বর্তমানের 14/15 বছরের বাচ্ছারা যৌনতা সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয় কিভাবে?
3 Answers
এর প্রধান ২টি কারণ রয়েছে।যেহেতু আমার বয়স ও এরকম সেহেতু আমি বিষয়টা জানি। ১- মোবাাইল হ্যা আপনার প্রশ্নের প্রধান উত্তর হবে মোবাইল। ২-খারাপ বন্ধু অনেকে খারাপ বন্ধু র পাল্লাায় পড়ে এমন টা করে। এ দুুুুটো থেকে যত টা সম্ভব সন্তান কে দূরে রাখা ভালো ।
এর অসংখ্য কারণ আছেঃ-
- মোবাইল চালানো।
- পর্নো. গ্রাফির বিস্তার।
- ইসলামী মূল্যবোধের অবলুপ্তি।
- কিশোর কিশোরীদের পাশাপাশি বসে ক্লাস করা,আড্ডা মারা।
- ভারতীয় সিনেমা(যেটা একটা সফট পর্নো. গ্রাফি বলা চলে)
- টিভিতে শুধুমাত্র প্রেম-ভালোবাসার নাটক দিয়ে ভরে ফেলা।
- মেয়েদের পর্দাহীনতা।
- পেপার পত্রিকায় উলঙ্গপনার প্রসার।(বিশেষত প্রথম আলো পত্রিকার 'নকশা', 'আনন্দ' তে মেয়েদের উলঙ্গ ছবি আর শুক্রবারের সাহিত্য সাময়িকীর গল্প যা চটি বইকেও হার মানায়। দেশের প্রথম সারির পত্রিকা যদি এমন হয়, বাকিগুলো বলাই বাহুল্য)
- প্রেম-ভালোবাসা দিবসের মারাত্মক প্রচার প্রসার।
- যুবসমাজের সামনে কোন সৎ আইডল না থাকা।
- আরো অসংখ্য কারণ রয়েছে।
এর প্রধান কারণ ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা উপরে ফেলা। বর্তমান সমাজে শিশুদের ইসলামী শিক্ষা থেকে দুরে সরে ফেলা হয়েছে, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে। পারিবারিকভাবে ইসলামী আদব শিখানো হয় না। স্কুলে বা দৈনন্দিন চলাফেরায় মেয়েদের অশালীনতা, পর্দাহীনতা শিশুমনে আঘাত হানে। সে নেতিবাচকভাবে ভাবতে থাকে, যৌনতা নিয়ে কৌতুহলী হয়ে ওঠে এবং সেদিকেই ধাবিত হয়। ফলে তারা ছেলে-মেয়ে কথা বলতে অথবা মিশতে দ্বিধাবোধ করে না। ফোনে তারা ভারতীয় গান অথবা পর্ন দেখার সুযোগ পায়। এভাবে তাদের নৈতিক স্খলন ঘটে ||| একটি বিষয় না বললেই নয়- বয়সের কারণে ছেলে মেয়েরা কৌতুহলী হতেই পারে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু *ইসলামী শিক্ষার* অভাবে, ভারতীয় বা পাশ্চাত্যের সংস্কৃতির বিস্তার, ফোনে অশ্লীল ভিডিওর বিস্তারের কারণে ছেলেময়েদের নৈতিক অবক্ষয় সবচেয়ে বেশি ঘটেছে |||