Waruf

Waruf

waruf

About Waruf

see profile and bissoy activity
যোগ্যতা ও হাইলাইট
পুরুষ
Single
Islam
Work Experiences
webparkWeb Designer 2016–বর্তমান
Language
Bengali/Bangla English
Trainings
Technical board
  • basic office
  • 1/1/2017 - 31/6/2017
LICT india under George washington university
  • graphic Design
  • 1/3/2016 - 31/6/2016
Urban social walfeare
  • Computer
  • 5/7/2015 - 30/12/2016
Education
National University
  • M.Sc
  • Botany
  • 2012-2013
-
  • (M.Sc) Master's
  • MICT
  • 2014-2016
Social Profile
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 2.43M বার দেখা হয়েছে এই মাসে 39.95k বার
63 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 37.18k বার
2.17k টি উত্তর দেখা হয়েছে 2.39M বার
4 টি ব্লগ
93 টি মন্তব্য
টাইমলাইন

গলনাঙক কী?

Waruf
waruf
Jun 7, 02:19 AM

নির্দিষ্ট চাপে কোন পদার্থ যে তাপমাত্রায় গলে তরলে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাংক বলে

প্রথমে আপনাকে টিউমার টেস্ট করাতে হবে। এটি টিউমার কিনা।

অনেক প্রকার টিউমার আছে।

প্রায় ২০% মানুষের দেহে ছোটা ফোলা গুটলি মত হয়। যাকে সচরাচর প্রচলিত ভাষায় গেটে টিউমার বলে। এগুলো সারা জীবন ছোটই থাকে এবং ব্যাথা বা অন্য কোন প্রকার অসুবিধা করেনা। হয়ত এজাতীয় টিউমার হতে পারে তাই টেস্ট করুন।


যদি টিউমার না হয় তবে এরকম হওয়ার আরেকটি কারন কোন পোকার কামড়। কিছু কিছু পোকার কামড়ে ফুলে ওঠে। কিন্তু তা পুরাপুরি ঠিক হয়না। বহুদিন এমনকি সারাজীবন ফোলা থেকে যায়। যেমন গায়ে আচিল হওয়া, তিল ওঠা। এগুলো ওভাবেই থাকে। কোন সমস্যা করেনা। 

সাধারণত কোষের মধ্যে কোন টক্সিন হরমোন আটকা পড়লে ঐ স্থানের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া কিছুটা পরিবর্তন হয়ে এভাবে অর্বুদ ফুলে ওঠে। এটি স্থায়ী বা অস্থায়ী হতে পারে।

আপনার অভিভাবকের নাম, যিনি আপনার দেখাশুনা করেন।

প্রথমে বিজয় আন ইনস্টল করুন। এরপর পিসি এর ইনপুট মেথড সেটিং এ যেয়ে কিবোর্ড লে আউট অপশন থেকে ইন্ডিয়ান ইংলিশ করে দিন। সেটি ডিফল্ট সেট দিন, অপরটি রিমুভ করে দিন। এর পর পিসি রিস্টার্ট করুন। সমস্যা সলভ। যদি থেকে যায়। তাহলে ভাইরাস এর সমস্যা। আবার উইন্ডোজ দিন। ক্রাক গেম ফাইল, ফ্রি এভাস্ট এন্টিভাইরাস  ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন

কিছু জানতে হবেনা, শুধু টাকা থাকতে হবে।

মূলত জমির মালিক, দলিল পত্র ঠিক আছে কিনা সেগুলো যাচাই করতে হয়। কিন্তু আপনি তা যতই জানুন না কেন একজন উকিলকে দিয়া যাচাই করতে হবে জমিতে আগে কোন কেস আছে কিনা, আগে কার ছিল, অন্য কেউ কিনছে কিনা।

