1 Answers
উদ্দীপকে ডেভিটের দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সমাজের অধিকাংশ সম্পদ বা উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে। ব্যক্তি এগুলো হস্তান্তর ও ভোগ করে থাকে। এ অর্থব্যবস্থায় প্রত্যেক ভোক্তা তার পছন্দ, ইচ্ছা ও রুচি অনুযায়ী অবাধে দ্রব্য ক্রয় ও ভোগ করতে পারে। ভোক্তার চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনকারী দ্রব্য সরবরাহ করে। তাছাড়া এ অর্থব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয় দামব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে তথা বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতার দরকষাকষির মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ডেভিটের সাথে ওয়াংতু-এর পরিচয় হয়। ফেসবুকে আলোচনার মধ্য দিয়ে ওয়াংতু ডেভিটের দেশের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারে। ডেভিটের দেশে অবাধে দ্রব্য ক্রয় ও ভোগের ক্ষেত্রে ভোক্তার স্বাধীনতা রয়েছে এবং উৎপাদনকারী ভোক্তার চাহিদা অনুযায়ী দ্রব্য উৎপাদন ও সরবরাহ করে। তাছাড়া, ডেভিটের দেশে সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানাও স্বীকৃত। সুতরাং এসব বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ডেভিটের দেশের অর্থব্যবস্থা হলো ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা।