1 Answers
রুহির ক্ষেত্রে তার মায়ের প্রধান লক্ষ্য হলো পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও স্বাভাবিক বর্ধন অক্ষুণ্ণ রাখা।
কৈশোরকালে বর্ধনের গতি বৃদ্ধিজনিত কারণে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। তা না হলে শরীরে বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদানের অভাবজনিত রোগ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
রুহি কৈশোরকালে অবস্থান করছে। এটি দ্রুত বর্ধনের একটি সময়। এ সময় হাড়, দাঁত ও পেশির গঠন হয়ে থাকে। ফলে শরীরে বিভিন্ন পুষ্টির চাহিদা দেখা দেয়। এ চাহিদা সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমেই পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু রুহি ডিম, দুধ খেতে চায় না; যা প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে সহায়তা করে। কিন্তু রুহির মা প্রতিদিনই যকৃত, ছোট মাছ, সবুজ শাকসবজি, ডাল, ফল, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারগুলোর মধ্যে দুটি বা তিনটি খাদ্য তালিকায় রাখেন। এ সকল পুষ্টিকর খাবার হতে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও ধাতব লবণসমূহ এ বয়সী ছেলেমেয়েদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, রক্তের অপচয় রোধ, দাঁত ও হাড় গঠনে সহায়তা করে।
এছাড়া লেখাপড়া ও খেলাধুলায় বেশি শক্তি এ বয়সেই ক্ষয় হয়। তাই বর্ধিত শক্তির চাহিদা পূরণে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার। কিশোর কিশোরীদের দেহত্বক ও চোখের সুস্থতার জন্যও পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এ কারণেই রুহীর মা তার খাদ্য তালিকা প্রণয়নে বেশ সচেতনতা অবলম্বন করেন।