1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজীবের কন্যাদের লাল-সবুজ বর্ণ আলাদা করতে না পারার কারণ হলো বর্ণান্ধতা। নিচে তাদের বর্ণান্ধতার কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
বর্ণান্ধতা বংশগতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। রং চেনার জন্য মানুষের চোখের স্নায়ুকোষে রং সনাক্তকারী পিগমেন্ট থাকে। বর্ণান্ধ ব্যক্তির চোখের স্নায়ুকোষে রং সনাক্তকারী পিগমেন্টের অভাব থাকে। রং সনাক্তকারী পিগমেন্ট দুটি জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং এই জিন X ক্রোমোজোমে থাকে। যৌন জননের ফলে এই জিন পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়। লাল ও সবুজ রং সনাক্তকারী পিগমেন্টের জন্য দায়ী জিন রাজীব ও স্বপ্নার X ক্রোমোজোমে অনুপস্থিত থাকায় তাদের কন্যারা লাল-সবুজ বর্ণ আলাদা করতে অক্ষম হয়েছে। এছাড়াও কিছু ওষুধ যেমন- হাইড্রোক্সি- ক্লোরোকুইনিন সেবনেও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসাবে চোখের রঙিন পিগমেন্ট নষ্ট হয়েও বর্ণান্ধ হতে পারে। তবে তার সম্ভাবনা খুবই নগণ্য।

4 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views