1 Answers

পরিষ্কার ও পরিপাটি পোশাক দেহ ও মনের সুস্থতা বজায় রাখে- উক্তিটি যথার্থ। 

নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। এজন্য মানুষ নিজেকে মনের মতো সাজায়। কোনো ব্যক্তির সাজসজ্জার পারিপাট্য বলতে ব্যক্তির দেহের সাথে মানানসই পোশাক-পরিচ্ছদ ও আনুষঙ্গিক প্রসাধন কার্যের মিলিত অবস্থাকে বোঝায়। শারীরিক সৌন্দর্য তখনই উদ্ভাবিত হয় যখন শরীর সুস্থ থাকে। সুস্থ দেহে সুস্থ মন থাকে। সুস্থ মনই শৈল্পিক ভাবে পরিপাটি থাকার তাগিদ সৃষ্টি করে।

পোশাকের মাধ্যমে সামগ্রিক সাজসজ্জায় পারিপাট্য সৃষ্টি করার একটা অন্যতম শর্ত হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। এলোমেলো চুল, ময়ালাযুক্ত বড় বড় নখ পোশাকের মাধ্যমে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে বাধা সৃষ্টি করে। পোশাকের পরিচ্ছন্নতার সাথে দেহের সুস্থতা ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। কারণ পোশাক মানুষের দেহের সাথে সংলগ্ন থাকে এবং পরিচ্ছন্নতাকে সংরক্ষণ করে। অপরিচ্ছন্ন পোশাক দৈহিক পরিচ্ছন্নতাকে বাধাপ্রাপ্ত করে। এই অপরিচ্ছন্ন পোশাক পারিপাট্যের অন্তরায়। এ জন্য দৈহিক পরিচ্ছন্নতাকে নিশ্চিত করার জন্য পোশাক-পরিচ্ছদের পরিচ্ছন্নতা অপরিহার্য। পোশাকের মাধ্যমে আবার ব্যক্তি তার মনের অন্তর্নিহিত অনুভূতিকে প্রকাশ করে। পুরানো পোশাক বদলিয়ে নতুন পোশাক পরলে মন প্রফুল্লতায় ভরে ওঠে। পোশাক পরিবেশের সাথে মানানসই হলে মনে কোনো সংশয় থাকে না। নিজেকে নিঃসংকোচে প্রকাশ করা যায়। আবার পরিবেশ অনুযায়ী পোশাক পরিধান না করলে মনে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়। 

তাই বলা যায়, পরিষ্কার ও পারিপাট্য পোশাক দেহ ও মনের সুস্থতা বজায় রাখে।

4 views

Related Questions