1 Answers
নাফিসা 'জাতীয় জাদুঘর' ও 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে' বেড়াতে গিয়ে ইতিহাসের লিখিত উপাদান দেখে। আর এ কথা সর্বজনস্বীকৃত যে, প্রাচীন বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কে জানার জন্য লিখিত উপাদান খুব গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হলে লিখিত উপাদানের বিকল্প খুব কমই বিদ্যমান। কারণ লিখিত উপাদানের মাধ্যমে আমরা প্রাচীন সময়ের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, প্রশাসনিকসহ প্রায় সব বিষয়ের বস্তুনিষ্ঠ বর্ণনা পেয়ে থাকি, যা অলিখিত উপাদানের মাধ্যমে জানা যায় না। এছাড়া অলিখিত উপাদানের তুলনায় লিখিত উপাদান ইতিহাস রচনায় সবসময়ই বেশি নির্ভরযোগ্য। যেমন- মধ্যযুগের উপমহাদেশের ইতিহাস রচনায় সে সময়ের স্থাপত্যকর্মগুলো আমাদেরকে যতটুকু না সাহায্য করে তার চেয়ে সে সময়ের ইতিহাসবিদদের রচনা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের আত্মজীবনী অনেকগুণ বেশি সহায়ক হয়। তাছাড়া আমরা জানি, কোনো সভ্যতা সম্পর্কে জানা তখনই সম্পূর্ণ হয়, যখন সে সভ্যতার মানুষ কীভাবে চিন্তা করে তা জানা যায়। আর এ জানা কেবল ইতিহাসের লিখিত উপাদান পাঠের মাধ্যমেই সম্ভব।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, প্রাচীন সভ্যতা অথবা অতীত সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে লিখিত উপাদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।