1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত রুপাকে তার দু-একজন সহকর্মী অশ্লীল কথাবার্তা বলে, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদ কর্তৃক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। এমনকি রাস্তায় বের হলে পথচারী কর্তৃক হেনস্তা হন। উদ্দীপকে রূপার প্রতি যে আচরণ লক্ষ করা যায় তা সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃতির একটি স্বরূপ মাত্র। শুধু রূপা নয়, বাংলাদেশের অধিকাংশ নারীই বিভিন্নভাবে সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃতি বিভিন্ন রকম। যেমন- স্বামী, শাশুড়ি, ননদ এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্যাতনের শিকার। স্ত্রী প্রহার, যৌতুক সম্পর্কিত নির্যাতন, শিক্ষা বঞ্চনা, সম্পত্তি অধিকারের বঞ্চনা, অত্যধিক কাজে বাধ্য করা, কন্যা শিশুকে মারধর করা, যৌন নির্যাতন প্রভৃতি। এদের মধ্যে যৌন হয়রানি, নির্যাতন ও ধর্ষণ হলো নারীর প্রতি বর্বর, নির্মম ও পৈশাচিক সহিংসতা। এটি অপরাধের মধ্যে নিকৃষ্টতম। এগুলো ছাড়াও নারীর প্রতি যে সমস্ত সহিংস ঘটনা ঘটে তা হলো ফতোয়া প্রদান, গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের মনগড়া আইনের মাধ্যমে বিচারকার্য পরিচালনা করা, নারীদের এসিড নিক্ষেপ করা, নারী, যুবতী ও কন্যা শিশুদের পতিতাবৃত্তির মতো জঘন্য কাজে বাধ্য করা।

4 views

Related Questions