3 Answers
পাঠিগনিতে দশটি প্রতিক দ্বারা সব সংখ্যাই প্রকাশ করা হয়। যেমন ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,০। এগুলোই অংক। আবার এগুলো সংখ্যাও। এদের মধ্যে নয়টি প্রতিককে সার্থক অংক এবং শেষের টিকে শুন্য বলা হয়। শুন্য ব্যতীত বাকি সবগুলো সংখ্যাই স্বাভাবিক। সংখ্যা গুলোর স্বকীয় মান যথাক্রমে এক,দুই,তিন,চার,পাঁচ,ছয়,সাত,আট,নয়,শুন্য। গণিতের বিভিন্ন চিহ্ন সংবলিত ব্যাখা যেমন যোগ,বিয়োগ,গুন,ভাগের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। এইসব অংক গুলোর মাধ্যমে অংক সমাধান করা হয়। গণিতের বিভিন্ন সমাধান যেমন শতকরা ও অনুপাত,বীজগণিত,জ্যামিতি,তথ্য ও উপাত্ত এগুলোতে অংক গুলো মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখন গণিতে ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,০, দ্বারা সব সংখাই লেখা যায়।
গণিত এক ধরণের বিষয়। অপরদিকে ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোই অংক। গণিতে গণনা সম্পর্কে বর্ণিত কিন্তু অংক গণনায় মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গণিতে যোগ,বিয়োগ,গুণ,ভাগ ইত্যাদি সম্পর্কে উল্লেখ করা আছে অপর দিকে অংকের মানের মাধ্যমে যোগ,বিয়োগ,গুণ,ভাগ ইত্যাদি গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা হয়। গণিত এবং অংক একে অপরের পরিপূরক।
কোনো সংখ্যা লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সমস্ত মৌলিক চিহ্ন বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে তাকে ডিজিট বা অংক বলে। এবং শিক্ষার যে বিভাগে হিসাব-নিকাশ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সে বিভাগ কেই গণিত বলে। অংক গণিতেরই একটা উপাদান
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy