1 Answers

অন্যের ক্ষতি করে নিজের আনন্দ ভোগের মধ্যে কোনো সার্থকতা নেই- সোহাগের এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত।
স্বাধীনতা ব্যক্তিকে মুক্তভাবে যা খুশি তা করার অধিকার প্রদান করে না। অবাধ স্বাধীনতা স্বেচ্ছাচারিতা প্রতিষ্ঠা করে, যা স্বাধীনতার মূলনীতির বিরোধী। পৌরনীতি ও নাগরিকতা শাস্ত্রে স্বাধীনতা বলতে নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতাকে বোঝায়। অর্থাৎ স্বাধীনতা হলো অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টি না করে নিজের ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করার অধিকার। উদ্দীপকে দেখা যায়, ইমন প্রতি রাতে মোবাইলে খুব জোরে গান শোনে। এতে তার বন্ধুদের লেখাপড়ার ক্ষতি হয়। তার বন্ধুরা তাকে হেডফোন দিয়ে গান শুনতে বললে সে বলে, এটা আমার ইচ্ছা, আমার কাজে তোমাদের বাধা দেওয়া ঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে এটা ইমনের স্বাধীনতা নয়, বরং স্বেচ্ছাচারিতা। একজন ব্যক্তি হিসেবে ইমনের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অজুহাতে সে তার বন্ধুদের লেখাপড়ার ক্ষতি করতে পারে না। বস্তুত অন্যের ক্ষতি করে নিজের আনন্দ ভোগের মধ্যে কোনো স্বার্থকতা নেই। স্বেচ্ছাচারিতা নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতার মধ্যেই প্রকৃত স্বার্থকতা।
পরিশেষে বলা যায়, স্বেচ্ছাচারিতা কখনও স্বাধীনতা নয়। এটি সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এ কারণেই আমি সোহাগের বক্তব্যের সাথে একমত।

4 views

Related Questions