1 Answers

স্বাধীনতা অর্জন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে সামির মায়ের মতো অনেকের ভূমিকাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আলোকে প্রশ্নোক্ত এ উক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র-ছাত্রী, পেশাজীবী, নারী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে। উদ্দীপকের ১ম অংশে মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকার দিকটি উপস্থাপিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের মার্চের প্রথম থেকেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে যে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, তাতে নারীদের বিশেষ করে ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা অস্ত্রচালনা ও গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। অপরদিকে সহযোদ্ধা হিসেবে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা-শুশ্রুষা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহ করে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এদেশের অগণিত নারী মুক্তিসেনা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ মা-বোন। তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী। তাদের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারিভাবে তাঁদের 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করেন। আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৬ সালে তাঁদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পরিশেষে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে বলা যায়।

5 views

Related Questions