1 Answers

উদ্দীপকের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে লিখিত উপাদানের একটি মাত্র দিক প্রকাশিত হয়েছে। লিখিত উপাদানের এ দিকটি অর্থাৎ পর্যটকদের বিবরণ ছাড়াও আরো অনেক নির্ভরযোগ্য তথ্য রয়েছে যার মাধ্যমে ইতিহাসের জ্ঞান লাভ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

ইতিহাসের জ্ঞান অর্জনে ইতিহাসের লিখিত উপাদান অর্থাৎ সাহিত্য, বৈদেশিক বিবরণ, দলিলপত্র ইত্যাদির গুরুত্ব অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই যেমন- বেদ, কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র', কলহনের 'রাজতরঙ্গিনী', মিনহাজ-উস-সিরাজের 'তবকাত-ই-নাসিরী', আবুল ফজলের আইন-ই- আকবরী ইত্যাদি গ্রন্থ অতীত ইতিহাস জানার মূল্যবান উৎস। সাহিত্যিক উপাদানের মধ্যে আরও রয়েছে রূপকথা, কিংবদন্তি, গল্প কাহিনি। এ সবকিছুই ইতিহাসের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে।

অনেক সময় ঐতিহাসিকরা বিচার-বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান করে কল্প-কাহিনির আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্যকে উদঘাটন করেন। এসব আবিষ্কার বা উদঘাটন ইতিহাস পাঠকে সমৃদ্ধ করে। এছাড়া সরকারি নথি, চিঠিপত্র ইত্যাদি থেকেও নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব, যা ইতিহাসের জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, পর্যটকদের বিবরণের পাশাপাশি উপরে আলোচিত উপাদানগুলোও ইতিহাসের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে।

5 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views