এজন্য টাকা দিয়া উকিল ধরাই ভাল।

শ্বেতান্তর

Waruf
waruf
Apr 23, 09:18 AM

কাউকে জ্ঞান দেওয়া যায় না, শুধুমাত্র তাহাকে স্মরন করিয়ে দেওয়া যায়।  আমার চেয়েও হয়ত আপনি অনেক বেশি জানিয়া থাকিবেন। কিন্তু আপনার মন যদি শান্ত না থাকে তবে সেই জ্ঞানের আলো আপনি প্রয়োগ করিতে পারিবেন না। আপনার অশান্ত মন অনেক কিছু ভুলিয়ে দেয়।  পাশের জ্ঞানী বা স্বল্প জ্ঞানী ব্যক্তি তখন আপনাকে জ্ঞানের সাদৃশ্য কিছু বলে থাকেন আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য।  আপনাকে জ্ঞান প্রদান করিবার নিমিত্ত নহে। শান্ত ও সুন্দর মন অপরের সাথে বাক্য বিনিময়কালে আপনাকে নম্র, ভদ্র ও বিনয়ী করে তোলে। এটিই মনুষত্ব্য, এটিই সুন্দর ব্যবহার। আর এই সুন্দর ব্যবহার আপনার আচার আচরণ কে আরও সুন্দর করে তোলে।  ভাবিতেছেন নিশ্চয়, এই কথা গুলোতো আমরা সকলেই জানিয়াছি , শিখিয়াছি, আবার এই লেখক নতুন করে জ্ঞান দিতে লিখেছেন নাকি? না আমি জ্ঞান প্রদান করিতে চাই না। আসলে জ্ঞান কাউকে দেয়া যায়না। কোন  ব্যক্তি নিজে থেকেই যতক্ষন না জ্ঞান অর্জন করার জন্য প্রস্তুত হয়, জ্ঞানের সন্ধান হেতু নিজ আত্মাকে  প্রশ্ন না করে ততক্ষন তাহাকে জ্ঞান প্রদান করাই যায় না। আবার যখন কেউ জ্ঞানের জন্য প্রবৃত্ত হয় তখন জ্ঞানী ব্যক্তিরা তাকে জ্ঞান দিতে পারেনা। জ্ঞান কোন বস্তু নয় যে তাহা প্রদান করিতে পারা যায়। কেবল জ্ঞান অন্বেষী ব্যক্তির জিজ্ঞাসা গুলোকে ব্যাখ্যা করে দেওয়া যায়। যে ব্যাখ্যায় ঐ ব্যক্তি সন্তোষ লাভ করিয়া ও নিজের অনুসন্ধানকে বুঝিতে পারিয়া সে তাহার কাঙ্খিত উত্তর খুজে পায়। আর তখনই ঐ ব্যক্তি জ্ঞানী হয়ে ওঠেন।  অনেকেই বলিবেন যে, "জ্ঞান অর্জন করে নিতে হয় মাত্র" কিন্তু ইতমধ্যে বলিয়াছি যে জ্ঞান দেওয়া যায়না। যদি জ্ঞান দেওয়া না যায় তবে অর্জন করিবেন কোথা থেকে ? কিভাবে?

বিজ্ঞান বলিয়াছে যে, মানুষের আচরণ দুই রকমের হয়। একটি তার স্বভাবজাত আচরণ যা সে জন্ম থেকেই লাভ করে থাকেন। পুর্ব পুরুষের জিন থেকে প্রাপ্ত হয় এবং তা সুপ্তভাবে সকলের ভেতর থাকে। সময়ের সাপেক্ষে তা প্রকাশিত হয়।

আরেকটি হচ্ছে শিক্ষন আচরণ। যা মানুষ তার চারপাশের পরিবেশ, অবস্থা ও অভিজ্ঞতা থেকে শিখে বুদ্ধি দিয়া প্রয়োগ করে লাভ করে। কিন্তু সেগুলো মানুষের প্রাথমিক অবস্থা, অর্থাৎ বর্বর থেকে ভদ্রতার দিকে উন্নয়নের সোপান। 

আজকের সমাজে এটি বিরাজমান নহে কারন আমরা বহু আগেই তাহা পার করিয়া আসিয়াছি। সভ্য হয়েছি। তথাপি এখনো তার উন্নয়ন প্রয়োজন। যতদিন মানব সভ্যতা থাকবে ততদিন ইহার উন্নয়ন প্রয়োজন হইবে।  কারন মানুষ যে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। আচ্ছা মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ কেন আপনি জানেনকি?

