে পারবেন।

ভূল ত্রুটি কমানোর প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে নিজ ভূল স্বীকার করতে পারা। ধরুন আপনার ভূল হয়নি কিন্তু কেউ ভূল ধরে বলল, তখন অন্তত তাকে এটা বলা যে স্যার(পদ অনুযায়ী সম্বোধন দিবেন) আমি এ বিষয়ে নতুন, শিক্ষানবিস তাই অভিজ্ঞতাও নাই বলে অজান্তে ভুল হয়ে যেতে পারে, ভূল গুলো ক্ষমা চোখে দেখবেন এবং ধরিয়ে দিবেন যাতে আরও সজাগ হতে পারি, শিখতে পারি জানতে পারি।

দ্বিতীয় পদক্ষেপ হচ্ছে অফিসিয়াল সময়ে পার্সোনাল বিষয়গুলো মাথায় না আনা। কর্মেই মনযোগী হওয়া, কর্মকেই উপভোগ করা। তাহলে সুন্দর ভাবে কাজ সম্পাদিত হবে। ভুল কম হবে।


উল্লেখ্য যে ধরুন আপনার ভুল হয়নি, আপনি যা করছেন ঠিক করেছেন এমন তর্কাতর্কি করলে কখনোই ভুল কমাতে পারবেন না। যাদের আত্ম অহং বেশি তারা কিছুই করতে পারবেনা। আমি জানি লোক ভাল কাজের প্রশংসার চেয়ে খারাপ নজরে দেখে বেশি, তবুও সিনিয়রদের সাথে নিজের ভুল হতে পারে মেনে নিয়া বিনীতভাবে আলাপ করাই জ্ঞানীর কাজ। সেয়ানে সেয়ানে কেবল শব্দই হবে,শান্ত নয়।

১৯শে আগস্ট ১৯৩৫ সাল

হ্যা , বিল জমা, টাকা তোলা, এমনকি অফিসের বিশেষ কেনাকাটা করা, অফিস রিলেটেড অন্যন্য জাগায় যাওয়াও অফিস সয়ায়কের কাজ। 

যখন ভু-পৃষ্ঠের বিভিন্ন জলাশয়ের পানি বাষ্প হয়ে আকাশে উড়ে যায় তখন এই বাষ্প বায়ু মন্ডলের উর্দ্ধ আকাশে তাপ হারিয়ে শিশিরাংকে পৌছে শীতল হয়ে মেঘে পরিনত হয়। অন্যদিকে আমরা জানি যে ভূ-পৃষ্ঠ ঋনাত্মক চার্জের আধার। অর্থাৎ ইলেক্ট্রনের আধার। ফলে ভু-পৃষ্ঠের এই ঋনাত্মক চার্জের  আকর্ষন এর ফলে মেঘে স্থির বৈদ্যুতিক চার্জের সৃষ্টি হয়। এভাবে বৃহৎ দুই খন্ড মেঘের নিচের দিকে ধনাত্মক উপরের দিকে ঋনাত্মক চার্জ জমা হয় কারন আমরা জানি সমধর্মী চার্জ পরস্পরকে বিকর্ষন করে। এখন এই দুই মেঘের উপর নিচ বরারবর তীর্যক আকর্ষন শুরু হয় ফলে মেঘ প্রবল বেগে একে অপরের দিকে ধাবিত হয়। এই বেগের ফলে মেঘে মেঘে সংঘর্ষ হয়। যখন এই সংঘর্ষ হয় তখন সংঘর্ষের কারনে কিছুটা শব্দ উৎপন্ন হয় যদিও কিছুটা বলতে একে বারে কম নয়। বৃহত শব্দ বলা চলে। একই সাথে সংঘর্ষের ফলে ধনাত্মক ও ঋনাত্মক চার্জ পরস্পর অতি তীব্র ভোল্টের স্পার্ক সৃষ্টি করে বিদ্যুৎ ক্ষরন করে। বিদ্যুৎ বা ইলেক্ট্রনের এই ক্ষরন আগুনের স্পার্ক রুপে বিশাল ভোল্টের প্রবাহ কম্পন নিয়া বায়ু মন্ডল ভেদ করে ভূ-পৃষ্ঠের দিকে চলে আসে। তো যে মুহুর্তে বিদ্যুৎ স্পার্ক হয়ে প্রজ্জ্বলিত রুপে ক্ষরন হয় তখন বিশাল আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয় যা আমরা বিজলি চমকানো বলি। একই সাথে এই ক্ষরনের কম্পন ফ্রিকোয়েন্সি মেঘে মেঘে সংঘর্ষের কম্পন ফ্রিকোয়েন্সির সাথে অনুনাদ সৃষ্টি করে তীব্র শব্দ উৎপন্ন করে ক্ষরিত বিদ্যুৎ মায়ুমন্ডল ভেদ করে নিচে আসার সাথে বিভিন্ন স্তর পার হয়ে এই তীব্র শব্দ আমাদের কানে পৌছায়। এভাবে মেঘের গর্জন ও বিজলি চমকায়। 


