এটি কবুল হবে?
3 Answers
আপনি বড় কোন আলেম কে জিজ্ঞেস করুন
না ভাই, অন্যের কাছে টাকা ধার রেখে, তাকে (যার কাছে টাকা ধার দেওয়া হয়েছে) যাকাত হিসেবে সে ধার টাকা দেওয়া যাবে না বা যাকাত হিসেবে মাফ করে দেওয়া যাবে না। →আপনি সে ধার টাকা তার কাছ থেকে আদায় করে, তারপর যাকাত হিসেবে অন্য কাউকে বা তাকে দিতে পারবেন। তথ্যসূত্র :- একজন মুফতি সাহেবের দেওয়া ফাতওয়া (হানাফি মাযহাব)।
নিসাব পরিমাণ স্বীয় সম্পদ এক বছর নিজ আয়ত্তাধীন থাকাই যাকাত ওয়াজিব হওয়ার পূর্বশর্ত। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাওবায় যাকাত বন্টনের আটটি খাত নির্ধারন করেছেন। ১. ফকির যার কিছুই নেই। ২. মিসকীন যার নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই। ৩. যাকাত আদায়ে নিযুক্ত কর্মচারী যার অন্য জীবিকা নেই। ৪. " নওমুসলিম-অমুসলিমদের" মন জয় করার জন্য। ৫. ক্রীতদাস। ৬. ধনী সম্পদশালী ব্যক্তি যার সম্পদের তুলনায় ঋণ বেশী। ৭. স্বদেশে ধনী হলেও বিদেশে আল্লাহর পথে জেহাদে রত ব্যক্তি। ৮. মুসাফির যিনি ভ্রমণকালে অভাবে পতিত। এখন আপনি টাকা না পাওয়ার জন্য তাকে যাকাত হিসাবে দিতে চাইছেন তবে দিতে পারেন। কিন্ত ঐ টাকার মধ্যে আরো সাত শ্রেণীর লোকের হক আছে তাদের হক কিভাবে আদায় করবেন? যদি আপনি নিসাব পরিমাণ স্বীয় সম্পদের যাকাত সবাইকে সঠিক ভাবে আদায়ের পর, আরো বেশি যাকাত দিতে চান তবে সেক্ষেত্রে দিতে পারেন। তবে সেটা দান হিসাবে দেওয়াই উত্তম।