1 Answers

উদ্দীপকের রাহুলের দ্বৈত নাগরিকতা সৃষ্টি হবে।
জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দুটি নীতি অনুসরণ করা হয়। যথা- ১. জন্মনীতি ও ২. জন্মস্থাননীতি। জন্মস্থাননীতি অনুযায়ী পিতামাতা যে দেশেরই নাগরিক হোক না কেন, সন্তান যে রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করবে সে ঐ রাষ্ট্রের নাগরিকতা লাভ করবে। যেমন- বাংলাদেশি পিতা-মাতার সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে সেই সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকতা লাভ করবে।
জন্মস্থাননীতিতে নাগরিকতা নির্ধারণে রাষ্ট্রকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ নীতি অনুযায়ী কোনো মা-বাবার সন্তান অন্য দেশের জাহাজ বা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করলেও সে ঐ দেশের নাগরিক হবে। আমেরিকা, কানাডা প্রভৃতি দেশে জন্মস্থাননীতির মাধ্যমে নাগরিকতা নির্ধারণ করা হয়। রাহুল যেহেতু কানাডার আকাশসীমার মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে, সুতরাং জন্মস্থাননীতি অনুযায়ী সে কানাডার নাগরিক হবে। আবার জন্মনীতি অনুযায়ী সে বাংলাদেশেরও নাগরিক হবে। কেননা তার বাবা-মা বাংলাদেশের নাগরিক। অর্থাৎ রাহুলের দ্বৈত নাগরিকতা সৃষ্টি হবে। তবে পূর্ণবয়স্ক হলে তাকে যেকোনো একটি রাষ্ট্রের নাগরিক হতে হবে।

4 views

Related Questions

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল ও সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। দিন দিন আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। এই ইন্টারনেট সবাই যাতে ইতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে বেসিস অসামান্য ভূমিকা পালন করতে পারে। সম্প্রতি দেশের মুঠোফোন অপারেটরগুলো ফোরজির লাইসেন্স পেয়েছে। এটা আমাদের দেশের তথ্যপ্রযুক্তির জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কারণ, ইন্টারনেটের ধীরগতি এটা ব্যবহার করতে অনেক সমস্যার সৃষ্টি করত। দেশের সর্বত্র সবার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে একটি সুসংগঠিত সংঘঠন হিসেবে বেসিসকে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে। (Bangla to English)
1 Answers 6 Views
অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে করোনা শব্দাক্তের এক বছর হবে। গত ৩০ বছরে ক্রমাগত দারিদ্র্য কমছিল। করোনাতে দারিদ্রা বাড়ছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অগণিত মানুষ। এই সংকট মোকাবিলায় প্রধানত ঋণকেন্দ্রিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, শুধু রণভিত্তিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার সম্ভব নাও হতে পারে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না হলে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান ধরে রাখা যাবে না, হবে না নতুন কর্মসংস্থান। ফলে সা চাহিদা বাড়ানো দুরূহ হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তাই ক্ষণভিত্তিক প্রণোদনার সাথে উৎপাদনশীল খাতেও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views