2 Answers

ঘুমজনিত সমস্যার সমাধান ঘরোয়া ভাবে সমাধান পেতে নিচের কাজগুলি করতে পারেন।
1. প্রথমেই মনে মনে স্থির করুন যে ঘুমাবেন। কতোক্ষণ ঘুমাবেন সেটাও ঠিক করে নিন। চেষ্টা করবেন যাতে ঘুমাতে যাবার সময়টা রাত বারোটার আগে হয়। প্রয়োজনে মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখুন।
2. ঘুমানোর পূর্বে ঘর পুরোপুরি অন্ধকার করে নিন এতে ঘুম তাড়াতাড়ি আসবে।
3. অপরিচ্ছন্ন বিছানায় ঘুম আসতে যতটুকু সময় লাগে পরিষ্কার বিছানায় তার তিনগুণ আগে ঘুম আসে।
4. একবার ঘুমানোর জন্যে বিছানায় শুয়ে পরার পর ভুলেও হাতে মোবাইল ফোন নেবেন না বা কোনোপ্রকার ডিসপ্লের দিকে তাকাবেন না।
5. বিভিন্নপ্রকার শারীরিক ব্যায়াম করুন। প্রয়োজন হলে জিমে যান। সারাদিন অনেক পরিশ্রম করলে রাতে এমনিতেই ঘুম চলে আসবে।
6. বিকালের পর চা বা কফি খাওয়া ও রাত জেগে মুভি দেখা এড়িয়ে চলুন।
সাময়িকভাবে আপনি এগুলো করুন তারপরও ঘুম না আসলে আপনি একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
2627 views

ঘুমের সময় টা আসলে নির্ভর করে মানুষের বয়স,শারীরিক পরিশ্রম, লাইফ স্টাইল,সাস্থ্য ইত্যাদির উপর...এগুলোর উপর ভিত্তি করে মানুষের ঘুমের সময় কম বেশি হতে পারে... কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ঘুম শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর... অতিরিক্ত ঘুমানো আসলে একটা রোগ যাকে Hypersomnia বলা হয়ে থাকে... এ রোগ হয়ে থাকলে মানুষ সাধারণত দিনে বা রাতে খুব বেশি পরিমানে ঘুমিয়ে থাকে...মানুষ খুব বেশি পরিমানে ঘুমালে অলস হয়ে যায়, কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়...অতিরিক্ত ঘুম স্থুলতা,daibetes,মাথা বেথা,শরীরের বেথা,হতাশার অন্যতম কারণ. এছাড়া অতিরিক্ত ঘুমানের ফলে আপনার হার্ট এর অসুখ ও বাড়িয়ে দিবে,ব্লাড প্রেসার বাড়াবে,রক্তে কলেস্টেরল এর মাত্র বাড়িয়ে দিবে...আপনার শরীরের ন্যাচারাল বডি ডিফেন্স কে নষ্ট করে দিবে... জরিপে দেখা গেছে যে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ যদি রাতে ৯ ঘন্টা বা তার অধিক সময় ঘুমায় তার মৃত্যর ঝুকি ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো মানুসের তুলনায় বেশি থাকে...তাই ঘুমুতে যতই ভালো লাগুক, অতিরিক্ত ঘুম কখনো ই না।

2627 views

Related Questions