নিজের বীর্য পান করা যাবে কি?
7 Answers
যেহেতু এটা কোন খাদ্য নয় তাই খাওয়া ঠিক হবে না। তবে বীর্য খেলে সমস্যা নেই।এগুলা খেলে হজম হয়ে যাবে।
বীর্য হচ্ছে নাপাক। নাপাক কোনো কিছু খাওয়া জায়েয নয় বরং হারাম। সুতরাং, এ কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি। এছাড়া, রোগও হতে পারে।
নিজের বীর্য কখনোই পান করা উচিত নয়। এছাড়া এতে বিভিন্ন সংক্রমক রোগ ও হতে পারে।এর মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন যৌন সংক্রমক রোগ ছড়াতে পারে।
রসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেন-- "যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বার) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী জিনিস (যৌনাঙ্গের) নিশ্চয়তা (সঠিক ব্যবহারের) দেবে আমি তার বেহেশতের ননিশ্চয়তা দিব।"(বুখারী ও মুসলিম)
ওটা নাপাক জিনিস। আর নাপাক কিছু পান করা হারাম। আর যদিও পান করেন মুখে ঘা হতে পারে।
এটা ইসলামিকভাবে সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ।এটার দ্বারা কোনো হবে না যদি তার কোনো সমস্যা না থাকে তবে।
ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করার জন্য। না কোনো অবস্থাতেই বীর্য পান করা যাবে না। কারণ আমাদের মাজহাব মাজহাবে হানাফিসহ ৯০% আলেমদের মতে এটি নাজাসাতে মুগাল্লাযা তথা ঐ নাপাক যা দেখতে গাঢ়। এ ধরনের নাপাকি হলো বীর্য, পায়খানা, গোবর ইত্যাদি। সুতরাং এসব নাপাকি খাওয়া হারাম চাই নিজেকে বা নিজের দৈহিক সেবাদাত্রীকে যে কোনো পদ্ধতিতে খাওয়ানো হোক না কেন। কারণ এগুলো পবিত্র নয়। আর হারাম হওয়ার ব্যাপারে ইমাম আবু হানিফার দলিল হলো নিম্নোক্ত কুরআনের সুরা আরাফের ১৫৭ নং আয়াতটি- ويحل لهم الطيبات ويحرم عليهم الخبائث. এর অর্থ হচ্ছে - তাদের জন্য পবিত্র খাবার হালাল করা হয়েছে এবং হারাম করা হয়েছে যা মন্দ। এখন সকলেই কমনসেন্সের মাধ্যমে বুঝবেন যে বীর্য কখনো পবিত্র হবে না। বরং তা মন্দ হবে। কারণ তার নির্গত হওয়ার স্থানটি পবিত্র নয়। তাই প্রমাণান্তে পরিস্কার হলো যে সর্বাবস্থায় বীর্য পান করা হারাম। যদিও বিধর্মীরা এমন করে থাকে। কিন্তু মুসলমানদের জন্য যতই আরামদায়ক ও তৃপ্তিদায়ক হোক না কেন তা হারাম। শুকর, রক্ত ও মৃত যেমন যারাম তেমন হারাম। আর যারা কোরআনের উপর নিজের দৈহিক আনন্দকে প্রাধান্য দিবে তাদেরকে কোরআনের বিধান না মানার কারণে তথা হারাম বিধান লঙ্ঘন করার কারণে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে। আল্লাহ ভালো জানেন কাকে কী ও কীভাবে শাস্তি দিবেন? আশা করি আপনি বুঝেছেন। তাই আপনার দায়িত্ব হলো তাকে এ বিষয়ে অবগত করানো।
চিকিৎসা বিদ্যামতে এটা খাওয়া ক্ষতিকর না (aponardoctor.com/archives/1952) হলেও ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে তা সম্পূর্ণ হারাম।