বিজ্ঞান বলিয়াছেন মানুষ একমাত্র জীব যে সোজা হয়ে চলতে পারে। দু-হাতে হাতিয়ার ব্যবহার করতে পারে। আর যেটা সবচেয়ে বড় সেটা হচ্ছে মানুষ চিন্তা করতে পারে। অন্য সবকিছুই নিয়ন্ত্রন করতে পারে। তাই মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ। কিন্তু আমার কাছে এই কথাগুলো যথাযথ নয়। একই গোষ্ঠীর প্রাণীরা তাদের নিজেদের ভাষা বুঝতে পারে। যেমনঃ গাভী "হাম্বা" রবে ডাকলেই বাছুর ছুটে আসে বা বাছুর ডাকলে গাভী কাছে আসে। কিন্তু মানুষই শ্রেষ্ঠ কেন ? কারন মানুষ সুন্দর বচন ব্যবহার করিতে পারে। মানুষের ভাষা তাহার সুন্দর ব্যবহারের সাথেই সুন্দর নম্র ও বিনয়ী। আমরা নিশ্চয়  গৃহপালিত অনেক প্রাণী পালন করি। ধরা যাক একটি গরু পালন করেন আপনি। সেই গরুটি আপনার ভাষা , আচরণ বা সংকেত বোঝে।  আপনি ডাকলেই সে দাঁড়িয়ে যায়, কাছে আসে। আপনি পাশে আসলেই গরুটি তার মাথা তুলে দেয় আপনার হাতের ছোয়া পেতে।। তখন আপনি নিশ্চয় অন্যের সাথে বলিয়া থাকিবেন যে , আমার গরুটি শিক্ষিত মানুষের মত। আমার কথা শোনে। আবার কোন দুষ্টু ছেলে যদি সবসময় দুষ্টামী করে বেড়ায় তবে আমরা তাহার নামে কটু কথা বলিয়া থাকি। গীবত করিয়া থাকি। মাঝে মাঝে সল্প বয়সীরা বিরক্ত হয়ে খিস্তি করে বলিয়া থাকে "তুই একটা কুত্তা" দেখুন আমরা খুব সহজেই বলি সে পশু। কেন এমন হয়? গরুটি শান্ত সে আপনার ভালবাসা বোঝে তাই গরুটি সুন্দর আচরণ করে থাকে। আর এ জন্যই ঐ গরুকে আপনি মানুষ বলতে চেয়েছেন। আবার দুষ্টু ছেলেটি মানুষ হয়েও তার অসুন্দর ব্যবহার তাকে পশু বানিয়েছে যা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ নয়। 

বিধাতা মানুষ সৃষ্টি করার পর তাহাকে জ্ঞান প্রদান করিয়াছেন। তাহার সহিত কতকগুলো গুণাবলিও দিয়াছেন। মানুষ সুন্দর ভদ্র, নম্র, বিনয়ীতা, সততা, ভালবাসা, অন্যের প্রতি আন্তরিকতা , সহনশীলতা, ক্ষ্মমাশীলতা, ধৈর্য্যশীলতা, পরমঙ্গলকাম প্রভূতি গুণাবলি অর্জন করিয়াছেন। আর এগুলোর চরম প্রয়োগে প্রতিফলিত হয় তাহার সুন্দর ব্যবহারে, নম্রতায়, বচনে, সহনশীলতা ও ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি প্রয়োগের মাধ্যমে।। এজন্যই মানুষ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করিয়াছেন। তাই বলা হয়, সুন্দর ব্যবহারই মানুষকে শ্রেষ্ঠ করেছে। অন্য কোন পশু পাখি জীব-জানোয়ারের ভেতর এই গুণ নাই। তাহারা কেবল নিজেদের টিকিয়া রাখিতে নিজেদের কৌশোল প্রয়োগ করে থাকে যাহার স্বার্থ শুধু ঐ প্রাণীরই। কিন্তু মানুষ শুধু পরিবেশে টিকিয়া থাকিতে নয়, মানুষ অপরের সহনুভূতি, ভালবাসা, সঙ্গ,সাহায্য পাওয়ার জন্য আচরণ করে থাকে। আর তাহা পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য সহযোগীতার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে। অসহায়কে সাহায্য করার মাধ্যমে সবাইকে আপনসত্ত্বারমত বিভেদ বৈষম্যহীন এক মহামিলন মালার  প্রাণের হয়োগানে মুখরিত হয়। তাই মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের চাবিকাঠি তার সুন্দর ব্যবহার, শুধু মাত্র কৌশল প্রয়োগের জন্য নহে। 

আর এই সুন্দর ব্যবহারের গুণাবলিগুলো মানুষের তার পরিবারের কাছ থেকে অর্জিত হওয়া শুরু হয়।

সাহিত্য তথা শিক্ষার মাধ্যমেই ভাষার এই সুন্দর জ্ঞান অর্জন করা সম্ভাব, অন্য  কিছুতে নয়।

