1 Answers
হ্যাঁ, চেয়ারম্যান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত স্থাপত্যসমূহ উদ্দীপকে নির্দেশিত সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্যের সাথে আংশিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ও চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখে গেছে। সেখানে দুই কক্ষ থেকে শুরু করে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই তিন তলা ঘরও দেখা গেছে। মহেঞ্জোদারোর স্থাপত্যশিল্পের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো, "বৃহৎ মিলনায়তন", যে মিলনায়তনটি ৮০ ফুট জায়গা জুড়ে তৈরি হয়েছিল। এখানে একটি “বৃহৎ স্নানাগার" এর নিদর্শন পাওয়া গেছে যার মাঝখানের বিশাল চৌবাচ্চাটি ছিল সাঁতার কাটার উপযোগী। তাছাড়া এখানে বিশাল এক প্রাসাদের সন্ধান পাওয়া গেছে। হরপ্পাতে বিরাট আকারের শস্যাগারও পাওয়া গেছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার চেয়ারম্যান খাদ্যশস্য সংরক্ষণের জন্য একটি গুদাম ঘর তৈরি করেন। এছাড়া পৌরবাসীর জন্য তিনি একটি মসজিদ, বিদ্যালয় ও মিলনায়তন প্রতিষ্ঠা করেন। সিন্ধু সভ্যতায় শস্যের জন্য গুদাম ঘর ও মিলনায়তন নির্মাণ করা হলেও মসজিদ ও বিদ্যালয় পাওয়া যায়নি। আবার সিন্ধু সভ্যতার মতো স্নানাগার ও বিশাল প্রাসাদ আজকের যুগের চুয়াডাঙ্গায় নেই।
উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, চুয়াডাঙ্গার চেয়ারম্যান সাহেবের নির্মিত স্থাপত্যসমূহ উদ্দীপকে উল্লিখিত সিন্ধু সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শনগুলোর সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।