আমার স্বাস্থ্য খুব চিকন এবং আনফিট ৷ ওজন 49 কেজি এবং উচ্চতা 5.9 ইঞ্চি ৷ কী করলে সাস্থ্য ঠিক হবে?
5 Answers
সিরাপ 1আমলকি 2আলফালফা 3ফাইভ ফস * এই তিনটি ঔষধ সেবন করতে পারেন। অথবা ডাক্তারের পরমর্শ নিতে পারেন। বিস্তারিত আলোচনার জন্য ফেসবুকে যোগাযোগ করতে পারেন।
আপনি হামর্দদের সিনকারা সিরাপটি ৬ চামচ করে দিনে ২ বার করে খান আশা করি তাতে স্বাস্থ্যর উন্নতি হবে।
আপনার BMR হল = ৬৬+(১৩.৭*৪৯)+(৫*১৪.৯৮৮)-(৬.৮*১৯)=৬৮৩.০৪ক্যালরি । সুতরাং প্রতিদিন ৬৮৩.০৪ক্যালরি খাবার খেতে হবে । বি:দ্র:এখানে আপনার বয়স উল্লেখ্য না থাকায় একটু সমস্যা হয়েছে । আপনার বয়স যদি ১৯বছর হয়ে থাকে তাহলে উক্ত নিয়মটি ঠিক । আর যদি আপনার বয়স ১৯বছরের কম বা বেশি হয় তাহলে উক্ত ক্যালরির চেয়ে কম বা বেশি খাবার খেতে হবে ।
বিএমআই (BMI) হিসেবে আপনার স্বাস্থ ঠিক আছে তবে যদি শরীর আনফিট থাকে তাহলে আপনি ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং পরিমিত পানি পান করুন। তাছাড়া আপনার শরীর যদি আসলেই চিকন হয় তাহলে আপনি নিচের অভ্যাসগুলো গড়ে তুলুন # সকালে উঠে বাদাম ও কিসমিস: ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় অল্প পানিতে আধ কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। # প্রচুর শাক সবজি ও ফল খান: ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ ক্যালোরি যুক্ত। আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি ফল ও সবজি খেলে ওজন বাড়বে। # খাবারের পরিমাণ বাড়ান: খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন। # বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন: অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে। # খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে ভাজা খাবার: ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা ওজন বাড়াতে সহায়ক। তবে সঙ্গে রাখুন প্রচুর তাজা শাক সবজির সালাড। # জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন: ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সঙ্গে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশি তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেনারের নির্দেশে ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশঙ্কা। # খান ‘ফ্যান’ ভাত: অধিকাংশ মানুষই ভাতের ফ্যান ফেলে দেয়। ওজন বাড়াতে চাইলে ভাতের ফ্যান না ফেলাই ভালো। ফ্যান ভাত খান, এটি ওজন বাড়াতে সহায়ক। আতপ চালের ফ্যান ভাত মজাও লাগবে খেতে। # ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু: ওজন বাড়াবার জন্য এটি একটি অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই পুষ্টিকর কিছু খাবেন। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। # কমান মেটাবলিজম হার: মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনো কাজ করবেন না। # খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ খাবার: আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবারগুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি, মাখন, ডিম, পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি। যদি এইসব করেও আপনার ওজন না বাড়ে, তাহলে অবশ্যই একজন ভালো ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কেননা কোনো সুপ্ত অসুখ থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে।
» রুচির অভাব থাকলে। আপনার যদি রুচির অভাব থাকে তবে রুচিটেব ট্যাবলেট খেতে হবে।
» হজম শক্তি কম হলে কারমিনা বা হাজেম সিরাপ খান।
» ভিটামিনের অভাব থাকলে শরীর রোগাটে এবং চিকনা হয়ে যায়। আপনার ভিটামিনের অভাব থাকলে সিনকারা সিরাপটি খেতে পারেন।
» পাশাপাশি খাওয়ার ৩০ মিনিট পর তিন বেলায় মোট ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমান।
বি.দ্র: আপনি আপনার সমস্যা নির্ণয় করুন এবং আপনার সমস্যা অনুযায়ী যেকোন একটি ঔষধ সেবন করুন। অর্থাৎ একসাথে অনেক সমস্যার জন্য একাধিক ঔষধ সেবন করা থেকে বিরত থাকুন।।