সাহিত্য হচ্ছে একটি জাতির সকল প্রকার আচরণ কর্মকান্ডের প্রতিচ্ছবি। যে জাতি যত সুন্দর সম্মৃদ্ধ, সে জাতি ততই শ্রেষ্ঠত্বের সোপানের উপরে আর যে জাতির সাহিত্য সুন্দর নয়, অন্যকে হেয় প্রতিপন্য করে, সে জাতি বর্বর। তাহাদের অবস্থান তিমির ঢালে। যেহেতু একে অন্যের সাথে ভাব বিনিময়ের মাধ্যম হচ্ছে ভাষা, তাই যাহা আপনি অপরকে বোঝাতে চাইছেন, সেই ভাবের বাক্য আপনাকে বলতে হবে। যেমন ধরুন, আপনি  কাউকে ভালবাসা নিবেদন করতে চাইলেন। নিশ্চয় আপনি তাহার সম্মুখে  যোদ্ধার মত দাঁড়িয়ে হুংকার দিয়া ভালবাসা নিবেদন করিবেন না। আবার কথা বলার মাধুর্যতা শৈল্পিক মিলনার্থক সুরের আকাঙ্খার জন্য একই অর্থের ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করিতে হয়। তাহা না হইলে অনেক সময় বক্তব্য শ্রুতিমধুর হয়না। আপনি নিশ্চয় দেখেছেন কিছু মানুষের কথা বার্তা সাজানো গোছানো, কবিতার মত মিলও পাওয়া যেতে পারে । আপনি তখন মুগ্ধ হয়ে শোনেন, আবার কাহারও বক্তব্য এমন যে, আপনি হয়ত বলছেন, লোকটা কি বলে ? কিছুতো ঠাওর করা যায়না। এই কারনে সাহিত্যই সুন্দর ভাষাজ্ঞান ও বিনয়ী কুশলী শিল্পমন্ডিত ভাষা ও তার উপযুক্ত আচরণ বুঝিয়ে দেয়। আপনি যতই পড়িবেন ততই জানিতে পারিবেন কিন্তু শিক্ষা লাভ করিতে হইলে আপনাকে অপরের প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধা, সম্মান করার প্রবণতা ও মানসিকতা সৃষ্টি করিতে হইবে আপনাকেই। আর আপনি তাহা করিবেন কারন আপনি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, আপনিও পেতে চান সম্মান , ভালবাসা ও মর্যাদা। 

সম্মান ও আত্মমর্যাদা কিসে হয়? অন্যের জন্য মহৎ কোন কাজের মাধ্যমেই সম্মান আসে। প্রচুর ধন সম্পত্তি অর্জন করিলেই সম্মান প্রাপ্তি হয়না। আমাদের সমাজে বহু ধনবান আছেন, যাহাদের আমরা সম্মানি ব্যক্তিবর্গ হিসাবেই জানি। তাহাদের সহিত কথা বলার যোগ্যতা বা সুযোগ হয়তো আপনার হয়না। তাহারা থাকেন বড় বড় অফিস ও উচ্চ ব্যক্তিবর্গের সাথে। এহেন অবস্থায় তাহাদের উচ্চ সম্মানি ভাবার কোন প্রয়োজন আপনার নাই। তাহারা যে আপনার মত কেউকেটার সান্নিধ্যে আসেনা, কারন আপনার সান্নিধ্যে তাহাদের করার মত কোন বড় ব্যবসা বা লেনদেন নাই। কিন্তু তাই বলিয়া আবার আপনি তাহাদিগকে সম্মান করিবেন না তাহা অনুচিত। তাহারা আপনার কাছ থেকে সম্মান আশা করেন। যেহেতু আপনার ব্যবহার সুন্দর, তাই কে কতটুকু সম্মান আপনাকে দিল  বা দিলই না তাহা আপনার বিষয় নহে। আপনি সকল ব্যক্তিবর্গ, গুরুজন , বায়োজেষ্টদের শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখাবেন, ছোটদের প্রতি আদর, স্নেহ  ভালবাসা, হিতোপদেশ দিবেন। তাহাতেই আপনার সম্মান প্রাপ্তি। তাহারা আপনাকে শ্রদ্ধা করিবে এই হেতু, আপনি তাহাদিগকে শুধু সাহায্যই করিয়াছেন তাহা নয়, তাহাদের জন্য কাজের সহিত তাহাদের ভালবেসেছেন, তাহাদের কাছে গেছেন, তাহাদের সম্মান প্রদান করিয়াছেন সেই হেতু। 

 

