নামাজ সম্পর্কে একটি সাধারন প্রশ্ন?
5 Answers
এ বিষয়ে আপনার করনীয় হল যে স্হান হতে সেজদাহ দিয়েছিলেন সে স্হান থেকে একটু পিছিয়ে যাওয়া অথবা এমনভাবে সেজদাতে যাওয়া যেন অন্যের পায়ে না লাগে। এখানে সম্পুর্ন ব্যাপারটাই নির্ভর করে আপনার উপর এখন এমন টা হওয়ার পর সামনে থাকা ব্যাক্তি বুঝতে পারে আপনার সমস্যা হচ্ছে সে ক্ষেএে তিনি এগিয়ে যেতে পারেন। তবে একাধিক ব্যাক্তি তা করতে চায় না। তাই আপনার উচিত সেজদাতে যাওয়ার সময় খেয়াল রাখা যাতে আন্যের পায়ে আপনার মাথা না লাগে
প্রথমে দেখে নিতে হবে সিজদা দেওয়ার মত পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না। তবুও যদি মাথা ভুলবশত কারো পায়ে লেগে যায়। তবে আপনাকে একটু সতর্ক হয়ে নামাজ পড়তে হবে। যাতে আর মাথা না লাগে।
সেজদার ক্ষেত্রে সুন্নাহসম্মত পন্থা বজায় রাখতে হবে। সুতরাং পূর্ব থেকেই এতটুকু জায়গা রেখে দাঁড়াতে হবে যাতে সুন্নাহসম্মত পন্থায় সেজদা দেয়া যায় এবং কারো পার সাথে মাথা লেগে না যায়। উপস্থিত আপনার বা তার করার মতো কিছু নেই। কারণ কাতারের ভারসাম্য নষ্ট করে পেছনে বা সামনে চলে যাওয়া যাবে না। সামনে দাঁড়ানো ব্যক্তির পার সাথে সামান্য মাথা লেগে গেলে তেমন সমস্যা হবে না। তবে সামনে থেকে বিষয়টির প্রতি লক্ষ রাখা জরুরী।
ভীড়ের কারণে সিজদার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলে পিঠের উপরও সিজদা করে নামায আদায় করা জায়েয আছে। হযরত উমর (রাঃ) বলেন, জুমার দিনে ভীড়ের কারণে যে ব্যক্তি জমিনের উপর সিজদা করতে সক্ষম নয়, সে যেন অপর ব্যক্তির পিঠের উপর সিজদা করে। (আলমুহাল্লা ৩/২৯৮) নামাজের সময় যদি জায়গা স্বল্পের কারনে মাথা আরেক জনের পায়ের সাথে লেগেই যায় সেক্ষেত্রে করণীয় কিছু নেই আপনার নামাজ সহিহ হবে। আর যদি ভুলবশত লেগেই যায় সেক্ষেত্রে সতর্ক হয়ে নামাজ পড়ুন যাতে পরবর্তীতে আর না লাগে। নামাজ থেকে পিছুপা হওয়া যাবেনা সেক্ষেত্রে পিছন ব্যক্তির সমস্যা হতে পারে। আর কাতার সোজা রাখা-ও নামাজের অংশ।