1 Answers
উদ্দীপকের শামীমা সামাজিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং আব্দুর রহিম রাজনৈতিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
সমাজের মানুষ ব্যক্তিগতভাবে আইন অনুমোদিত যে স্বাধীনতা ভোগ করে তাই সামাজিক স্বাধীনতা। সামাজিক স্বাধীনতা ভোগের মধ্য দিয়ে ব্যক্তির নাগরিক জীবন বিকশিত হয়। সমাজে বসবাসকারী মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য সামাজিক স্বাধীনতা প্রয়োজন। জীবন রক্ষা, সম্পত্তি ভোগ, বৈধ পেশা গ্রহণ প্রভৃতি সামাজিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকের শামীমা একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। সেখানে বেতন কম হওয়ায় তিনি বেশি বেতনে নতুন একটি গার্মেন্টসে যোগ দিতে চাইলে আগের কারখানার মালিক তাকে যোগ দিতে বাধা দেয়। এ কারণে শামীমার নতুন কর্মক্ষেত্রে যোগদান করতে না পারার বিষয়টি তার সামাজিক স্বাধীনতাকে খর্ব করে। কেননা ব্যক্তির ইচ্ছামাফিক যেকোনো বৈধ পেশা গ্রহণ করার অধিকার সামাজিক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত।
আবার নাগরিকের রাজনৈতিক স্বাধীনতার মধ্যে একটি হলো বিদেশে অবস্থানকালীন নিরাপত্তা লাভ করা। এই স্বাধীনতা বলে একজন নাগরিক বিদেশ অবস্থানকালে বিপদে পড়লে তার নিজ রাষ্ট্রের কাছ থেকে সাহায্য- সহযোগিতা লাভ করবে। কিন্তু উদ্দীপকের আব্দুর রহিম মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে চাকরি নিয়ে বিপদে পড়লেও নিজ দেশের কাছ থেকে সে কোনো সহায়তা পায়নি। আব্দুর রহিম বিদেশে অবস্থানকালে নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে চাকরি সংক্রান্ত অভিযোগের কোনো প্রতিকার না পাওয়ার ঘটনাটি তার রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে খর্ব করে।
উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, উদ্দীপকের শামীমা সামাজিক স্বাধীনতা থেকে এবং আব্দুর রহিম রাজনৈতিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।