স্থায়ীভাব মোটা হওয়ার জন্য করণীয় কি?
-
আমার বয়স ২২ আমি অনেক শুকনো
অনেক ঔষধব্যবহার করছি
মোটা হতে পারি না
ডাক্তারও দেখিয়েছি
যতদিন ঔষধ খাই ততদিন ভাল ।
এখন কি করব??
2867 views
3 Answers
মোটা হওয়ার প্রয়োজনীয় ধাপগুলো হলঃ*দেহে হাইড্রো-ক্লোরসট্রাইড বা ক্লোরেসট্রল এর মাত্রা বৃদ্ধি করা।*আমিষ জাতীয় খাদ্য যেমনঃমাছ,মাংস,দুধ,ডিম বেশি পরিমানে খাওয়া।কারণ আমিষ জাতীয় খাদ্যে ৭০% নাইট্রোজেন থাকে।*মিশ্র আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহন।যেমনঃখিচুরি,বিরয়ানি,পায়েস ইত্যাদী।*শর্করা ও শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য গ্রহন।যেমনঃআলু, ভাত, শীমের বিচি ইত্যাদী।*সর্বোপরি, তেল চর্বি জাতীয় সুষম খাদ্য গ্রহন।যেমনঃঘি, মাখন, ছানা।কারণ এর প্রত্যেকটিতে রয়েছে ১৫০০ কিলোক্যালরি।
2867 views
Answered
বেশি করে দুধ,ডিম,কলা,বাদাম,ঘি দুধের সর এগুলো খাবেন
-
আপনি জিমও করতে পারেন
ওজন বাড়ানোর জন্য বাদাম আর কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার সময় আধা কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন অল্প পানিতে। সকালে সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। সকাল শুরু করুন বাদাম ও কিসমিসের সাথে। বাচ্চাদের জন্যও এটা খুব ভালো একটা খাবার।
*খাবারের পরিমাণ বারান
খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই হাপুস হুপুশ করে একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আর সেটা সম্ভবও নয়। আপনি যদি কম খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন, তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা খেয়ে থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন।
*বারবার খাবার অভ্যাস ত্যগ করুন
অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে বুঝি ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না। বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার কমে যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে জমবে। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়, ফলে ওজন কমে।
*জিমে যাবার অভ্যাস করুন
ভাবছেন জিমে মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর জন্য কেন যাবেন,কিন্তু আসল কথাটা হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না। সাথে তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই জিমে যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেইনারের নির্দেশনা মাফিক ব্যায়াম করতে হবে। নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশংকা।
*বসা ভাত খান
“বসা” ভাত বলতে বোঝায় যে ভাতে মাড় ফেলা হয় না। মাড় ফেলে দিয়ে ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায় মাড়ের সাথে। ওজন বাড়াতে চাইলে এই মাড় না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চাল বা পোলাও চালের বসা ভাত মজাও লাগবে খেতে।
*রাতে ঘুমানোর আগো দুুধ ও মধু
ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার আগে অবশ্যই বেশ পুষ্টিকর কিছু খাবেন। আর খিদে পেলে তো আয়েশ করে পেট পুরে খেয়ে নেবেন। আর সাথে সাথেই ঘুম। ফলে খাবারের ক্যালোরিটা খরচ হবার সময় পাবে না, বাড়তি ওজন হিশাবে জমবে শরীরে। ঘুমাবার আগে প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নিবেন।
*মেটাবলিজম হার কমান
মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার কমাতে হবে। তাতে আপনি যে খাবারটা খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার শরীরে জমার সুযোগ পাবে। মেটাবলিজম হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা কোনও কাজ করবেন না।
আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়, নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে। যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, মেয়নিজ ইত্যাদি।
2867 views
Answered
- স্বাস্থ্যকর ও উচ্চ প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।
- তিন বার সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন।
- নিয়মিত শাক সবজি খান।
- মাছের কলিজা, লাল মাংস, বৃক্ক, ডিম ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় যোগ করুন।
- ৭-৮ ঘন্টা পরিমিত ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
- প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
- প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। এতে আপনার ওজন বাড়বে।
- নিয়মিত ফলমূল খান।
- প্রতিদিন সামান্য হালকা মধু গরম করে পান করুন।
2867 views
Answered