1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটির সময়কালকে পাল তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' নামে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।
শশাংকের মৃত্যুর পর অন্তর্বিদ্রোহের ফলে গৌড় রাজ্য বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। এ সময় বাংলার ইতিহাসে এক দুর্যোগপূর্ণ অন্ধকারময় যুগের সূচনা হয়। দীর্ঘদিন বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিলেন না। একদিকে হর্ষবর্ধন ও ভাস্করবর্মণের হাতে গৌড় রাজ্য ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়, অন্যদিকে ভূ-স্বামীরা প্রত্যেকে একে অন্যের সাথে সংঘাতে লিপ্ত থাকে। কেন্দ্রীয় শাসন নিয়ন্ত্রণ করার মতো কেউ ছিল না। এ অরাজকতার সময়কালকে পাল তাম্রশাসনে আখ্যায়িত করা হয়েছে 'মাৎস্যন্যায়' বলে। পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলে 'মাৎস্যন্যায়'। বাংলার সবল অধিপতিরা এভাবেই ছোট ছোট অঞ্চলগুলোকে গ্রাস করেছিল।
উদ্দীপকে প্রাচীন বাংলার একটি বিশৃঙ্খলাপূর্ণ সময়কালের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে যখন ভূ-স্বামীরা রাজা হওয়ার কল্পনায় সংঘাতে মেতে ওঠে। কোনো যোগ্য শাসনের অভাবে সবল অধিপতিরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চল গ্রাস করছিল। উপরের আলোচনা হতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, উদ্দীপকে বর্ণিত এ ঘটনাটির সময়কালকে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।