দলিল সহ উত্তর দিন......?
3 Answers
না, কথাটি সঠিক নয়৷গল্পটি অমূলক ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কেননা মহান আল্লাহ বলেন, ﻭَﺍﻟﻠَّﻪُ ﺃَﺧْﺮَﺟَﻜُﻢ ﻣِّﻦ ﺑُﻄُﻮﻥِ ﺃُﻣَّﻬَﺎﺗِﻜُﻢْ ﻟَﺎ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ ﺷَﻴْﺌًﺎ ﻭَﺟَﻌَﻞَ ﻟَﻜُﻢُ ﺍﻟﺴَّﻤْﻊَ ﻭَﺍﻟْﺄَﺑْﺼَﺎﺭَ ﻭَﺍﻟْﺄَﻓْﺌِﺪَﺓَ ۙ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗَﺸْﻜُﺮُﻭﻥَ -আল্লাহ তোমাদের মায়ের পেট থেকে তোমাদের বের করেছেন এমন অবস্থায় যখন তোমরা কিছুই জানতে না৷ তিনি তোমাদের কান দিয়েছেন, চোখ দিয়েছেন, চিন্তা-ভাবনা করার মতো হৃদয় দিয়েছেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো৷ [সূরা নাহল ৭৮] উল্লেখ্য যে, আওলিয়াদের কারামাত সত্য এই স্লোগানকে সামনে রেখে আব্দুল ক্বাদের জিলানী (রহঃ)- এর নামে এ ধরনের আরও অসংখ্য মিথ্যা কথা আমাদের সমাজে চালু আছে, যা একশ্রেণীর বিদ’আতীরা ও লেখকরা প্রচার করে থাকে। এগুলি থেকে সাবধান থাকা জরুরী!
মায়ের পেটে থাকতে কোরআন মুখস্ত করার কথা কোথাও ১৫ পারা আবার ১৮ পারার কথা বলা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি তো হাদিস বা কোরানে উল্লেখ নাই সেহেতু আপনাকে তথ্য ও লিংক দেয়া হযরত বড়পীর সাহেব উত্তর করলেন আমার মাতা পনের পারা কোরআন শরীফের হাফেজ, তিনি প্রত্যহ তেলায়ত করে থাকেন, গর্ভস্থায় মায়ের পেটের মধ্যে থেকে আমি তেলায়াত শুনে আমারাও মুখস্ত হয়ে গেছে। অর্থাৎ তিনি ১৫ পারা হাজেফ হয়ে ভূমিষ্ঠ হন। সূত্র: https://ahlesunnatwaljamayatindia.wordpress.com/2017/01/08/boropir-abdul-kader-jilanir-ra-karamat/ মক্তবের শিক্ষক হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.)কে আউযু বিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ সবক দানের সাথে সাথে হযরত বড় পীর কোরআন মজিদের প্রথম ১৮ পাড়া পর্যন্ত মুখস্ত বলে ফেললেন। মক্তবের শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, হে বৎস! তুমি কিভাবে কোরআন মুখস্ত করেছো! আজ মক্তবে তোমার প্রথম দিন। হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) বলেন, আমার মাতা ১৮ পাড়ার পর্যন্ত কোরআন মুখস্ত করেছিলেন। আমি গর্ভে থাকাকালীন সময় তিনি কোরআন পাঠ করতেন। আমি মায়ের তেলাওয়াত শুনে শুনে ১৮ পাড়া পর্যন্ত মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময়ে মুখস্ত করে ফেলেছি। সূূত্র : https://www.dailyinqilab.com/article/1819/%E0%A6%86%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%AA%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80-%28%E0%A6%B0%E0%A6%B9%29
ঘটনাটির ঐতিহাসিক সত্যতা নাই। বরং এটা লোক মুখে প্রচলিত ঘটনা মাত্র। আর দলীল এটাই যে নির্ভরযোগ্য কিতাবাদিতে উক্ত ঘটনা পাওয়া যায় না।