6 Answers

'সিভিট' নামক রুচি বর্ধক চুষে খাওয়া ট্যাবলেট টি খেতে পারেন।সকালে ও রাতে একটি করে।আশা করি ফল পাবেন।

3316 views

আপনি প্রতিদিন খাবারে তালিকায় রাখবেন, ধনেপাতা, পুদিনা এবং বিভিন্ন মশলা, আঁশযুক্ত খাবার কম গ্রহণ করুন(যেমন ভাত, আলু,রুটি,),খাবার সময়গুলোকে আকর্ষণীয় করে তুলুন,পরিবার বা বন্ধুদের সাথে খাওয়ার অভ্যাস করুন, খাওয়ার সময় বড় প্লেট ব্যবহার করুন,। তবে এই সব কিছু করতে না পারলে আপনি ডা: এর পরামর্শ নিয়ে হেপাটলিন সিরাপ খেতে পারেন। 

3316 views

আপনি আয়ূর্বেদিক সিরাপ "রুচিজেন" সেবন করতে পারেন৷ এতে খাওয়ার চাহিদা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়৷

3316 views

আপনি কালো মেঘ সিরাপ টি খেতে পারেন, তাহলে মুখের রুচিশীল করে দিবে। তার পাশাপাশি সিভিট খেতে পারেন।