আর হ্যা আপনার আরও একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিনা। কেননা আপনি প্রশ্ন না করে অন্য সাইটের লিংক দিয়েছেন। অন্য সাইটে যেয়ে প্রশ্ন দেখে এসে তার উত্তর করার জন্য আমি নিয়োগ প্রাপ্ত নই। তাই দরকার আপনার, আপনাকে কষ্ট করে টাইপ করে দিতে হবে। 

এখানে আমার সাইটটি দেখতে পারেন । 

ভাইডি আপনি কি ধরনের ডাটাবেজ চালান? সেই ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট করার জন্য কি ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট করে তা কিন্তু বলেননি। আপনি শুধু পিএইচিপি এর কথা বলেছেন। এই php হচ্ছে শুধু মাত্র টেমপ্লেটিং ফাংশন। তাই php ব্যবহার করলে যে sql inject করা যাবেনা তা মোটেও নয়। বরং php এর ফাংশন দ্বারা  sql কোড এক্সিকিউট  করে সার্ভারে পাঠানোটাই সহজ। কাজেই আপনার সাইট sql এটাক করা যাবে। আর আপনি যে ডাটাবেজ ব্যবহার করেন তাতে আশা করি sql পুরাপুরি সাপোর্ট। কারন sql হচ্ছে ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর ভাষা। অধিকাংশ ডাটাবেজ এটি সাপোর্ট করে। আপনি হয়ত কোন একটি cms ব্যবহার করে সাইট বানিয়েছেন। আপনি হয়ত শুধু কনফিগার ফাইলে ডাটাবেজ নাম আর পাস ব্যবহার করে ইনস্টল করে ফেলছেন তাই আপনার মনে হচ্ছে  sql ব্যবহার করেননি। যদি তাই হয় তাহলে সম্ভবত আপনি সাইট তৈরিতে এডভান্স দক্ষ না। কারন sql ভাষাটি php এর সাথে এমন ভাবে ব্যবহার করা হয় যে, ব্যবহারকারীর আলাদা sql দরকার নাই। এটা cms কোর সিস্টেমে অটোমেটিক থাকে। এই sql আপনি সেইদিন বুঝতে পারবেন যেদিন cms টাই আপনি নিজে বানাবেন। ধরুন আপনি একটি পোস্ট করলেন। তাহলে পোস্ট টি সার্ভার পর্যন্ত বহন করে জাভাস্ক্রিপ্ট ও php মিলে। তারপর সার্ভারে php এক্সিকিউট হয়ে পোস্ট এর কন্টেন্ট sql এ রুপান্তর হয়ে ডাটাবেজে ইনপুট হয়। ডাটাবেজ sql নির্দেশ মতই ডাটা রেকর্ড ও প্রদর্শন করে। আপনি জানতেই পারেন না ।  আপনি হয়ত অনলাইনের বিভিন্ন আর্টিকেলে  NOsql পড়েছেন। এটি থেকে ভাবছেন sql নাই। আপনি ভুল ভাবছেন। এখানে NOsql মানে হচ্ছে  not only sql. অর্থাৎ sql আছে কিন্তু শুধু sql নয়, এর সাথে অন্য ল্যাংগুয়েজও আছে। আশা করি একটু ধারনা পেয়েছেন।

আমার সাইটটা এখানে দেখতে পারেন।


মাদ্রাসা পড়ে কি হবে বলতে পারেন? মাদ্রাসা গুলোতে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা নাই, বিজ্ঞান নাই, কম্পিউটার নাই, কোন প্রকার টেকনোলজি বিষয় নাই। এখানে পড়ে সৃষ্টিশীল, দেশে অবদান রাখার সুযোগ কম। মাদ্রাসা মানেই আরবী পড়ুন, হুজুর হোন।  মসজিদে ইমামতি টাইপের চাকরী বা মাদ্রাসা শিক্ষক হোন। হ্যা মাদ্রাসা পড়লে কোন এক মসজিদে হয়ত কাজ জুটে যাবে, চাকরীযুদ্ধ কম, কিন্তু আসলে মসজিদে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মসজিদ দানের উপর বেতন নির্ভর করে। সরকারী বেতন এর সেক্টর কম, 

উপরন্তু আপনি জেনারেল লাইনে পড়েও কিন্তু আরবী শিক্ষা করতে পারেন। তাই আমার মত, আধুনিক যুগে আধুনিক সমাজ গড়তে জেনারেল লাইনে পড়ুন। ইসলামি বিষয় গুলো ব্যক্তিগত ভাবে আলাদা শিখে নিতে পারেন। আরবী, তাফসির ইত্যাদি শুধু মাত্র আল্লাহুকে ইবাদাত ও সমাজের প্রশাসনিক মাসালা ছাড়া আর কিছু নেই

একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষে ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে। এর বেশি রক্ত কখনো বাড়ে না, সামান্য কম বেশি বাড়তে পারে কিন্তু তা উল্লেখযোগ্য নয়। প্রতিদিন দেহে লোহিত রক্ত কনিকা তৈরি হয়, আবার প্রতিদিন লোহিত কনিকা মারা যায়। একারনে না বেড়ে ভারসাম্য বজায় থাকে।

মানুষ মোটা হতে পারে কিন্তু সে অনুপাতে রক্ত বাড়েনা , শিরা উপসেরা বৃদ্ধি বা মোটা হয়না। বরং তেল বা চর্বি জমে ফুলে ওঠে, ছিদ্র ছোট হয়ে যায়।

অন্যদিকে লৌহ খনিজ, আমিষ জাতীয়, ফসফরাস জাতীয় খাদ্য না খেলে রক্ত উৎপাদন কমে রক্ত শুন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই রক্ত বাড়ুক বা না বাড়ুক এই ধরনের খাবার খাবেন। মনে রাখবেন আমিষ মানেই কিন্তু গোস খেতে হবে তা নয়, মাংসের চেয়ে বরং ডালে আমিষ বেশি, মাছ ডিম খেতে পারেন তবে অতিরিক্ত নয়।

টাচ স্ক্রিনটি তুলে ফেলতে পারেন কিনা দেখেন, যদি তুলতে পারেন  তবে তুলে চারপাশে পাতলা প্লাস্টিক চিকন করে কেটে চারপাশে আঠা দিয়া লাগিয়ে দিন, এর উপর আবার  টাচ ক্রিনটি লাগিয়ে দিন, অর্থাৎ টাচটি তুলে আবার এমন ভাবে লাগাবেন যে মূল ডিসপ্লে এবং টাচ এর মাঝে ফাকা থাকে। যখন টাচের  তলার পিঠ ডিসপ্লে এর গায়ে লেগে যায় তখনই মুলত অটো কাজ করে,  আর এটি হয় বার বার ফোন খুললে অথনা ব্যাটারী সামান্য হলেও ফুলে গেলে বা ব্যাটারির উপর কাগজ দিয়া টাইট করে লাগালে এই অসুবিধা হয়, অনেক সময় মুল ডিসপ্লে বডির সাথে থাকা আঠা ছাড়িয়ে টাচের উপরে দিকে সরে আশায় এমন হয়।  উল্লেখ্য এই সমস্যা আমার হয়েছিল তাই জানি 

টিপি লিংক হচ্ছে ওয়াইফাই রাউটার ডিভাইস। এটি দ্বারা ব্রডব্যান্ড কেবলের ইনটারনেট কে ওয়াইফাই ওয়ারলেস করে ছড়িয়ে দিতে হয়, একে হটস্পট বলে। এর পর ল্যাপটপ বা মোবাইল বা ওয়াইফাই রিসিভার যুক্ত পিসি দিয়া কানেক্ট করে ইন্টারনেট চালানো যায়। 

রাউটার জগতে tplink সেরা।  কিন্তু এটির দাম বেশি। অল্প টাকায় অবশ্যই পাওয়া যাবে কিন্তু ফিচার কম বা রেঞ্জ কম এ ধরনের অসুবিধা থাকে। যেমন ৩০০০ টাকার টিপি লিংক ১৫০ ফুট যায় তবে এই টাকায় অন্য রাউটারে ২৫০ পর্যন্ত রেঞ্জ পাওয়া যায়। স্পিড নিয়া বলার কিছু নাই।

যাহারা আপনাকে কিস্তিতে দেবে, সেই কোম্পানির কিস্তির নিয়ম যদি সরকার বা যথাযথ কতৃপক্ষের রুলস অনুযায়ী হয়, এবংং জনগনের মাঝে লিগাল প্রচারিত হয় তবে গুনাহ হবেনা। এটি ব্যবসাহিক সুবিধা প্রদানের লিগাল রুলস। কিন্তু যদি দোকানদার  এবং আপনার মাঝে যদি কোন চুক্তি হয় যা দুজনের  বিশ্বাস ব্যতিত অন্য কোন সরকার বা লিগাল আইন ভিক্তিক নয়, এবং বিষয়টি দুজন ছাড়া আর কেউ জানেনা। তাহলে তা গ্রহন করা হারাম হবে।