পাঠক মহদয়গণ বিরক্ত হচ্ছেন কিনা জানিনা কারন আমার এই কথাগুলো নতুন নয়, আমার পূর্বে অনেক বড় সাহিত্যিকগণ এসকল সম্মানের বাকবিতন্ডা করে গেছেন। আমি তাহাদের কাছ থেকে কেবল শেখার প্রয়াস করছি। আপনার মনকে অশান্ত করে তুলেছে আমার এই পুরানা কথাবার্তা। কিন্তু বিশ্বাস করুন, পুরানা হলেও আপনি এই কথা যত পাঠ করিবেন ততই বুঝিতে পারিবেন, ভাবিতে পারিবেন, নতুন কিছু আপনার মস্তিষ্কে উদয় হইতে পারে। আপনার ভাবনা আপনাকে বলে দেবে লেখক এই কথাটা এমন না লিখে এই ভাবে(আপনার ভাবনাটি)  লিখলে ভাল হইত। অর্থাৎ আপনি লেখকের কথার চেয়েও ভাল কিছু পেয়েছেন। বহু স্থানে ভূল ধরিয়া বলিবেন যে, আমি এর চেয়েও ভাল লিখিতে পারি। না আপনার এই ভাবনায় লেখক অসন্তষ্ট নন। লেখক ছোট হলেননা। লেখক সার্থক হয়েছেন যে, আপনি কিছু বুঝতে পেরেছেন, আপনি কিছু শিক্ষালাভ করেছেন, আপনি কিছু জ্ঞানের সন্ধান পেয়েছেন। আপনি নিজেকে আবিষ্কার করতে পেরেছেন লেখকের পথ থেকে। আপনি আরও সুন্দর জ্ঞানের অধিকারী হয়েছেন।

ইতোপুর্বে আমরা সম্মান নিয়া কথা বলিতেছিলাম। সেখানেই ফিরে যায়। মানুষের সার্থকতা কোথায়? কেনইবা এত সম্মানের কথা বলা হচ্ছে? সম্মান কি কাজে আসিবে? বিরক্তি সূরে এটাও বলিতে পারেন যে, এত সম্মানের দরকার নাই।  ভূল ভাবছেন আপনি। বিশ্বাস করুন, সম্মানই আপনাকে বাচিয়ে রেখেছে। মানুষের জীবনের চেয়ে আর কি বড় হতে পারে? বলা হয়ে থাকে সময় মূল্যবান। তবে তার চেয়েও অধিক প্রাণ। খুবই অল্প কিছু মানুষ প্রমান করিয়াছেন যে, এই প্রাণের চেয়েও বড়  হচ্ছে আত্মসম্মান। আমরা অনেক অসময় আত্মহত্যা করিতে দেখিয়াছি বা হয়ত শুনিয়াছি। এমন সমাচার কর্ণগত হওয়া মাত্রই আমরা বলিয়া থাকি মূর্খ, বোকামী করেছে। কিন্তু তার হয়ে ভেবেছেন কি? কেন ঐ ব্যক্তি হেন জঘন্য অপরাধ করিল? তিনি কিন্তু তাহার আত্মমর্যাদা, সম্মান থাকতে মারা যেতে চেয়েছেন। কারন তাহার কাছে সম্মানটাই বড় হয়েছিল। কিন্তু সত্যই তিনি মূর্খ বটে। কারন , তিনি সম্মান নিয়া পৃথিবীতে পদার্পন করনেনি। নিজ কর্মগুনে এই পৃথিবীর ধূলি মাটিতে থেকেই সম্মান অর্জন করিয়াছিলেন। কোন এক  ভুলে যদি তাহার কিছুমাত্র কালিমাপ্রাপ্ত হয় তাহাতে প্রাণবিসর্জন দেওয়াটা শুধুই মূর্খামী নয়ে, এটা ব্যর্থতাও বটে। অপরাধের শামিল। তিনি সম্মানকে চিনিতেই পারেননি। সে তাহার কর্মগুণে অধিকতর সম্মানপ্রাপ্ত করিতে পারিতেন।

তাহার কাছে এই জ্ঞানই নাই যে , যে প্রভাত থেকে তিনি বিদায় নিতে চাচ্ছেন সেই প্রভাতে আর ফিরিতে পারিবেন না। তাহার কাছে এই জ্ঞান নাই যে তিনি যে সম্মান রক্ষার্থে প্রাণ বিসর্জন দিচ্ছেন সেই সম্মান পৃথিবীতে থাকার বদলে কেবল ঘৃণা ও তার দোষই থেকে যাচ্ছে। কেউই তাকে ভালবাসা ভরে দেখতে চাইছেন না। তাহলে তাহার অর্জনের থাকিল কি? তিনিই চরম মূর্খ ব্যক্তি।

