3 Answers

কিডনি খারাপ হওয়ার বা কিডনি রোগের লক্ষণগুলোঃ

১. প্রসাবের পরিবর্তনঃ

কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হলো প্রস্রাবে পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। বিশেষত রাতে এই সমস্যা বাড়ে। প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়। অনেক সময় প্রস্রাবের বেগ অনুভব হলেও প্রস্রাব হয় না।

২. প্রস্রাবের সময় ব্যথা

প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির সমস্যার আরেকটি লক্ষণ। মূলত প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া- এগুলো ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের লক্ষণ। যখন এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পেছনে ব্যথা করে।

৩.প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া

প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়।এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লক্ষণ।

৪. দেহে ফোলা ভাব

কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।

৫. মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া

লোহিত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার কারণে মস্তিস্কে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। এতে কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়।

৬. সবসময় শীত বোধ হওয়া

কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।

৭. ত্বকে র‍্যাশ হওয়া

কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র‍্যাশ তৈরি করতে পারে।

৮. বমি বা বমি বমি ভাব

রক্তে বর্জ্যনীয় পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।

৯. ছোটো ছোটো শ্বাস

কিডনি রোগে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়। এ ছাড়া কিডনি রোগে শরীরে রক্তশূন্যতাও দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাসের সমস্যা হয়, তাই অনেকে ছোট ছোট করে শ্বাস নেন।

১০. পেছনে ব্যথা

কিছু কিছু কিডনি রোগে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়। এটিও কিডনি রোগের একটি অন্যতম লক্ষণ।

(কপি)

3551 views

1 মুখের সমস্যা সমূহ ১. এই সময়ে এনিমিয়া দেয়া যায় সেই হেতু কিডনিরোগীদের মাড়ি থেকেও রক্ত পড়তে পারে। যেহেতু কিডনি রোগীরা তাদের কডিনি জনিত সমস্যা ও চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকে সেই জন্য তাদের মুখের অস্বাস্থ্যকর অবস্থার কারণে মাড়ির রোগ বেশি হয়। ২.হিমোডাইলিসিস এর কারণে তাদের মুখের আদ্রতাও বেড়ে যায় কারণ এই সময়ে অনেক ধরনের তরল খাবার খাওয়া নিষেধ থাকে। সেই সাথে ওষুধের পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া ও মুখের শুস্কতা বেড়ে যায়। ৩. মুখের দুর্গন্ধ ও মুখের স্বাদ নষ্ট হওয়া-- কিডনি রোগীদের মুখে সাধারণত: এমোনিয়ার ন্যায় দুর্গন্ধ বের হয়। হেমোডাইসিস রোগীদের ক্ষেত্রে মুখের স্বাদ নষ্ট হওয়া ও জিহ্বা ভারী হয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। ৪. যে সব দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগীরা ডায়ালাইসিস করেন তাদের মুখে এক ধরনের ঘা বা ক্ষত লক্ষ্য করা যায়। তার মধ্যে লাইকেল পস্নানাস জেয়ারী লিউকোপস্নাকিয়া, ওরাল ক্যালডিডিয়া ইত্যাদি প্রধান। চিকিৎসা:১.এই ধরনের মুখের প্রদাহ বা (ওহভবপঃরড়হ) কিডনি রোগীদের আরও রোগাক্রান্ত ও ট্রান্সপস্নান্ট হওয়া কিডনির জন্য হুমকি স্বরুপ হতে পারে। সুতরাং কিডনি রোগীদের রোগ সনাক্ত হওয়ার সাথে সাথেই তাদের মুখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা জরুরী। নিয়মিত চিকিৎসার মধ্যে শৈল্য চিকিৎসা ছাড়া নিয়মিত দাঁতের ও মাড়ির স্কেলিং করা যাতে ডেন্টাল পস্নাক জমা না হতে পারে। ২.প্রয়োজনবোধে ক্যারিজ আক্রান্ত দাঁতগুলো ডেন্টাল ফিলিং বা ভর্তী করা। ৩. একজন কিডনি ট্যান্সপস্নান্ট রোগীর সার্জারীর আগেই তার মুখ ও দাঁতের চিকিৎসা কাজ সম্পন্ন করা জরুরী। কারণ গবেষণায় দেখা যায় মুখের প্রদাহ একজন কিডনি রোগীর জন্য ক্ষতিকর। অতএব, কিডনি রোগীদের বিশেষভাবে ট্রান্সপস্নান্ট করা রোগীদের চিকিৎসার পূর্বে যেমন মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করা জরুরী তেমনি নিয়মিত পরীক্ষা নীরিক্ষাও প্রয়োজন সেই অনুযায়ী রুটিন ডেন্টাল স্কেলিং করাও অত্যাবশ্যক।

3551 views

image

ঘন ও লালচে প্রস্রাব, ঘন ঘন প্রসাবের বেগ অথবা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।

প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালা-পোড়া করা।

 ঘন ঘন ব্যথা ও ক্লান্তিভাব শরীর অথবা মুখে চুলকানি ও লালচে ভাব, হাত-পা অথবা মুখ ফুলে যায়।

 গায়ের রঙ কালো হয়ে যাওয়া। বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা, কোমর বা পিঠে ব্যথা অনুভূত হওয়া। যদি আপনার এসব যে কোনো একটি লক্ষণ থেকে থাকে তাহলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

 কিডনির সুস্থতায় বছরে একবার অন্তত প্রস্রাব পরীক্ষা করা উচিত।

 প্রতি বছর একবার অন্তত (ক্রিয়েটিনিন) রক্ত পরীক্ষা করা উচিত।

 রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।

 প্রতিদিন প্রচুর পানি খাবেন।

 প্রস্রাবের চাপ থাকলে, প্রস্রাব আটকে রাখবেন না।

 নিয়মিত ব্যায়াম ও রুটিন মাফিক চলাফেরা করুন।

 বেশি টাইট কাপড় পরবেন না।

3551 views

Related Questions