নামাজ পড়লে আল্লাহ দরবারে কবুল হবে কি না?
3 Answers
সোনা ব্যবহার করা পুরুষের জন্য হারাম। তা আপনি হালাল টাকা দিয়ে বানিয়ে পরলেও হারাম হবে। যেহেতু আপনার মনে আল্লাহ্ ভয় ও অনুশোচনা হয়েছে তাই উক্ত সোনার আংটি বিক্রয়লব্ধ টাকা দান করে দিন। দেখবেন সকল ইবাদতে শান্তি পাবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ আপনার ইবাদত করুন করবেন। আমিন
অসৎ হারাম উপায় অবলম্বন করে যেকোন সওয়াবের কাজ করলে আল্লাহর দরবারে কবুল হবেনা। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পবিত্রতা ছাড়া নামায কবুল হয় না। আর হারাম উপায়ে প্রাপ্ত মালের সাদকাও কুবুল হয় না। [সূনান আত তিরমিজী, হাদিস নম্বরঃ ১]
আপনি দুটি অনেক বড় গুনাহের কাজে লিপ্ত আছেন। একটি হলো সোনার আংটি পরিধান। অপরটি হলো হারাম টাকা ভোগ করা। দুটিই মারাত্মক পর্যায়ের গুনাহ। এগুলো থেকে তাওবা করা জরুরী। তবে মারাত্মক এ গুনাহের কারণে নামাজ রোজাসহ অন্যান্য ইবাদাত কবুল হবে কি না সেটা আল্লাহই বলতে পারবেন। তিনি ইচ্ছা করলে কবুল করবেন নতুবা কবুল করবেন না। তবে কুরআন হাদীস ও ফিকহের গ্রন্থগুলোতে এক গুনাহের কারণে অন্য ইবাদাত কবুল না হওয়ার বিষয়টি বলা হয় নি। অর্থাত কুরআন সুন্নাহর বিবরণ মতে আপনার ইবাদাতের যাবতীয় শর্ত পালিত হলে তা কবুল হবে। তবে হারাম সম্পদ ভক্ষণকারীর দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না মর্মে হাদীস আছে। তদ্রূপ এরূপ ব্যক্তিদের দুআ কবুল না হওয়ার ব্যাপারেও স্পষ্ট বিবরণ এসেছে। সুতরাং এক্ষেত্রে আপনার জন্য করণীয় হলো স্বর্ণ ব্যবহার পরিত্যাগ করা। এবং হারম সম্পদ ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট হলে তাকে ফিরিয়ে দেয়া। আর ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট না হলে গরিব মিসকীনদেরকে দান করে দেয়া।