তুমি কেন কাদিতেছ? যাহা কিছু হারাইয়া ভবের মর্তে আসন গাড়ীয়া কাদিতেছ এ ধরার কর্তব্য ভূলিয়া। তাহা এই ধরার ধুলা বালিতেই পেয়েছিলা। আধার থেকে এসেছিলা তুমি, সেই আধারেরি যাবে চলে। মাঝের ক্ষণিক আলোক রেখায় নিজেকে আলোকিত করাই তোমার জীবনের সার্থকতা। ঐ আলোর মায়ায় পড়ে হারাবার ভয় শুধু আপনাকে আত্মভোগী করে তুলবে। এ মায়ায় সবাই আবগাহন করিতে চায় কিন্তু কেউ নিজেকে আলোকিত করে আবার কেহ অন্যের আলো আত্মস্থ্য করতে চাই। শেষোক্ত মনুষ্য কালের গর্ভে হারিয়ে যায়। আবার কেহ কেহ আত্মস্থ্য করিতে না পারিয়া কেবলই তাহার দোষ ধরিয়া, তাহা না পারার অযুহাত প্রদর্শনে সামর্থ হইয়া আত্মতুষ্টি লাভ করিয়া থাকেন। তখন তাহার জ্ঞানগর্ভবাণী আমরা পরবর্তীতে শ্রুত হইয়া থাকি। 

সাহিত্য শুধুই যে আপনার মনশীলতা, রুচিবোধ, আচার-আচরণ কে উন্নত করে তোলে তাহা নহে। আপনার ব্যবহার যদি আগে থেকেই সুন্দর হইয়া থাকে তবে সাহিত্য আপনাকে অপরের সাথে বাক্য বিনিময়কালে আপনাকে করে তুলবে কুশলী, শান্ত স্বভাবের গভীর অর্থবোধক, প্রাণবন্ত, সুভাষী ব্যক্তিত্বে। সকল মানুষ সয়ংসম্পুর্ণ হয়না। অবশ্যই কিছু না কিছু বিষয়ে প্রতিটি মানুষের নাতিদীর্ঘ প্রবচন থাকিতে পারে। সেটা তাহার ব্যররথতা নহে। ব্যর্থতা হচ্ছে অকর্মন্য ব্যক্তিত্বে। 

মানুষ কেহই সমান পরিবারে বা সমান সুযোগ সুবিধা নিয়া জন্ম গ্রহন করেননা। এটা ঐ শিশুর দোষ নয়। বিচিত্র এ জগতে ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে মানুষ জন্ম গ্রহন করে থাকেন। আবার কেহ অধিক স্মৃতিশক্তি নিয়া, কেউবা আবার সল্প বুদ্ধিসম্পর্ন হতে পারে। কেউ যদি মনে করিয়া থাকেন, আমার জন্ম গরিব পরিবারে হইয়াছে তাই আমি গরিব ও ধনীর মত সুযোগ সুবিধা না থাকায় জীবনে মহৎ কিছু করিতে পারিলাম না। তবে তিনি নির্বোধ। আপনার এই কম সুযোগ হইয়াছে আপনাকে সবার উপরে ওঠার সুবিধার জন্যই, এটা কি আপনি জানেন? একটি উদাহরন দেওয়া যাকঃ মাপকাঠি ধরিলাম ধনী হওয়া। দশজন ব্যক্তি ধনী আর তাহাদের মাঝে আপনি গরীব বলিয়া মনক্ষুর্ণ হইতেছেন। যেহেতু ঐ দশজন ধনী তাই সম্পদ দিয়া তাহারা কোন সম্মান প্রাপ্ত করিতে পারিবেনা। তাহাদের পরিমাপ একই হওয়ায় তাহাদের কারও কোন অর্জন নাই। অহংকারও নাই। একে অন্যকে বিশেষ কোন গুনে গুণানিত করতে পারবেনা। কিন্তু আপনি গরীব তাই, এটাই আপনার সুযোগ। আপনি নিজ কর্মগুণে যদি সম্পদ অর্জন করেন এবং তা ভাল পথে ও অপরের হিতার্থে  ব্যবহার করেন তবে ঐ দশজনের চেয়ে আপনার সম্মান অনেক বড়  হইয়া গেল। হিরা মণিমুক্তার কদর তার দুষ্প্রাপ্ততার কারনেই। সমস্ত পাথর মাটি যদি হইত হিরা-মতী তবে তাহার কদর হতনা কখনই। যাহা সকলের থাকে তাহাতে বিষেশ গৌরব নাই, তাহা হয় সাধারণ বৈশিষ্টের মতই।  আপনি আমি সকলেই কতইনা শিক্ষিত, তাহাতে কি আপনি অনেক গর্ববোধ করিতে পারিতেছেন? নিশ্চয় নয়। কিন্তু কোন বিশেষ মানুষটি, ধরুন মুচির ছেলে, কোন প্রতিবন্ধী মানুষ বা তদ্রুপ কেহ যাহারা আমাদের মত সমান সোপানের নয়ে। তাহাদের কেহ উচ্চশিক্ষা লাভ করিলে আমরা তাকে উদাহরন দেই। সম্মান করি। সকলেই তাহাকে সম্মান করেন। ঐ ব্যক্তি যদি আপনার মত হইতেন তবে আপনার মতই তাহার ব্যক্তিত্বের উদাহরন কেহই টানতো না। 

