হস্থমৈথুন থেকে বিরত থাকার কি কি উপায় আছে?
5 Answers
হস্তমৈথুন ছাড়ার টিপস : – কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। – মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। নিজের মা বা বোন মনে করবেন। – যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। – ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। – যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। -বিছানায়া থাকাকালীন কাত হয়ে শুয়ে গার্লফ্রেন্ডের সাথে প্রেমাআলাপ করবেন না । উপরোক্ত উপায়গুলো মেনে চললে আপনি সহজেই হস্তমৈথুন পরিত্যাগ করতে পারবেন ।
আপনি হস্তমৈথুনের মত খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে চাইলে সেজন্য আপনাকে নিচের ধাপ গুলো দেখুন। ► কোন কোন সময় হস্তমৈথুন বেশি করেন, সেই সময়গুলো চিহ্নিত করুন। বাথরুম বা ঘুমাতে যাওয়ার আগে যদি উত্তেজিত থাকেন, বা হঠাত কোন সময়ে যদি এমন ইচ্ছে হয়, তাহলে সাথে সাথে কোন শারীরিক পরিশ্রমের কাজে লাগে যান। যেমন বুকডন বা অন্য কোন ব্যায়াম করতে পারেন। যতক্ষণ না শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়, অর্থাৎ হস্তমৈথুন করার মত আর শক্তি না থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই কাজ বা ব্যায়াম করুন। গোসল করার সময় এমন ইচ্ছে জাগলে শুধু ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন এবং দ্রুত গোসল ছেড়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসুন। ► মেয়েদের দিকে কুনজরে তাকাবেন না। তাদের ব্যাপারে বা দেখলে মন আর দৃষ্টি পবিত্র করে তাকাবেন। ► যতটা সম্ভব নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখুন। ► ধৈর্য ধরতে হবে। একদিনেই নেশা থেকে মুক্তি পাবেন, এমন হবে না। একাগ্রতা থাকলে ধীরে ধীরে যে কোন নেশা থেকেই বের হয়ে আসা যায়। মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাবে। তখন হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেবেন না। চেষ্টা করে যান। করতেই থাকুন। ► যে কোন উপায়ে পর্ণমুভি আর চটি এড়িয়ে চলুন। ► কম্পিউটারে পর্ণ দেখতে দেখতে হস্তমৈথুন করলে কম্পিউটার লিভিং রুমে নিয়ে নিন যাতে অন্যরাও দেখতে পায় আপনি কী করছেন। এতে পর্ণ সাইটে ঢোকার ইচ্ছে কমে যাবে। ► যেসব ব্যাপার আপনাকে হস্তমৈথুনের দিকে ধাবিত করে, সেগুলো ছুড়ে ফেলুন, সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। যদি মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন থেকে সত্যি সত্য মুক্তি পেতে চান তাহলে পর্ণ মুভি বা চটির কালেকশন থাকলে সেগুলো এক্ষুনি নষ্ট করে ফেলুন। ইন্টারনেট ব্যবহারের আগে ব্রাউজারে্র প্যারেন্টাল কন্ট্রোল-এ গিয়ে এডাল্ট কন্টেন্ট ব্লক করে দিন। কোন সেক্স টয় থাকলে এক্ষুনি গার্বেজ করে দিন। ► যারা বাজে বিষয় নিয়ে বা মেয়েদের নিয়ে বা পর্ণ মুভি বা চটি নিয়ে বেশি আলোচনা করে, তাদেরকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন৷ ► হস্তমৈথুনে চরম ভাবে এডিক্টেড হলে কখনোই একা থাকবেন না, ঘরে সময় কম কাটাবেন, বাইরে বেশি সময় কাটাবেন। জগিং করতে পারেন, সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ছাত্র হলে ক্লাসমেটদের সাথে একসাথে পড়াশুনা করতে পারেন। লাইব্রেরি বা কফি শপে গিয়ে সময় কাটাতে পারেন। ► সন্ধ্যার সময়ই ঘুমিয়ে পড়বেন না। কিছু করার না থাকলে মুভি দেখুন বা বই পড়ুন। ► ভিডিও গেম খেলতে পারেন। এটাও হস্তমৈথুনের কথা ভুলিয়ে দেবে। ► সেক্সুয়াল ব্যাপারগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলবেন। এধরনের কোন শব্দ বা মন্তব্য শুনবেন না। ► ছোট ছোট টার্গেট সেট করুন। ধরুন প্রথম টার্গেট টানা দুইদিন হস্তমৈথুন করবেন না। দুইদিন না করে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়াবেন। ► যখন তখন বিছানায় যাবেন না। কোথাও বসলে অন্যদের সঙ্গ নিয়ে বসুন। ► বাথরুম শাওয়ার নেয়ার সময় হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসতে চেষ্টা করুন। ► যখনি মনে সেক্সুয়াল চিন্তার উদয় হবে, তখনই অন্য কিছু নিয়ে চিন্তা করবেন। ► বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সবার