এই ট্রিক্স টি ট্রাই করুন। প্রথমে আপনার ফোনের কলের ডায়াল প্যাড এ যান। ডায়াল করুন *#*#৪৬৩৬#*#* এটি ডায়ালে তুললেই ফোন ইনফো নামে অফশন আসবে, যদি ফোন ইনফো ১ ও ২ দুটি আসে তবে যে নবার সিমে নেট চালান সেই নাম্বার ফোন ইমফো তে ক্লিক করুন। তার পর মাঝ খানের দিকে একটা ড্রপ ডাউন মেনু পাবেন। সেখান থেকে lte only সিলেক্ট করে দিয়া বেরিয়ে আসুন। ব্যাস সবসময় ৪জি পাবে, 

আর যদি ফোন ইনফো একটা থাকে তাহলে  কাজ একই করবে শুধু মাত্র যে সে নেট চালান সেই সিমটা মোবাইলের ১ নং সিম ট্রে তে সেট করে দিয়া তারপর lte only করবেন।

সূর্যের লাল তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো বিস্তর বায়মন্ডল ভেদ করে প্রায় অটুট থেকে বহুদুর পৌছায়। আসলে লাল আলোর ভেদন শক্তি বেশি, বাতাসে ছড়িয়ে পড়েনা বলে বহুদুর থেকে দেখা যায় এবং সহজে চোখে প্রতিক্রিয়া জাগায়। যেহেত বিপদ রক্তপাতের শামিল তাই লাল সর্বাজ্ঞে বিপদকে মনে করিয়ে দেয় বলে বিপদ সংকেত হিসাবে লাল রঙ প্রচলিতে। এখানে আরো কিছু দেখতে পারেন।

সবুজ সফটনেস, পৃথিবী প্রানের উতস সবুজ গাছ পালা শান্তির সংকেত দেয়। তাই সবুজকে নিরাপদ সংকেত হিসাবে ব্যবহার করা হয়

এনার্জি বালবেই বিল বেশি আসে। আগের ফিলামেন্ট বালবের চেয়ে এনার্জি বালবে প্রায় ৭৫-৮০% বিল কম আসত। তাই এনার্জি সেভিং বালব হিসাবে বেশ নাম ডাক আছে। কিন্তু এর চেয়েও কম কারেন্ট খায় এলইডি বালব। 

এর আলো অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা।

চাকরি পেতে সমস্যা হয়। নাম একই করে নিন। যেহেতু সার্টিফিকেট পাল্টাতে পারবেন না, তাই সার্টিফিকেট এর নামটা জন্ম নিবন্ধন ও আইডিতে করে নিন। জন্ম নিবন্ধন ও আইডি তথ্য পাল্টানো যায়, শুধু কিছু টাকা খরচ ও অফিসে যেতে হবে। ঝামেলা ৮০% কমাতে কাজ গুলো অনলাইনে করতে পারেন।  এতে নতুন কার্ড নেওয়ার জন্য একবার আপনার উপজেলা বা জেলা অফিসে যেতে হবে। বার বার এখানে সেখানে যাওয়ার দরকার হবেনা।

পুরা প্রক্রিয়া বিশেষ ভাবে জানতে এখানে  যোগযোগ করতে পারেন। 

দেখুন ওয়ার্ডপ্রেস শেখা বলতে যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ডট কমের হোস্টেড এর সাবডোমেইন এর ফ্রি সাইট কাস্টমাইজেশন শিখতে চান সেখানে কোডিং এর দরকার নাই তাই মোবাইল দিয়া পারলেও পারতে পারেন। কিন্তু যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়ারজি এর সিএমএস কাস্টমাইজ শিখতে চান তবে অবশ্যই পিএইচপি শিখতে হবে।

যেহেতু পিএইসপি সার্ভারসাইড স্ক্রিপ্টিংং ল্যাঙ্গুয়েজ তাই অবশ্যই আপনাকে পিএইসপি, মাই এস্কিওয়েল সাপোর্টেড সার্ভার সফটওয়ার লাগবে। কাজেই মোবাইলে যদি আপনি এই সার্ভার পান তাহলে শিখতে পারবেন। আর না পাইলে হবেনা।  হ্যা এন্ড্রয়েডে অনেক লোকাল সার্ভার এপস আছে কিন্তু সেগুলো শুধু http পোর্ট করে পেজ দেখাতে পারে ।  মাই স্কিওয়েল পিএইচপি নাই।  

এখানে সাহায্য পেতে পারেন।

প্রশ্ন দেখেই বোঝা যাচ্ছে আপনি একে বারে নতুন। তাই যতই ভাল করে বলা হোক না কেন আপনি ফিচার এড করে ডোমেইন কিনতে পারবেন না। তাই লিখছিনা, কিন্তু সাহায্য করতেই পারি। আমার সাথে যোগাযোগ করুন প্রাইভেট মেসেজে অথবা আমার সাইট এখানে।

যেহেতু ২০১৭ থেকে বিস্ময় ইউজার কাজেই আমাকে তো ভালভাবে চিনবেন বলেই মনে করি।