1 Answers
কিশোর অপরাধ দমনে সামাজিক সচেতনতাসহ আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন- বক্তব্যটির সাথে একমত।
সমাজ ও সামাজিক সমস্যা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সামাজিক সমস্যা সমাজের অধিকাংশ লোককে প্রভাবিত করে এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হয়। উদ্দীপকে একটি অন্যতম সামাজিক সমস্যা কিশোর অপরাধের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেমন- কিশোর অপরাধ দমনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে, কিন্তু এসব আইনের যথেষ্ট প্রয়োগ নেই বিধায় এসব আইনের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ থেকে গেছে। কিশোর অপরাধ নিরসনে শুধু নির্ধারিত কিছু আইনের প্রয়োগই যে যথেষ্ট তা বলা যায় না। পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে। কারণ আমাদের সমাজে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল পরিবেশের কারণে কিশোর অপরাধীর জন্ম হয়। আর এসব সামাজিক প্রতিকূল পরিবেশকে অনুকূল পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারলে কিশোর অপরাধের অঙ্কুর নষ্ট হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে কিশোর সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশে ঢাকার টঙ্গীতে ১৯৭৮ সালে একটি কিশোর সংশোধনী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। তাছাড়া কিশোর অপরাধ সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে। এভাবে আইনি প্রয়োগ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে কিশোর অপরাধ নিরসন করা সম্ভব।
অতএব বলা যায়, সামাজিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি কিশোর অপরাধ আইনের সঠিক বাস্তবায়ন ঘটালেই কেবল কিশোর অপরাধ দমন করা যাবে। অন্যথায় সচেতন করা সম্ভব নয়।