1 Answers

কৃষক হাবীব নিজের জমিতে বোরো ধানের চাষ করেন।
বাংলাদেশে প্রায় সারা বছরই ধানের চাষ করা হয়। আউশ, আমন, বোরো এই তিন মৌসুমে ধান চাষ হয়।
বোরো ধান চাষে শীতের তীব্রতাজনিত কারণে ধানে চিটা হওয়া এবং ফলন কমে যাওয়ার সমস্যা দূর করে কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভে শৈত্য সহিষ্ণু বোরো ধানের জাত চাষ করা যেতে পারে। এ রকম ধানের জাত হলো ব্রি ধান ৩৬ এবং ব্রি ধান ৫৫। আগাম ও উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের এ জাত শৈত্য প্রবাহে সঠিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। অর্থাৎ মাঝারি শৈত্য প্রবাহেও এ জাতের ধানে পরাগায়ন ও দানা গঠন বিঘ্নিত হয় না। ফলে ধানের চিটা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আর চিটা কম হওয়ায় উৎপাদনও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে পাওয়া যায়।
যেহেতু বাংলাদেশে শীতের তীব্রতা মৃদু থেকে মাঝারির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে সেহেতু কৃষক হাবীব বোরো মৌসুমে ব্রি ধান ৩৬ এবং ব্রি ধান ৫৫ এ দুইটি জাত চাষ করে তার সমস্যার সমাধান করতে পারে।

4 views

Related Questions

অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views