1 Answers

উদ্দীপকে দেওয়া আছে, রফিকের রক্তে কোনো এন্টিবডি নেই, অর্থাৎ রফিকের রক্তের গ্রুপ AB। কারণ AB গ্রুপের রক্তে এন্টিজেন a ও এন্টিজেন ৮ থাকলেও কোনো এন্টিবডি নেই। রফিকের খেলার মাঠের কর্মসূচিটি হচ্ছে রক্তদান কর্মসূচি। বর্তমানে রক্তদানে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এরকম নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়। যেমন- কোনো বিশেষ দিবসে বা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠানে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন। এতে জনসাধারণের মাঝে রক্তদান সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ও ভীতি অনেকাংশে হ্রাস পায়। এ সকল কর্মসূচি প্রায়শই গ্রহণের ফলে অতীতের তুলনায় মানুষ রক্তদান ও গ্রহণ সম্পর্কে অধিক আগ্রহী ও সচেতন। এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবকেরা রক্ত সংগ্রহ করে ব্লাড ব্যাংকে জমা রাখেন। অনেক সময় মুমূর্ষ রোগীর বা দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির রক্তের প্রয়োজন হয়। জরুরি ভিত্তিতে অনেক সময় এ ব্লাড ব্যাংকের রক্ত রোগীর দেহে সঞ্চালন করা হয়। রক্ত সঞ্চালনের পূর্বে রোগীর রক্তের গ্রুপ জানা থাকা আবশ্যক। কারণ সব গ্রুপই সব গ্রুপের ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে না। রক্তের এন্টিবডি ও তার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এন্টিজেন অন্য কোনো গ্রুপের রক্তকে জমিয়ে দেয়। মুমূর্ষ রোগীকে রক্ত দানের ক্ষেত্রে এ সকল জটিলতার হাত থেকে মুক্ত রাখার লক্ষ্যেই স্বেচ্ছাসেবকেরা রক্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করেই তা সংগ্রহ করে ছিলেন।

4 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views