6 Answers
আপনি যদি ধর্মিয় গান শোনেন তাহলে রোজা বাতিল হবেনা আপনার পূন্য বাড়বে।আর যদি অনান্য ধরনের গান শোনেন তাহলে বলব আপনার রোজা না থাকাই ভালো এক্ষেত্রে। কারণ ভাল কাজে সামান্য ভুল করলে তা বিশাল আকার ধারন করে
রোজা রেখে গান শুনলে রোজা বাতিল বা হালকা হবে না।কিন্তু সেই রোজার কোনো দাম থাকবে না।ইসলামে গান শোনা হারাম।আর আপনি যদি রোজা রেখে গান শুনেন তবে সেই রোজা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য না হবার সম্ভাবনাই বেশী।সুতরাং বাজে চিন্তা বাদ দিয়ে আল্লাহর ইবাদত করুন।আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাফ করুক। আমিন।
যদি ইসলামিক গান অথবা গজল শুনেন তাহলে কিছু হবে না যদি অন্য কোনো প্রকার গান-বাজনা শুনেন রোজা হবে না ।
যে কয়টি বিষয় মুসলমানদের তাকওয়া হাছিলে সবচাইতে বড় বাধা হিসেবে কাজ করে তার মধ্যে অন্যতম হলো, হারাম গান বাজনায় লিপ্ত হওয়া। এ প্রসঙ্গে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে- ’পানি যেমন ভূমিতে তৃণলতা উৎপন্ন করে, তদ্রƒপ গান বাজনা মানুষের অন্তরে নিফাকী সৃষ্টি করে।’ নাউযুবিল্লাহ! তাহলে যে কারনে অন্তরে খায়ের বরকত রহমতের পরিবর্তে নিফাকী সৃষ্টি হয়, সে অন্তর রোযা রেখে কিভাবে তাকওয়া হাছিল করতে পারে? কস্মিনকালেও তার পক্ষে তাকওয়া হাছিল করা সম্ভব হবে না। আজকে বর্তমান মুসলিম সমাজে এই তাকওয়া হাছিলের মাসেও দেখা যাচ্ছে গান বাদ্য দ¦ারা নিজেদের সময়কে অপচয় করছে। কথা হলো, যে উদ্দেশ্যে রোযা রাখা হলো সে উদ্দেশ্য বিন্দু পরিমাণ লাভ করতে হলেও তো গান বাজনাকে কঠোরভাবে পরিহার করতে হবে। গান বাজনার আওয়াজ যাতে মসজিদ, মাদরাসা, মাজার শরীফ হতে শুনা না যায়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। নিজে নিফাকী হতে মুক্তি লাভ করবো, সমাজকেও নিফাকী হতে মুক্ত রাখার চেষ্টা করবো- এই হোক পবিত্র রামদ্বান শরীফ-এ সবার প্রতিজ্ঞা
ইসলামে গান শোনা একেবারেই নিষেধ। সেটা রোজা রেখেই হোক আর না রেখেই হোক। গান শুনবেন না রোজা রেখে।
আপনার রোজা ভঙ্গ বা হালকা হবে না তবে গান শুনলে যে গুনাহ হতো তার ৭০ গুন গোনা নিজের আমলনামায় যোগ করবেন । তবে ইসলামিক গান শুনলে সওয়াব পাবেন