4 Answers

আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তবে প্রতিদিন বেশি করে প্রোটিন,স্নেহ/চর্বি,ভাজাপোড়া,ফাষ্টফুড অথাৎ অতিরিক্ত ক্যালরি খাবেন। কিছুক্ষন পর পর খাবেন। এছাড়া সিনকারা সিরাপ খেতে পারেন।

2958 views

যেহেতু ডাক্তারে কোন লাভ হয়নি, তাহলে পুষ্টিকর খাবার খান বেশী করে । হাঁটাহাঁটি,ব্যয়াম ইত্যাদি করুন । তবে করার তেমন কিছু নেই ।

2958 views

ওজন বৃদ্বির জন্য করণীয়গুলো নিম্নরুপ .... ১. ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হতে পান নানা কারণে। আসলে বুঝতে হবে আপনার দেহের মতিগতি। কেন আপনি চিকন, সে সমস্যা আগে চিহ্নিত করতে পারলে ভালো। যে ওজন থাকা দরকার তা কেন হচ্ছে না, তাও আগেভাগে জেনে নিতে হবে। এ কাজটি করতে পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলুন। মূল সমস্যা শনাক্ত করা জরুরি। ২. যারা চিকন তাদের ক্ষেত্রে ভাবা হয়, এই দেহে কোনো খাবারই কোনো কাজে লাগে না। তাই যা পাওয়া যায় তাই বেশি বেশি খেতে হবে। এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধির দিকে যেতে হবে। এতে করে প্রক্রিয়াটা স্বাস্থ্যকর হবে এবং তা থেকে যাবে। সাধারণ হিসেবটা হলো, প্রতিদিন ৫০০ কিলোক্যালরি খাবার খেলে সপ্তাহে ওজন আধা কেজি বাড়বে। অবশ্য তা নির্ভর করে আপনার দেহ খাবারের সঙ্গে কেমন আচরণ করলো তার ওপর। ৩. ওজন বাড়াতে কিন্তু ব্যায়ামও করতে হবে। যদি ভাবেন কেবল খাবার এ কাজটি করবে তবে ভুল করছেন। ব্যায়ামের মাধ্যমে দেহের পেশিগঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। নিজেও বুঝতে পারবেন দেহের কোন পেশিগুলো দুর্বল। পরে সেই পেশির ব্যায়াম করতে হবে। সুগঠিত পেশি স্বাস্থ্যকর দেহ গড়ে তোলে। ৪. ওজন তুলতে হবে। রোগা দেহ ধীরে ধীরে সুগঠিত হতে থাকবে। আপনার দেহ যে পরিমাণ ভার বাইতে সক্ষম, তার চেয়ে বেশি ওজন বহন করতে পারবে। দেহের শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে। আর এ কাজে ওজন তোলা সবচেয়ে কার্যকর ব্যায়াম। ওজন বৃদ্ধির জন্যে আপনার স্কোয়াট, ডেডলিফট, প্রেস, পুল-আপ, রো, ডিপ, স্ন্যাচ, ক্লিন এবং জার্ক দিতে হবে। ৫. স্বাস্থ্যকের খাবার তো লাগবেই। অনেকে দোকান থেকে ফুড সাপ্লিমেন্ট কিনে থাকেন। এগুলো স্বাস্থ্য বৃদ্ধির কথা দেয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এর অনেকগুলোই সিনথেটিক পুষ্টি সরবরাহ করে। এতে আপাতত স্বাস্থ্য বাড়বে, স্থায়ীভাবে নয়। তাই পুষ্টিকর প্রাকৃতিক খাবারই বেছে নিতে হবে। প্রতিটা খাদ্য উপাদান পরিমাণমতো খেতে হবে। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ আপনাকে সহায়তা করতে পারেন। ৬. স্বাস্থ্যকর হৃৎপিণ্ড গঠন ও ওজন বৃদ্ধির খাবার খেতে হবে। অনেকেই ওজন বাড়ানোর জন্যে যেকোনো খাবার বেশি বেশি খেয়ে ভুলটা করে থাকেন। এতে হৃদযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমন খাবার খাওয়া যাবে না যা ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স যোগ করতে হবে। অর্থাৎ, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, শুকনো ফল ইত্যাদি খাওয়া ভালো। সবজি ও মাংস খেতে হবে পরিমাণমতো। তবে একটু বেশি প্রোটিন খেতে হবে। তাও স্বাস্থ্যকর প্রোটিন। ৭. কখনোই বলা হয় না যে, খাবার বেশি খাবেন। বেশি খেলে যে ওজন বাড়বে তা নয়। বরং পরিমাণমতো খেতে বলেন সবাই। জাঙ্কফুড পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে। খাবার খাওয়ার আগে বুঝহতে হবে কোন খাবারে কোন উপাদানটি রয়েছে। অস্বাস্থ্যকর ক্যালরি গ্রহণ করা যাবে না। আবার সব স্বাস্থ্যকর খাবারও বেশি বেশি খাওয়া উচিত নয়। বুঝেশুনে খাবেন, ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর ওজন ফিরে পাবেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

2958 views

প্রথমেই বলে রাখি আপনি এ ব্যাপারে ডিপ্রেশনজনিত সমস্যায় ভুগছেন। ডিপ্রেশন থেকে মুক্ত থাকুন। হাসি-খুশি জীবন-যাপন করুন। প্রতিদিন উচ্চমানের খাদ্য খাওয়ার চেষ্টা করুন, উচ্চমানের আমিষ, স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য খাওয়ার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাইমে শারীরিক ব্যায়াম করুন। তাছাড়া আপনি চাইলে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শও নিতে পারেন। তবে পুষ্টিবিদের পরামর্শ তেমন প্রয়োজন নেই। আপনি উপরিউক্ত কাজগুলো করলেই মোটা বা ওজন বৃদ্ধি করতে পারবেন।।।

2958 views

Related Questions