স্কুলে পরীক্ষা হোক, বোর্ড পরীক্ষা হোক বা বাসায় টিউটরের কাছে পরীক্ষা হোক।  সব পরীক্ষার শুরুতেই আমার মনের ভেতর এক ধরনের ভয়-ভীতি কাজ করে। যার ফলে প্রশ্ন পাওয়ার পর যে বিষয়টি আমার সম্পূর্ণ এবং ভালোভাবে মুখস্ত, ভয়ের কারণে সে বিষয়টিও আমি ভুলে যাই। এখন এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী? মন কিভাবে শান্ত করলে এই ভয় ভীতি থেকে নিজেকে মুক্ত করা সম্ভব?
2983 views

4 Answers

আপনি মনে রাখবেন আপনার ভাগ্যে যা আছে তা পরিবর্তন হবে না।  তাই টেনশন না করে ভালো প্রস্তুতি নিন। আল্লাহ যা আপনার জন্য ভালো তাই করবেন। ধন্যবাদ।

2983 views

প্রথমেই বোঝা যাচ্ছে আপনি মানসিক ভাবে দুর্বল। আপনি মন শক্ত করুন। আপনি যদি সারাবছর না পড়ে শুধু পরিক্ষার আগে পরেন তবে এমনটা হতে পারে। সে জন্য পারলে আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা দরকার।


  1. মুখস্থ করলে এই সমস্যা দেখা দিবে। যে পরিক্ষার সময় সেটা সহজেই ভুলে যাওয়া তাই বুঝে বুঝে পড়বেন। 
  2. পরিক্ষার সময় পরিক্ষার হলকে আড্ডা রুম ভাবা। তবে সেখানে আড্ডা দিবেন না।
  3. নিজের পার্শের বন্ধুর কাছে বাধা গেলে একটু ছোট করে ইশারায় কথা বলতে পারেন। তবে সব দেখাদেখি করবেন না। এটার কারণ মন ভালো রাখা।
  4. ঘড়ি দেখে দেখে নিজের খাতায় লিখতে পারেন। তাহলে কাজটি দ্রুত হবে এবং সময় দেখলে কনফিডেন্স থাকবে। যে এটা আমমি পারবই।
  5. স্যারকে ভয় না পাওয়া। কিছু না বুঝলে সেটা স্যারকে দিয়ে বুঝিয়ে নেওয়া।

আশাকরি উক্ত কাজই আপনার জন্য কার্যকর উপায়
2983 views
পরীক্ষায় সময় এধরনের ভয় দূর করার জন্যে নিম্নোক্ত কিছু কাজ করুন
  • আপনি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করুন ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে। পরীক্ষা এড়িয়ে যাবার কোন উপায় নেই। যদি আপনি মনে কোন নেতিবাচক চিন্তা ঠাঁই দেন সফল হওয়াকে কঠিন বলে মনে হবে আপনার। নিজের চাইতে কেউ আপনাকে বেশি উৎসাহিত করতে পারবে না।
  • একটি রুটিন তৈরি করে নিন। ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়ুন। সারাদিন কি কি করবেন তার ছোট একটা তালিকা তৈরি করে নিন। সে অনুযায়ী কাজ করুন।
  • প্রতিদিন আটঘন্টা ঘুমান। বিশেষ করে পরীক্ষার সময়ে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে পড়া ভাল মনে থাকবে।
  • পুষ্টিকরুন খাবার খান। টাটকা খাবারের পাশাপাশি যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন চিনিযুক্ত পানীয় ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো আপনার রক্তচাপ বাড়াবে।
  • আপনার কোন বন্ধু হয়ত বলল সে পরীক্ষার সময় কুড়ি ঘন্টা করে পড়ে। এসব কথায় কান দেবেন না। যদি একই পরিমাণ পড়া আপনি আরো অল্প সময়ে আয়ত্ত করতে পারেন তাহলে জানবেন জয়ী আপনি।
  • নিজে নিজে ঘরে যেটি পড়লেন তার উপর পরীক্ষা দিন। কোন বিষয়ে দুর্বলতা রয়েছে তা বের করে ভালোভাবে আয়ত্ত করার চেষ্টা করুন।
  • বারবার পড়ুন। আত্মস্থ বিষয়গুলো রিভাইস করলে আত্মবিশ্বাসী বোধ করবেন। পড়ার মাঝে ব্রেক নিন।
  • অনেকক্ষণ একটানা পড়ার পর খোলা বাতাসে বেড়িয়ে আসুন। পার্ক বা লেকের পাশে হাঁটতে পারেন। চাইলে প্রিয় বন্ধুকে সাথে নিতে পারেন। তবে এসময় পরীক্ষা বা পড়া নিয়ে আলাপ না করাই ভাল।
  • চাপ কমাতে ব্যায়াম করুন প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন এর ফলে পড়ায় মনোনিবেশ করা সহজ হবে।
2983 views

**পরীক্ষা ভীতির অন্যতম বড় কারণ আত্মবিশ্বাসের অভাব। অনেক সময় ভালো প্রস্তুতি নিয়েও শুধু আত্মবিশ্বাসের অভাবে পরীক্ষা খারাপ হয়। তাই, পরীক্ষা ভীতির বিরুদ্ধে তোমার প্রথম অস্ত্র হবে – নিজের প্রতি এক ইতিবাচক মনোভাব। **ধ্যান বা মেডিটেশন অস্থিরতা দূর করতে অসম্ভব কার্যকর। মেডিটেশন তোমার দুশ্চিন্তা দূর করে মস্তিষ্ককে ঠান্ডা করবে এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করবে। **পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে এক কাজ করো। একটা সাদা কাগজ নাও এবং লিখে ফেলো কেন তুমি ভয় পাচ্ছো সেই পরীক্ষাটি নিয়ে। কিছু কিছু কারণ অনেক হাস্যকর এবং হালকা মনে হতে পারে, তবুও প্রতিটি কারণই লিখে ফেলো। তারপর ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে দাও সেই কাগজটা। **পরীক্ষার সময় আমাদের দৈনন্দিন রুটিনের বারোটা বেজে যায়। যার প্রভাব পড়ে খাদ্যাভ্যাসেও। এই খাদ্যাভাস কিন্তু অনেক ভাবেই আমাদের পরীক্ষাভীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কারণ, আমাদের গ্রহণকৃত খাদ্য সরাসরি আমাদের মানসিক অবস্থায় প্রভাব ফেলে।উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের বদলে আমাদের গ্রহণ করা উচিত কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার সম্পন্ন খাবার। কারণ, এসব খাবার পরিপাক হয় ধীরে ধীরে। তাই, মস্তিষ্ক একাগ্রতা ধরে রাখতে পারে। এই মনোযোগ বা একাগ্রতার অভাবই আমাদের পরীক্ষাভীতির অন্যতম কারণ। ** স্বাভাবিকভাবে, একজন মানুষের ৭-৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। সেটি সম্ভব না হলে কমপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুম পরীক্ষার আগের রাতে খুব জরুরি।

2983 views

Related Questions