আপনি আপনার দুর্বলতাকে খুজুন। সেটাকে দোষারোপ না করিয়া সেটাকে আপনার বিশেষ গৌরবের মার্গরুপে দেখুন, সেটাই নিয়া সাধনা করুন। তাহার উন্নয়ন করুন। সেখান থেকেই পাবেন জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।  মুক্তা যেমন শুক্তির হৃদয়ে পালিত হয় । হিরা যেমন কয়লায় সৃষ্ট হয়। ধান যেমন বর্ষা জলের পচা কাদায় জন্মায়। আর এ সবই যেমন আপন গুণে উঠে এসে আমাদের জীবনের প্রয়োজন মেটায় বা আমাদের কে বিলাস সাজে সাজিয়ে তোলে তেমনি আপনি কে, আপনার কি আছে, কোথায় কোন অবস্থায় জন্ম আপনার। জন্ম প্রাপ্তি কি ছিল তাহা অকালতত্ত্বজ্ঞানী মানবের মত না ভাবিয়া, আপনার গুণগুলো ফুটিয়ে তুলুন। তাহাই আপনার জীবনকে করে তুলবে স্বার্থক।  আর আপনার সুন্দর গুঙুলোর সুন্দর প্রয়োগই হচ্ছে সুন্দর ব্যবহার যাহা আপনাকে করে তুলেছে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ। 

 

হিন্দু বা বিধর্মী কোন বন্ধুর দাওয়াতে যেয়ে খেতে পারব কি? ইসলামের দৃষ্টি কোন থেকে ব্যাখ্যা চাই। আবার প্রসাদ এর ব্যাপারে আমি জানি যে দেবতা বা তদের স্রষ্টার উপর উৎসর্গকৃত খাবার খাওয়া যাবেনা, তাহলে বন্ধু যখন প্রসাদ জাতীয় কিছু খেতে দেবে তখন আমি কিভাবে এড়িয়ে যাবো? অথবা বিব্রততার সহিত খেতে পারবো কিনা?


অনুগ্রহ করে কেউ গুগল থেকে উত্তর দেবেননা, এবং রেফারেন্স উল্লেখ করবেন। তবে আরবীতে কিছু বাক্য না দিয়া বাংলায় তর্জমা করে দেবেন, অর্থগত সমস্যা আমি ঠিক করে নেবো। 

কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করছিনা তাই সাধারন বিভাগে লিখলাম। আমার একটি উত্তর ৫ বার সর্বোত্তম হয়েছে। এটা কিভাবে সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব যদি ৫ বারই কেউ তা কেনসেল করে। সেখানে অন্য কোন উত্তর ছিলনা তাহলে কেনসেল করলো কে এবং কোন যুক্তিতে? সেই ব্যক্তি তো কারন হিসাবে একটি উত্তর দিতে পারত। তাই নয়কি? আমি এই জন্য লিখছিনা যে কেন আমি পেলাম না। আমার লেখার উদ্দেশ্য কেনসেল কারীর মনমানসীকতা টা কি রকম সেটা জানতে। লিংক এখানে ক্লিক করুন । নিচে অংশ বিশেষ স্ক্রিনশট দেয়া হল কারন ফুল শো করছেনা।image

