1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী পদক্ষেপে নেওয়া স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতিতে যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। এ ধরনের নেতৃত্বে নেতা সব ক্ষমতা নিজের কাছে রাখেন এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেন। এ নেতৃত্বে নেতা যা ভালো মনে করেন তা-ই করেন। তিনি কাজের জন্য কারো কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকেন না। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মনে করেন কর্তৃপক্ষের বেশি সহানুভূতিশীলতার কারণে কর্মীরা অলস হয়ে পড়েছে। তারা কাজ এড়িয়ে চলায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। তাই তিনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে কর্মীদের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে চান। এছাড়া, কোনো পরিকল্পনা তৈরিতে কর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ সিদ্ধান্তটি স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্বেরই প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি প্রথম দিকে যে নেতৃত্ব অনুসরণ করেছে তাতে কর্মীদের অলসতা ও অবহেলার প্রবণতা দেখা যায়। তাই ব্যবস্থাপক পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের কাজ ভালোভাবে করার জন্য স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করতে চান। এতে নেতার নির্দেশে কর্মীরা কাজ করতে বাধ্য থাকবে। আর কাজের চাপ ও শাস্তির ভয়ে তারা দ্রুত কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানে নেতার কর্তৃত্বও বজায় থাকবে। এ নেতৃত্ব কর্মীরা অপছন্দ করলেও এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য অনেক সাফল্য নিয়ে আসে। সুতরাং, প্রতিষ্ঠানটিতে সাময়িকভাবে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব অনুসরণ করা বেশি যুক্তিযুক্ত হবে।

5 views

Related Questions