সাথে বেশি সময় কাটান। ►ধ্যান বা মেডিটেশন করতে পারেন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। ► নিজের পরিবারের কথা চিন্তা করবেন, আপনার সাথে যারা আছে তাদের কথা ভাববেন। ► রাতের বেলা হস্তমৈথুন করলে কারো সাথে রুম শেয়ার করুন। বা দরজা জানালা খোলা রেখে আলো জ্বালিয়ে ঘুমান। যখন দেখবেন যে সব চেষ্টা করেও একা একা সফল হতে পারছেন না, তখন বন্ধুবান্ধব, পরিবার, ডাক্তার- এদের সাহায্য নেয়া যায়। এখানে লজ্জার কিছু নাই। ► কোনদিন করেন নাই, এমন নতুন কিছু ভাল কাজ করার চেষ্টা করুন। ► উপুর হয়ে শুয়ে ঘুমাবেন না। ► বিকেলের পরে উত্তেজক ও গুরুপাক খাবার খাবেন না। ► গার্লফ্রেণ্ড বা প্রেমিকাদের সাথে শুয়ে শুয়ে, নির্জনে বসে প্রেমালাপ করবেন না। ► ফোনসেক্স এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, সামান্য কষ্টের মাধ্যমে নিজেকে একটু কন্ট্রোল করতে পারলেই আপনি এর থেকে খুব সহজই মুক্তি পাবেন৷ যেকোন সূরা পাঠ করতে ওযুর প্রয়োজন হবে না, যদি আপনার শরীর পাক পবিত্র থাকে। তবে কোরআন শরিপ পাঠ করলে ওযুর প্রয়োজন হবে। ধন্যবাদ
আপনি অশালীন লেখা,ছবি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকবেন । মনে কোন খারাপ চিন্তা আনবেন না । আর এটা হঠাৎ করে বন্ধ করা যাবে না । আগে ১-২ দিনে করতেন । এখন ৩-৪ দিন পর পর করবেন । তারপর ৫-৭ দিন পর পর । এভাবে কমিয়ে আনবেন । আর ওযু ছাড়া সূরা পাঠ করা যায় । তবে ওযু করে নেয়াই উত্তম । আপনি আয়াতুল কুরসি পাঠ করতে পারেন । উচ্চারণ যেন শুদ্ধ হয় খেয়াল রাখবেন ।
ছাড়ার উপায় ১/ বন্ধুদের সাথে বেশি বেশি সময় কাটান ২/ ব্লু ছবি দেখা বাদ দিতে হবে ৩/ মেয়েদের দিকে খারাপ নজর দেওয়া যাবে না ৪/ খেলা ধুলা করুন ৫/ রাতে একা শুবেন না ৬/ ধর্মিয় নীতিমালা মেনে চলুন
. নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে হস্তমৈথুন করলে কি সমস্যা হয়-? ↓ •১) পুরো শরীর দুর্বল হয়ে যায় এবং শরীর রোগ- বালাইয়ের যাদুঘর হয়ে যায়। •২)চোখের ক্ষতি হয়। •৩) স্মরণ শক্তি কমে যায়। •৪) মাথা ব্যথা হয়। •৫) আর উভয়েরই সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হয় । ফলে অনেক মুসলিম ভাই- বোনেরা সালাত পড়তে পারেন না । -ইত্যাদি আরো অনেক অজানা সমস্যা হয় হস্তমৈথুনের কারণে । —————————————————— → বাঁচার উপায়ঃ- (ছেলে,মেয়ে উভয়ের জন্য) •১)নামাযের পর সুরা তওবার শেষ দুই আয়াত পড়ে গায়ে ফুঁক দিবে প্রতিদিন। এটা পরীক্ষীত... •২)কোন কারণে লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হাত দ্বারা স্পর্শ করবেন না। •৩)অশ্লীলতার ধারে কাছেও যাবেন না এবং খারাপ কিংবা অশ্লীল ছবি দেখবেন না । •৪)ফেছবুকে বা অন্য কোথাও অশ্লীল কিছু দেখলে নিজেকে বিরত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন । •৫)সর্বদা আল্লার প্রতি ভয় রাখবেন । •৬)যেহেতু এটি হারাম তাই আপনার ইচ্ছা শক্তি দৃঢ় রাখবেন, তাহলেই হারাম থেকে বাচতে আল্লাহও সাহায্য করবেন । এই প্রশ্নটি হয়তো অনেকের মনে ছিলো কিন্তু লজ্জায়কারো কাছ থেকে জানতে পারতেন না । ————————————————— অতিরিক্ত কিছু কথাঃ— বিশেষ করে এটার একমাত্র ঔষুধ হলো সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াত। আপনাদের সুবিধার্থে সূরা তওবার শেষ দুই আয়াত দিলাম অনুগ্রহ করে মুখস্ত করে নিন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, পরম করুনাময় আল্লাহর নামে শুরু। "লাকদ যা.. আকুম রসূলুম্মিন আংফুছিকুম আঝীঝুন আলাইহি মা...আনিত্তুম হারীছুন আলাইকুম বিল মু'মিনীনা রায়ুফুর রহীম।" (সূরা তাওবাহ্∞ ১২৮) "ফা ইং তাওয়াল্লাউ ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা.. ইলাহা ইল্লাহু আলাইহি তালাক্কালতু ওয়াহুয়া রব্বুল আরশুল আযীম।" (সূরা তাওবাহ্∞ ১২৯) অর্থঃ— "তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। (১২৮) " "এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি। (১২৯)" নোটঃ অনেকেই আরবি পড়তে পারেন না, তাই তাদের কথা ভেবে বাংলায় উচ্চারণ লিখলাম। আশা করি সবাই গুরুত্ব দিবেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy