1 Answers

দৃশ্যপট-২-এ প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে বড় রাজবংশ অর্থাৎ পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের কৃতিত্ব প্রতিফলিত হয়েছে।

রাজা গোপাল সিংহাসনে আরোহণ করেন ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে। তিনি যখন সিংহাসনে আরোহণ করেন তখন বাংলায় এক অরাজক অবস্থা বিরাজ করছিল। কেননা দীর্ঘদিন বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিল না। পুকুরের বড় মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে ফেলে এ সময়ে বাংলার অবস্থা ছিল ঠিক তেমন। এ কারণে এ সময়কালকে পাল তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ সময় বাংলার সবল অধিপতিরা ছোট ছোট অঞ্চলগুলোকে গ্রাস করছিলেন। এ অবস্থা চলে প্রায় একশ বছর ব্যাপী। আট শতকের মাঝামাঝি সময়ে গোপাল সিংহাসনে আরোহণ করে এ অবস্থার অবসান ঘটান। গোপালের সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলায় পাল রাজত্বের শুরু হয়। এ বংশের রাজারা একটানা চারশ' বছর এদেশ শাসন করেন।

উদ্দীপকে লক্ষণীয়, পলি জমে মধুমতি নদী এখন মৃতপ্রায়। জেগে ওঠা জমি বড় বড় ভূমি দস্যুরা দখল করে নিয়েছে। ছোট পরিবারগুলো নিজেদের জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে। এ অবস্থায় উপেন বাবু প্রশাসক নিযুক্ত হয়ে সব সমস্যার অবসান ঘটান। উদ্দীপকের এ ঘটনা উপরে বর্ণিত প্রাচীন বাংলার 'মাৎস্যন্যায়' অবস্থা ও গোপালের ক্ষমতা গ্রহণ করে পাল বংশ প্রতিষ্ঠার ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিশেষে তাই বলা যায়, দৃশ্যপট-২-এ পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের কৃতিত্ব ফুটে উঠেছে।

6 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views