1 Answers

আবির সাহেব মৎস্য ও পশুসম্পদ অধিদপ্তর হতে মাছের ও গরুর খাদ্য সংক্ষণের নিয়ামকসমূহ ও সঠিকভাবে খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং তা কাজে লাগান।
খরা মৌসুমে মাটিতে রসের পরিমাণ কম থাকায় ঘাসের উৎপাদন কমে আসে। ফলে গবাদিপশুকে শুকনো খড় জাতীয় খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে খাদ্যের অভাবে আবিদ সাহেব গবাদিপশুর মাংস ও দুধের উৎপাদন কমে যায় এবং পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। তিনি তার চারণভূমিতে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণ করেছিলেন। এভাবে সবুজ ঘাস সংরক্ষণের মাধ্যমে 'সারাবছর গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পশুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটানো যায়। এতে করে গবাদিপশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে না। মাংস ও দুধের উৎপাদনও হ্রাস পায় না। ফলে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। অতএব, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আবির সাহেব সফল হয়েছেন বলে আমি মনে করি।

4 views

Related Questions