7 Answers

নামাজ না পরে যদি মনকে স্রস্টার কাছে নিবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার নামাজ না পরলেও চলবে, মন টাকে সব সময় ইবাদতে রাখতে হবে

3323 views Answered

ইসলামে ৫ টি রুকন আছে।তার মধ্যে নামাজ ও রোজা অন্যতম।নামাজ না পড়লে রোজার কোনো দামই নাই।রোজা আপনাকে ভালো পথে চালিত করার জন্য।কিন্তু আপনি যদি রোজা থাকলেন কিন্তু নামাজ পড়লেন না,এই রোজা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য না হবার সম্ভাবনা বেশী। নামাজ ও রোজা দুটিই ফরজ।তাই আপনার রোজা থাকলে নামাজ আাদায় করতে হবে।আর নামাজ না আাদায় করলে আমার মতে রোজা না থাকাই ভালো।আল্লাহ আমাদের পবিত্র রমজান মাসে বেশী বেশী ইবাদত করার তৌফিক দান করুন।আমিন।

3323 views Answered

রোজা রেখে নামাজ না পড়লে সে রোজার কোনো দাম নাই ভাই । রোজা রেখে আমাদের উচিত সবসময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার ইবাদত করা । নামাজের মাধ্যমে আমরা আল্লহ্ তায়ালার ইবাদত করি । তাই অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন ।

3323 views Answered

না নামাজ পরে রোজা না রাখলে সে রোজার কোনো মুল্য নেই

3323 views Answered

সাওমের সাথে সালাতের কোনো বাহ্যিক সম্পর্ক নেই। দুটো আলাদা ইবাদাত। তাই রোজা হবে। তবে মাকরূহ হয়ে যাবে। নামাজ পরে পড়ে নিতে হবে। বাদ দেওয়া যাবে না। তবে একদিনের নামাজে সতের ফরজ আর একদিনের রোজায় এক ফরজ। কোনোটিই বাদ দেওয়া যাবে না। এক ফরজ আদায় করবেন আর পাচ ফরজ বাদ দেবেন এমনটি করা ঠিক নয়।

3323 views Answered

ময়লা হাতে খাবার খেলে যেমন উপকারের বদলে ক্ষতি বেশি হয় ঠিক তেমনি নামায না পড়ে রোজা রাখলে তা কোন কাজে আসে না

3323 views Answered

বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: ( مَنْ تَرَكَ صَلاةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ ) “যে ব্যক্তি আসরের নামাজ ত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়।” [ বুখারী – ৫২০ ] “তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়” এর অর্থ হল: তা বাতিল হয়ে যায় এবং তা তার কোনো কাজে আসবে না। এ হাদিস প্রমাণ করে যে, বেনামাজির কোনো আমল আল্লাহ কবুল করেন না এবং বেনামাজি তার আমল দ্বারা কোন ভাবে উপকৃত হবে না। তার কোনো আমল আল্লাহর কাছে উত্তোলন করা হবে না। ইবনুল কায়্যিম তাঁর ‘আস-স্বালাত’ নামক গ্রন্থের ৬৫ পৃষ্ঠায় এ হাদিসের মর্মার্থ আলোচনা করতে গিয়ে বলেন– বেনামাজি ব্যক্তি দুই ধরণের- (১) পুরোপুরিভাবে ত্যাগ করা। কোন নামাজই না-পড়া। এ ব্যক্তির সমস্ত আমল বিফলে যাবে। (২) বিশেষ কোন দিন বিশেষ কোন নামাজ ত্যাগ করা। এক্ষেত্রে তার বিশেষ দিনের আমল বিফলে যাবে। অর্থাৎ সার্বিকভাবে সালাত ত্যাগ করলে তার সার্বিক আমল বিফলে যাবে। আর বিশেষ নামাজ ত্যাগ করলে বিশেষ আমল বিফলে যাবে।” । “ফাতাওয়াস সিয়াম” (পৃ-৮৭) গ্রন্থে এসেছে শাইখ ইবনে উছাইমীনকে বেনামাযীর রোজা রাখার হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তিনি উত্তরে বলেন: “বেনামাযীর রোজা শুদ্ধ নয় এবং তা কবুলযোগ্য নয়। কারণ নামায ত্যাগকারী কাফের, মুরতাদ।” এর সপক্ষে দলিল হচ্ছে- আল্লাহ্ তাআলার বাণী: [ فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ ][ التوبة : 11] “আর যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই।” [ সূরা তওবা: ১১] নবী ﷺ এর বাণী: ( بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكُ الصَّلاةِ ) رواه مسلم (82) “কোন ব্যক্তির মাঝে এবং শির্ক ও কুফরের মাঝে সংযোগ হচ্ছে সালাত বর্জন।”[ সহিহ মুসলিম ৮২] এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বাণী – ( الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ الصَّلاةُ فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ ) (رواه الترمذي (2621) . صححه الألباني في صحيح الترمذي) “আমাদের ও তাদের মধ্যে চুক্তি হলো নামাযের। সুতরাং যে ব্যক্তি নামায ত্যাগ করল, সে কুফরি করল।” [জামে তিরমিযী (২৬২১), আলবানী ‘সহীহ আত-তিরমিযী’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ বলে চিহ্নিত করেছেন] এই মতের পক্ষে সাহাবায়ে কেরামের ‘ইজমা’ সংঘটিত না হলেও সর্বস্তরের সাহাবীগণ এই অভিমত পোষণ করতেন। প্রসিদ্ধ তাবেয়ী আব্দুল্লাহ ইবনে শাক্বিক রাহিমাহুমুল্লাহ বলেছেন: “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাহাবীগণ নামায ছাড়া অন্য কোন আমল ত্যাগ করাকে কুফরি মনে করতেন না।” পূর্বোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি রোজা রাখে; কিন্তু নামায না পড়ে তবে তার রোজা প্রত্যাখ্যাত, গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা কেয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে কোন উপকারে আসবে না। আমরা এমন ব্যক্তিকে বলবো: আগে নামায ধরুন, তারপর রোজা রাখুন। আপনি যদি নামায না পড়েন, কিন্তু রোজা রাখেন তবে আপনার রোজা প্রত্যাখ্যাত হবে; কারণ কাফেরের কোন ইবাদত কবুল হয় না।”

3323 views Answered

Related Questions

Next steps