1 Answers

সীমা তার পোশাকটি সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করলে উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারত বক্তব্যটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।

শীতকাল ছাড়া বছরের অন্য সময়ে পশমি বস্ত্র ব্যবহৃত হয় না। বছরের ২-৩ মাস পশমি বস্ত্র ব্যবহৃত হয়। বছরের বাকি সময় এগুলো তোলাই থাকে। পশমি বস্ত্রের দাম তুলনামূলক বেশি। সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করতে পারলে পশমি কাপড় অনেক দিন পর্যন্ত টেকে।

সীমা শীতের সোয়েটার, কম্বল ও শাল আলমারি থেকে বের করে দেখে এগুলোর কোনো কোনো জায়গায় পোকায় কেটেছে। আবার কম্বল থেকে স্যাঁতসেঁতে একটা গন্ধ বের হচ্ছে। সীমা তার পশমি কাপড়গুলো সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করেনি। একারণে সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। পশমের সবচেয়ে বড় শত্রু মথ। ময়লা পশমি কাপড়ে এদের আরও বেশি উপদ্রব হয়। মথ পোকার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে কাপড় সংরক্ষণের আগেই সঠিক নিয়মে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর ইস্ত্রি করে বাতাসে শুকিয়ে আর্দ্রতামুক্ত করে নিতে হবে। এরপর ভাগে ভাগে আলমারি বা বাক্সের মধ্যে ভরে রাখতে হবে। কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে ন্যাপথলিন দিতে হবে। এছাড়া শুকনো নিমপাতা, তামাক পাতা কাপড়ে জড়িয়ে ভাঁজে ভাঁজে রাখা যায়। কাপড় সংরক্ষণ করার আগে আলমারি বা বাক্সে কীটনাশক স্প্রে করে নিলে ভালো হয়। সংরক্ষিত কাপড়গুলো মাঝে মাঝে বের করে হালকা রোদে মেলে বাতাসে লাগিয়ে স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে হয়। পশমি কোট, প্যান্ট, জ্যাকেট প্রভৃতি আলমারির ভেতর হ্যাঙারে ঝুলিয়ে রাখলে ভালো থাকে। উল্লিখিত উপায়ে সীমা যদি তার পশমি কাপড়গুলো সংরক্ষণ করতো তাহলে সেগুলা নষ্ট হতো না।

6 views

Related Questions