3316 views

আপনি সিনকারা সিরাপটি খেতে পারেন এতে খাওয়ার রুচি বাড়বে।

3316 views
বিভিন্ন কারণে খাবারে রুচি (Appetite) কমে যায়। হতে পারে তা মানসিক অস্থিরতা, বিষণ্ণতা, জন্ডিস, জ্বর, পাকস্থলীর বা অন্ত্রের সমস্যা ইত্যাদি কারণে। খাবারে প্রচণ্ড অরুচি, কিছুই মুখে নিতে ইচ্ছে করে না।অনেক কারণেই এমনটা হতে পারে। তাই খাবারে রুচি ফিরিয়ে আনাটা সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরী।
অরুচির কারন: যকৃতের সমস্যায়, জন্ডিসে পাকস্থলীর বা অন্ত্রের সমস্যায়, অম্লতায়, সংক্রমণ বা ক্যানসারের কারণে বিশ্রি ধরনের অরুচি হয়। কিডনির রোগীদেরও একই সমস্যা। নানা ধরনের ওষুধে রুচি কমে যেতে পারে। বিষন্নতায় বা উদ্বেগজনিত মানসিক রোগেও এমন হতে পারে। অনেক সময় মুখে তিতা তিতা লাগে। আবার বিস্বাদ লাগে। এ সময় প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছে করে না। কোনো খাবারেই রুচি লাগে না।মুখের ভিতরে লালা উৎপাদক খাদ্য গ্রহন করুন। যেমন:আংগুর, কমলা ইত্যাদি।মুখে লালা উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলে মুখে তিতা ও মেটালিক স্বাদ দূর হবে। মুখে দুর্গন্ধ থাকলে দূর করতে হবে। পিপারমিন্ট বা পুদিনা পাতা চিবাতে পারেন। অথবা বিভিন্ন সাইট্রাস ফল, সাইট্রাস জাতীয় সুগন্ধি ক্যান্ডি খেতে পারেন। বেশি বেশি পানি পান করুন। পানি আপনার মুখের ভিতরকার টক্সিন পরিস্কার করে নিবে। পাকস্থলীর এসিড কমবে পানি পান করলে। মুখের টক্সিন আর পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড এ দুটো আপনার খাবারের অরুচির জন্য দায়ী। খাবারে যুক্ত করুন ধনেপাতা, পুদিনা এবং বিভিন্ন মশলা খাবারের সুন্দর গন্ধই (Food condiments ) মানুষের রুচি বাড়িয়ে তোলে। তাই খাবার তৈরির সময় এতে এমন মশলা ব্যবহার করুন যা সুঘ্রাণ তৈরি করে এবং স্বাদ বাড়িয়ে তোলে। ধনে পাতা, পুদিনা এসবও খাবারের সুঘ্রাণ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। সেই সাথে বাড়িয়ে দেয় রুচি(Increase Appetite).
আমলকী: ১/৪ গ্লাস লেবুর রস ও আধা গ্লাস আমলকীর রসের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশান। পানীয়টি পান করুন নিয়মিত। ক্ষুধাবোধ বাড়বে।
পুদিনা: মুখে তেতো স্বাদ কাটাতে সাহায্য করে পুদিনা। হজমে সাহায্য করার ফলে নিশ্বাসের দুর্গন্ধও দূর হবে। তাই পেপারমিন্ট চুইংগাম মুখে রাখুন। তাজা পুদিনা পাতা পানিতে সেদ্ধ করুন। এক চিমটি এলাচ গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে পানি ছেঁকে নিন। পানীয়টি পান করুন। ক্ষুধা বেড়ে যাবে। আদা: আদার নির্যাস খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক তেল হজম প্রক্রিয়ার সময় উৎপন্ন গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে আধা চামচ আদার রস মিশিয়ে পান করুন দিনে দুবার। এছাড়া রান্নায় আদার ব্যবহারও সমানভাবে উপকারী।প্রতিদিন এক টুকরা কাঁচা আদা চিবিয়ে খান। রুচি বাড়বে।
মৌরির চা: মৌরি পিত্ত-রস নিঃসৃত করতে সাহায্য করে, ফলে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। দুই থেকে তিন কাপ পানিতে এক চা-চামচ মৌরি ও আধা চা-চামচ মেথি ফুটিয়ে নিন। এরপর ছেঁকে দিনে একদু বার পান করুন।
ফল ও সবজি: আপেল, পেয়ারা, কমলা, আঙুর ইত্যাদি ফল ক্ষুদা বাড়াতে সহায়ক। অন্যদিকে টমেটো, ধনেপাতা, ব্রোকোলি ইত্যাদি সবজি হজমে সহায়ক। এই ফল ও সবজিগুলো হজমে সহায়ক এনজাইম নিঃসরণে সহায়তা করে। তাই ক্ষুদা মন্দা দূর করতে খাদ্যতালিকায় প্রচুর সবজি ও ফল রাখা উচিত। বেকিং সোডা: মুখের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে বেকিং সোডা। সম পরিমাণ টুথপেস্ট ও বেকিং সোডা মিশিয়ে সেটা দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন। অথবা সামান্য বেকিং সোডা পানিতে গুলে সেটা দিয়ে কুলকুচি করলেও উপকার পাবেন। প্রচুর খাবার খান: মুখের স্বাদ ফেরাতে চাইলে বার বার অল্প অল্প করে খাবার খান। ভাজা ও স্পাইসি খাবারের বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার অল্প অল্প করে খেলে হজম ভালো হবে। এর ফলে আপনা থেকেই ধীরে ধীরে স্বাদ ফিরে আসবে মুখে। নিশ্বাসের দুর্গন্ধও দূর হবে। লবণ-পানি গার্গল: এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ লবন দিয়ে গার্গল করুন। এতে মুখের ব্যাকরেটিয়া মরে গিয়ে তিতকুটে স্বাদ কেটে যাবে। গলা ব্যথাও কমবে। পানি: দিনে ৭-৮ গ্লাস পানি খান। পানি পাকস্থলি থেকে টক্সিক অ্যাসিড পরিষ্কার করবে। ফলে মুখ ও জিভের তিতা স্বাদ কেটে যাবে। এ্যালকোহল ও ধূমপানকে না বলুন: এ্যালকোহল ও ধূমপানের কারনে মুখের স্বাদহীনতা ও তিতকুটে ভাব আরও বেড়ে যায়। আবার ধূমপান করার ফলে ফুসফুসের সংক্রমণ সারতেও সময় লাগে। স্বাস্থ্যকর ও তাজা খাবার খান: ঠাণ্ডা খাবার না খেয়ে গরম ও হালকা খাবার খান। গরম স্যুপ, সিদ্ধ সব্জি এই সময় যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনই মুখের স্বাদও ফিরিয়ে দেবে
3316 views

Related Questions