1 Answers
জামিল সাহেবের খাদ্য ব্যবস্থাপনা হতে হবে সঠিক ও যথোপযুক্ত। তিনি একজন হৃদরোগী। দীর্ঘদিন তিনি উচ্চ রক্তচাপে ভুগেছেন। সম্প্রতি এনজিওগ্রাম করে জানা গেছে যে তার হৃদযন্ত্রে দুটো ব্লক আছে। এ অবস্থায় সর্বপ্রথম তাকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবনযাপন করতে হবে। হৃদরোগীর খাদ্য এমন হতে হবে যেন খাদ্যে রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যশক্তির চাইতে বেশি খাদ্যশক্তি গৃহীত না হয় এবং খাদ্য সুষম হয়। এ বিষয়গুলোর সাথে সাথে জামিল সাহেবকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে-
১. লাল চালের ভাত ও ভূসিসহ আটার রুটি খেতে হবে পরিমাণ মতো।
২. বেশি আঁশযুক্ত খাদ্য যেমন- শাকসবজি ও ফল (টকফল) খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে।
৩. বিভিন্ন রঙিন সবজি প্রতিদিন গ্রহণ করতে হবে।
৪. ডাল, বাদাম পরিমাণমতো খেতে হবে।
৫. মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস, চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস, ডিম প্রয়োজনীয় পরিমাণে খেতে হবে।
৬. ননীতোলা দুধ ও এ দুধের তৈরি টক দই খাওয়া ভালো।
৭. রান্নায় লবণ কম দিতে হবে এবং খাওয়ার সময় বাড়তি লবণ ৩. খাওয়া যাবে না।
আর তাকে নিম্নোক্ত খাবারগুলো অবশ্যই বাদ দিতে হবে-
১. মাখন, ঘি, ডালডা, ক্রিম, সস, বেশি তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাদ্য।
২. আইসক্রিম, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য।
৩. বেশি চর্বিযুক্ত মাংস, কলিজা, হাঁসমুরগির চামড়া দিয়ে খাদ্য।
৪. বেশি লবণযুক্ত খাবার বা লবণে সংরক্ষিত খাবার।
৫. ফাস্টফুড, বিভিন্ন ড্রিংস, চাইনিজ লবণ ইত্যাদি।
তাই বলা যায়, জামিল সাহেবের খাদ্য ব্যবস্থাপনায় এদিকগুলো অবশ্যই গুরুত্বের সাথে বাস্তবায়ন করতে হবে।