1 Answers
পাপিয়ার মন্তব্যটি হচ্ছে বস্তু ধৌতকরণে আনুষঙ্গিক দ্রব্য বিশেষ ভূমিকা রাখে। তার এ মন্তব্যটি যৌক্তিক।
বস্তু ধৌতকরণে পরিষ্কারক দ্রব্য ছাড়াও বিভিন্ন আনুষঙ্গিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যেমন- বোরাক্স। এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয়। তাই কাপড়ে কাঠিন্য ও ঔজ্জ্বল্য সৃষ্টি করতে বোরাক্স ব্যবহার করা হয়। এটি কাপড়ে দাগ তুলতেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া স্টার্চ ব্যবহারে কাপড়ের স্বাভাবিক কাঠিন্য এবং উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। এটি ব্যবহারের ফলে কাপড় সহজে ময়লা হয় না। রেশম বস্ত্রের কাঠিন্য সৃষ্টি করতে এবং বস্ত্রের উজ্জ্বলতা আনতে গঁদ ব্যবহৃত হয়। নীল ব্যবহারের ফলে কাপড়ের হলদে ভাব কেটে নীলাভ শুভ্রতা দেখা দেয়। কাপড়ে মোলায়েমকারক ব্যবহার করলে কাপড় নরম ও কোমল থাকে।
কোনো সংক্রামক রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করার পর ব্যবহৃত জামাকাপড় জীবাণুমুক্ত করার জন্য জীবাণুনাশক উপকরণ দিয়ে ধোয়া হয়। যেমন- ক্লোরিন, ব্লিচিং। ভিনেগার কাপড়ের অতিরিক্ত নীল দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া রঙিন কাপড়ের রং চটে গেলে পানিতে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে ঐ পানিতে কিছুক্ষণ রাখলে রং ফিরে আসে। রঙিন কাপড়ের কাচা রং পাকা করার জন্য লবণ ব্যবহার করা হয়।
সুতরাং, পাপিয়া যৌক্তিক কারণেই বলেন, বস্ত্র ধৌতকরণে আনুষঙ্গিক দ্রব্য বিশেষ ভূমিকা রাখে।