গতকাল থেকে আমার উত্তর প্রকাশ হচ্ছে না, সকালে দেখলাম যে, উত্তর লুকানো কিন্তু কেন? আমার ঐ উত্তর ভুল ছিলনা, প্রশ্নটি এখানে। প্রশ্ন । আপনাদের বিভাগে যদি ল্যাবরেটরি এক্সপার্ট কেউ থাকেন তাকে জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারেন, আমি এখানে ব্যাখ্যা দিয়ে যাচ্ছি। লেড সিসা এসিড ব্যাটারি গুলোর প্রতি সেল এ সঠিক ভোল্ট ২.৩। (আমরা সাধারন ভাবে ২.০ বলে থাকি) তাই ১২ ভোল্ট এর ব্যাটারি কখনোই ১২ ভোল্ট নয়। এটির প্রকৃত ভোল্ট ১৩.৮। মিটারে মেপে চেক করতে পারেন। এই ব্যাটারি কখনো ১২ ভোল্ট এর চার্জার দিয়া চার্জ করা যাবে না, হ্যা ব্যাটারি চার্জ না থাকলে যতক্ষন না ১২ ভোল্ট পৌছায় ততক্ষন চার্জ হবে। তারপর চার্জার ভোল্ট ও ব্যাটারি ভোল্ট সমতায় আসলে আর চার্জ হবেনা, এখন হয়ত বলতে পারেন সেটুকুই হলেই তো ক্লিয়ার, আসলে তা নয়, বিষয়টা এমন নয় ফ্যারাডে তড়িৎ বিশ্লেষন জানা কাউকে বলে দেখুন, চার্জার লাগানোর পর কিছু পরিমান লেড ও এসিড সংশ্লেষিত হয়ে তা ১২ ভোল্ট চাপ প্রয়োগ করে কিন্তু তখনো ৯৯.৯৯% লেড সালফেট অবিশ্লেষিত থাকে। মানে ঐ চার্জ অল্প কিছুক্ষন হবে।  আবার ১৩.৮ ভোল্ট দিলেও চার্জ তেমন হবেনা কারন সেখানেও সমতা, অবশ্যই বেশি দিতে হবে। ঐ প্রশ্নে অন্যের ভুল উত্তর টি প্রকাশ হয়েছে কিন্তু আমারটা নয়। আমার এই উত্তর যদি ভুল হয় আমি bissoy ছেড়ে ক্লাস ১ এ ভর্তি হব। শুধু এই উত্তর টি নয়, কোন উত্তর প্রকাশ হচ্ছেনা। হ্যা একটা বিষয় আছে কেউ একজন আমাকে মেসেজ করেছিল আমি ভুল উত্তর দিছি আর যে লিংক কাজ করেনা তাই দিছি, এর পর থেকে আর উত্তর প্রকাশ হয়নি। এর জবাবে আমি বলছি লিংক এ কোন সমস্যা নাই। এই অভিযোগ করার সময় আমি লিংক টি চেক করেছি, কাজ করছে। ঐ ব্যক্তি যদি ডাউনলোড না বোঝেন তাতে আমার কি করার আছে? প্রয়োজনে আমি screen record করে প্রমান দিতে পারি লিংক ঠিক আছে, আর ভুল উত্তরের ব্যাপারে আমি এইটুকু স্বীকার করছি যে একটি প্রশ্নে ,প্রশ্নের ব্যখা গুলো আমার screen এ দেখতে পাইনি, যেকারনে শর্ত গুলো দেখতে পাইনি( নেট স্লো হলে পেজ লোড সমস্যার কারনে মাঝে মাঝে কিছু content আসেনা, আপ্নারা হয়ত জানেন) কিন্তু তবুও আমার উত্তর ক্ষতিকারক ভুল ছিল না, শুধু শর্ত গুলো পুর্ন হয়নি, উত্তরের ধরন প্রাসঙ্গিক

ছিল। যাই হোক এই কারনে কি আমার উত্তর প্রকাশ হবেনা? আমার আইডি ব্লক ও না। আশা করি দ্রুত উত্তর পাবো । অন্যের ভুল উত্তর প্রকাশ হচ্ছে আর আমার সামান্য এইটুকুর জন্য যদি আটকে থাকতে হয় তবে সময় নষ্ট না করে ক্লাস ১ এ যেয়ে ভর্তি হব। 

আমি গতকাল জয়েন করেছি, কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দিছি কিন্তু গতকাল থেকে আজ অবধি একটাউ অনুমোদন পাইনি। সার্চ করে পেলাম যে বহু অপেক্ষামান আছে তাই সময় লাগতে পারে, কিন্তু গতকাল থেকে কি সময় হয়নি? আমার মেইল ভেরিফায়েড। নাকি নতুনদের অনুমোদন দেয়া হয়না, পুরানা হলে তারপর অনুমোদন দেন জানতে চাই।